📌 ভারতের দিল্লিতে পুলিশের দমনপীড়নের বিরুদ্ধে তরুণদের আন্দোলন বাড়ছে। নেপাল ও বাংলাদেশের গণআন্দোলনের উদাহরণ টেনে তরুণ সন্তোষ কুমার দাবি করেছেন, ভারতেও এখনই সময় দিল্লিকে পরিবর্তনের পথে নিয়ে যাওয়া। তিনি মনে করেন, মোদি সরকারের স্বৈরাচারী শাসন ২০২৯ সালের নির্বাচন পর্যন্ত টিকবে না
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে পুলিশের নির্বিচার আচরণ ও তরুণদের ওপর দমনপীড়নের বিরুদ্ধে জনগণের অসন্তোষ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নেপাল ও বাংলাদেশের গণআন্দোলনের সাফল্য টেনে তরুণ নেতা সন্তোষ কুমার দাবি করেছেন, ভারতেও এখনই সময় দিল্লিকে পরিবর্তনের পথে নিয়ে যাওয়া। তিনি মনে করেন, বর্তমান সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে এবং ২০২৯ সালের নির্বাচন পর্যন্ত এই শাসন টিকে থাকবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৯ বছর বয়সী দিল্লির তরুণ সন্তোষ কুমার বলেছেন, মোদি সরকারের শাসন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকদের চেয়েও বেশি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।
- 📌 তিনি দাবি করেছেন, পুলিশ যদি ১০ জন আন্দোলনকারীকে আটক করে, তবে অল্প সময়ে সেখানে ৫০ জনেরও বেশি তরুণ যোগ দিচ্ছে।
- 📌 সন্তোষ কুমার নেপাল ও বাংলাদেশের গণআন্দোলনের উদাহরণ টেনে বলেছেন, এখানেও জনগণের রক্তক্ষয়ী আন্দোলনই পারে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটাতে।
- 📌 তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেছেন, ২০২৯ সালের নির্বাচন পর্যন্ত মোদি সরকার টিকে থাকবে না।
- 📌 দিল্লির কনট্যুর প্লেস এলাকায় পুলিশের দমনপীড়নের বিরুদ্ধে তরুণদের প্রতিরোধ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
নয়াদিল্লির কনট্যুর প্লেস এলাকায় দীর্ঘদিন পরিচ্ছন্নতা কাজ করা ২৯ বছর বয়সী সন্তোষ কুমার বলেছেন, পুলিশের নির্বিচার আচরণ ও তরুণদের ওপর দমনপীড়নের বিরুদ্ধে তার ধৈর্য সীমা ছাড়িয়েছে। তিনি মনে করেন, মোদি সরকারের শাসন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকদের চেয়েও বেশি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
সন্তোষ কুমার নেপাল ও বাংলাদেশের গণআন্দোলনের উদাহরণ টেনে বলেছেন, ওই দুটি দেশে তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে ঐতিহাসিক গণআন্দোলন গড়ে উঠেছিল এবং অজনপ্রিয় সরকারগুলো ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিল। তিনি দাবি করেছেন, ভারতেও এখনই সময় দিল্লিকে নেপাল ও বাংলাদেশের মতো করে তোলার। তিনি বলেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর মতো এখানেও জনগণের রক্তক্ষয়ী আন্দোলন ও ঐক্যই পারে অন্যায় শাসনের অবসান ঘটাতে।
তিনি আরও বলেছেন, পুলিশ যদি রাস্তায় ১০ জন আন্দোলনকারীকে আটক করে, তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেখানে আরও ৫০ জনেরও বেশি তরুণ যোগ দিচ্ছে। তিনি এই প্রতিরোধকে স্বৈরাচারী মানসিকতার বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
"আমি মনে করি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বৈরাচারী মনোভাবের সময় এখন শেষ হয়ে এসেছে। ২০২৯ সালের নির্বাচন পর্যন্ত এই সরকার টিকবে না। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ যেভাবে বাড়ছে, তাতে পরিবর্তন খুব বেশি দূরে নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সন্তোষ কুমার (২৯ বছর বয়সী তরুণ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ বছর, ১০ জন, ৫০ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!