📌 দিল্লির বিভিন্ন স্থানে পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিক্ষিপ্তভাবে ঝটিকা মিছিলে ২০০-এরও বেশি বিক্ষোভকারী আটক হয়। সিজেপির নেতারা আটক হওয়ায় বিক্ষোভকারীরা নিজস্বভাবে সংগঠিত হয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন। আইএনএ এলাকায় নেহা বোরা ও অন্যান্য নেতাদের পুলিশ আটক করে, কিন্তু প্রতিবাদ অব্যাহত থাকে
দিল্লির বিভিন্ন স্থানে পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যন্তর মন্তরকে একটি দুর্গের মতো পরিণত করেছে। গত শনিবার বিকেলে সিজেপি (ককরোচ জনতা পার্টি) কর্মসূচির প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীরা রাজধানীজুড়ে ছড়িয়ে পড়েন এবং ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে ঝটিকা মিছিলের মাধ্যমে প্রতিবাদ শুরু করেন। নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক ব্যারিকেড, গণ-আটক এবং যাতায়াতের বিধিনিষেধের কারণে যন্তর মন্তরে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। সিজেপির শীর্ষ নেতাদের সকালে আটক হওয়ায় বিক্ষোভকারীরা নিজস্বভাবে পরিকল্পনা করে প্রতিবাদ শুরু করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিল্লির বিভিন্ন স্থানে পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিক্ষোভকারীরা ঝটিকা মিছিলের মাধ্যমে প্রতিবাদ শুরু করেন, যার ফলে ২০০-এরও বেশি বিক্ষোভকারী আটক হয়
- 📌 আইএনএ এলাকায় অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরা ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণসহ নেতাদের পুলিশ আটক করে, কিন্তু বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে
- 📌 সফদারজং ফ্লাইওভার ও কন্নট প্লেসে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘাত হয়, যার ফলে প্রায় ৫০ জন বিক্ষোভকারী আটক হয় এবং অন্যরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়
- 📌 দিল্লি হাট বন্ধ রাখা হয় এবং বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন কার্যক্রম বাতিল
📰 বিস্তারিত
দিল্লির বিভিন্ন এলাকা যেমন দিল্লি হাট, সফদারজং বিমানবন্দর ফ্লাইওভার, কন্নট প্লেস এবং রাজঘাটে পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যন্তর মন্তরকে একটি দুর্গের মতো পরিণত করেছে। বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে ঝটিকা মিছিলের মাধ্যমে প্রতিবাদ শুরু করেন। সিজেপির শীর্ষ নেতাদের সকালে আটক হওয়ায় বিক্ষোভকারীরা নিজস্বভাবে পরিকল্পনা করে প্রতিবাদ শুরু করেন।
আইএনএ এলাকায় বেলা একটার দিকে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরা, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ এবং সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদবসহ নেতারা একটি মিছিল শুরু করেন। তাদের পথে পুলিশ ব্যারিকেড স্থাপন করে এবং বাসে উঠিয়ে বিভিন্ন থানায় নিয়ে যান। তবে শীর্ষ নেতাদের আটক হওয়ায়ও বিক্ষোভকারীরা দিল্লি হাটের বাইরে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, দিল্লি হাটের আশপাশ থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার মধ্যে প্রায় ২০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। দিল্লি হাট কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভের কারণে জনপ্রিয় বাজারটি বন্ধ করে দেয়।
সফদারজং ফ্লাইওভারে নেহা বোরাসহ বিক্ষোভকারীদের পুলিশ আটকে দিলে সেখানে প্রতিবাদস্থল তৈরি হয়। বেলা তিনটার দিকে প্রায় অর্ধশত মানুষ জড়ো হয়ে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জানান। হিন্দু কলেজের শিক্ষার্থী অতুল বলেন, ‘পুলিশ নেহা ও অভিজিৎ দিপকেকে আটক করে আমাদের মনোবল ভেঙে দেবেন বলে ভাবলেও তা হবে না। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আমরা থামব না।’
কন্নট প্লেসে দিনভর ছোট ছোট বিক্ষোভ দানা বাঁধতে থাকে। আউটার সার্কেলে প্রায় ১৫০ জন বিক্ষোভকারী পুলিশের ব্যারিকেড এড়িয়ে পৌঁছাতে সক্ষম হন। সেখানে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হলেও অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। সফদারজং ফ্লাইওভারে দুই ঘণ্টার সংঘাতের পরে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের পিছু হটতে বাধ্য করে এবং সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ফ্লাইওভারটি পুরোপুরি ফাঁকা করা হয়। সেখানে প্রায় ৫০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।
"ওনারা (আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য) নেহা ও অভিজিৎ দিপকেকে আটক করে ভেবেছিলেন আমাদের মনোবল ভেঙে দেবেন। কিন্তু তা হবে না। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত এবারও আমরা থামব না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি (দিল্লি হাট, সফদারজং ফ্লাইওভার, কন্নট প্লেস, রাজঘাট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নেহা বোরা, প্রশান্ত ভূষণ, যোগেন্দ্র যাদব, অতুল (হিন্দু কলেজের শিক্ষার্থী), বালা (দলিত সমাজকর্মী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ জন বিক্ষোভকারী আটক, ৫০ জন সফদারজং ফ্লাইওভারে আটক, ১৫০ জন আউটার সার্কেলে প্রতিবাদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!