📌 ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসি) ২০ রাজ্যে বাদ পড়া বৈধ ভোটারদের ফেরত পাওয়ার জন্য বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। বিরোধীরা দাবি করছেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদক্ষেপে বৈধ ভোটারের নাম কেটে বিজেপির জয় নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে
ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসি) বৈধ ভোটারদের ফেরত পাওয়ার জন্য বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। এই পদক্ষেপের পিছনে বিরোধীরা জ্ঞানেশ কুমারের পদক্ষেপকে বিজেপির জয় নিশ্চিত করার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন। কমিশন জানিয়েছে, ২০ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার পর বাদ পড়া বৈধ ভোটারদের নাম ফেরত পাওয়ার জন্য বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২০ রাজ্যে** বৈধ ভোটারদের ফেরত পাওয়ার জন্য বিশেষ অভিযান শুরু করেছে ইসি।
- 📌 **১৩ কোটি** নাম কেটে দেওয়া হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, যার মধ্যে মৃত, স্থানান্তরিত ও অবৈধ ভোটারদের নামও রয়েছে।
- 📌 **বিরোধীরা দাবি** করছেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈধ ভোটারের নাম কেটে বিজেপির জয় নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন।
- 📌 **সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশি** ১০ মাসে **১৪ বার** জ্ঞানেশের পদক্ষেপে আপত্তি জানিয়েছেন।
- 📌 **বৈধ ভোটারদের নাম ফেরত পাওয়ার জন্য** জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ডিইও) ও ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- 📌 **২০১৫ সালের ভোটার তালিকায় নামিয়ে এনেছে** এসআইআর প্রক্রিয়া। ২০১৪ সালে **৭৬ কোটি ৬০ লাখ** ভোটারের সংখ্যা ছিল, যা বেড়ে **৯৫ কোটি ২০ লাখ** হয়। এসআইআর পর **৮১ কোটি ৭৯ লাখ** ভোটার রয়েছে, যা **২০১৫ সালের ৮১ কোটি ৬৯ লাখের** চেয়ে মাত্র **১০ লাখ বেশি**।
📰 বিস্তারিত
ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসি) গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়। ২০ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার পর বাদ পড়া বৈধ ভোটারদের নাম ফেরত পাওয়ার জন্য বিশেষ অভিযান শুরু করা হবে। এই অভিযানে প্রতিটি রাজ্যের জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ডিইও) ও ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) দায়িত্বপ্রাপ্ত। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ডিআরও ও ইআরও নিজস্বভাবে খুঁজে বের করতে হবে, কারা এসআইআরের পরও বৈধ ভোটার হিসেবে বাদ পড়েছেন। প্রয়োজনে তাঁদের বাড়িতে গিয়ে ফর্ম ৬ পূরণ করিয়ে নাম ফেরত তালিকায় তোলা হবে।
বিরোধীরা দাবি করছেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদক্ষেপে বৈধ ভোটারের নাম কেটে বিজেপির জয় নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে বিরোধীরা খড়ঘোষণা করেছেন। গত ১০ মাসে অন্য দুই কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশি **১৪ বার** জ্ঞানেশের পদক্ষেপে আপত্তি জানিয়েছেন। এই আপত্তির খবর প্রকাশ পাওয়ার পর দেশজোড়া প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবি তোলা হচ্ছে। নাগরিক সমাজও এই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করছে।
এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০১৪ সালে **৭৬ কোটি ৬০ লাখ** ভোটারের সংখ্যা ছিল। ২০২৪ সালের মধ্যে তা বেড়ে **৯২ কোটি ৮০ লাখ** হয়। এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে ভোটারের সংখ্যা আরও বেড়ে **৯৫ কোটি ২০ লাখ** হয়। কিন্তু এসআইআর প্রক্রিয়া শেষে খসড়া তালিকা দেখায়, মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা **৮১ কোটি ৭৯ লাখ**। যা **২০১৫ সালের ৮১ কোটি ৬৯ লাখের** চেয়ে মাত্র **১০ লাখ বেশি**। এই তথ্য বিরোধীদের কাছে জ্ঞানেশের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আরো শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবে কাজ করছে।
"কমিশনের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল প্রকৃত ভোটারদের নাম বেশি করে তোলা। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, বৈধ ভোটারের নাম কেটে বিজেপির জয় নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারতের ২০ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, সুখবীর সিং সান্ধু, বিবেক যোশি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ রাজ্য, ১৩ কোটি নাম কেটে দেওয়া, ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি, ৭৬ কোটি ৬০ লাখ থেকে ৮১ কোটি ৭৯ লাখ ভোটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!