📌 ইকুয়েডরের টুনা মাছের রাজধানী মান্তায় মৎস্যজীবীদের সীমিত কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্যের কারণে কোকেন পাচার বাড়ছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ও স্থানীয় ন্যায়বিচার আন্দোলন তীব্রতর হয়েছে।
ইকুয়েডরের মান্তা শহর, যা বিশ্বজুড়ে টুনা মাছের রাজধানী হিসেবে পরিচিত, সেখানে মৎস্যজীবীরা মাসে প্রায় ৩০০ ডলার উপার্জন করেন, তবে কোকেন পাচারের মাধ্যমে ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার ডলার পর্যন্ত উপার্জনের সম্ভাবনা তাদের আকৃষ্ট করছে। ২০২৩ সালে এক জেলে দুই টন কোকেন পরিবহনের বিনিময়ে ৩০ হাজার ডলার পেয়েছিলেন এবং সেই অর্থে পুরোনো বেতের ঘরের বদলে ইটের বাড়ি নির্মাণ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ২৮ আগস্ট থেকে মান্তা থেকে যাত্রা করা অন্তত আটটি মাছ ধরার নৌযান ধ্বংস করেছে।
- 📌 ট্রেজারি বিভাগ স্থানীয় মাছ ধরার কোম্পানি ও নৌযানকে ‘নারকোটেররিস্ট নেটওয়ার্ক’ হিসেবে চিহ্নিত করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
- 📌 মান্তার একটি আদালত সম্প্রতি ডুবিয়ে দেওয়া দুটি নৌযান থেকে আটক ২৮ জেলেকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে।
- 📌 শহরের হত্যার হার প্রতি এক লাখে প্রায় ১৩৭ জনে বেড়েছে, যখন এক দশক আগে তা ৫ দশমিক ৪ জনে ছিল।
📰 বিস্তারিত
মান্তার মৎস্যজীবীরা সীমিত কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্যের কারণে কোকেন পাচারের দিকে ঝুঁকছেন; এক জেলে জানান, মাছ ধরার মাধ্যমে যেখানে মাসে প্রায় ৩০০ ডলার আয় হয়, সেখানে কোকেন পাচারের অভিযানে ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়। এই অবৈধ বাণিজ্য মান্তার জেলেদের পরিবারকে ভয়ংকর ঝুঁকির মুখে ফেলেছে, যদিও অনেকেই দাবি করেন তারা কোনোভাবে পাচারে জড়িত নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর দাবি, নৌযানগুলো ডুবিয়ে দেওয়ার আগে এর আরোহীদের সরিয়ে ইকুয়েডরের কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মার্কিন সামরিক বাহিনী বলছে, তাদের অভিযান যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে পরিচালিত হচ্ছে, তবে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষ প্রতিবেদক বেন সল এসব হামলাকে বেআইনি ও মানবতাবিরোধী বলে সমালোচনা করেছেন।
স্থানীয় প্রতিবাদে স্বজনেরা ‘আমাদের জেলেদের জন্য ন্যায়বিচার’ লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ করেন এবং আদালত ২৮ জেলেকে মুক্তির নির্দেশ দেয়। শহরের হত্যার হার প্রতি এক লাখে প্রায় ১৩৭ জনে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এক দশক আগে ৫ দশমিক ৪ জনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। সমাজবিজ্ঞানী ব্রায়ান মেন্দোজা উল্লেখ করেন, বৈধ আয়ের সুযোগের অভাবই মাদক ব্যবসার দিকে ধাবিত করছে।
"মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, নৌযানগুলো ডুবিয়ে দেওয়ার আগে এর আরোহীদের সরিয়ে ইকুয়েডরের কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মান্তা, ইকুয়েডর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জনি গারাই
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ ডলার, ২০ হাজার‑৪০ হাজার ডলার, ৩০ হাজার ডলার, ২৮ আগস্ট, ২৮ জেলেকে, ১৩৭ জনে, ৫ দশমিক ৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!