📌 ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি দিল্লির বিক্ষোভকে সহিংসভাবে নেপাল ও বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতিতে রূপান্তর করার অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশন, আদালত ও পুলিশসহ সব প্রতিষ্ঠান 'দুজনের' নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে এবং দিল্লিকে কার্যত অবরুদ্ধ করে রাখা হচ্ছে
ভারতের দিল্লিতে বিক্ষোভকে সহিংসভাবে নেপাল ও বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতিতে রূপান্তর করার অভিযোগ করেছেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ হিসেবে বর্ণনা করা যায়। রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের বর্তমান বিক্ষোভকে নেপাল ও বাংলাদেশের মতো সহিংস পরিস্থিতিতে রূপান্তর করার অভিযোগ করেছেন ধ্রুব রাঠি।
- 📌 তিনি দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশন, আদালত ও পুলিশসহ সব প্রতিষ্ঠান ‘দুজনের’ নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।
- 📌 শনিবার গুরগাঁওয়ে বাসা থেকে আটক হওয়ার ঘটনাকে ‘অবৈধ’ উল্লেখ করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রাঠি।
- 📌 আটক পুলিশ সদস্যরা বলেছেন, তারা প্রচণ্ড চাপের মধ্যে রয়েছেন।
- 📌 রাঠি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ নাকচ করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অবস্থান নেওয়ার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন।
- 📌 তিনি দাবি করেছেন, দিল্লিকে অবরুদ্ধ করে রাখা হচ্ছে এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান চলছে।
📰 বিস্তারিত
জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি দিল্লির বিক্ষোভকে সহিংসভাবে নেপাল ও বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতিতে রূপান্তর করার অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি অহিংসা ও গান্ধীতে বিশ্বাস করি। আর এই মানুষগুলো গডসেতে বিশ্বাস করে’। রাঠি দাবি করেছেন, ভারতের বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ হিসেবে বর্ণনা করা যায়। তিনি উল্লেখ করেছেন, দেশটির নির্বাচন কমিশন, আদালত ও পুলিশসহ সব প্রতিষ্ঠান ‘দুজনের’ নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোরে গুরগাঁওয়ের বাসা থেকে আটক হওয়ার ঘটনাকে ‘অবৈধ’ উল্লেখ করে রাঠি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিব্বলের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি দাবি করেছেন, সকাল সাতটার দিকে সাদাপোশাকে প্রায় ২০ জন তাঁর বাড়িতে ঢোকেন এবং তাঁকে ঘুমন্ত অবস্থায় শয়নকক্ষ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর মাকে এক পাশে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে তাঁকে বিভিন্ন থানায় নেওয়া হয়। প্রায় ২৩ ঘণ্টা নিজের ফোন ব্যবহার করে আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পাননি বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
আটক পুলিশ সদস্যরা রাঠিকে জানিয়েছিলেন, তারা প্রচণ্ড চাপের মধ্যে রয়েছেন। তিনি বিদেশি শক্তির অর্থায়নে ভারতে বিক্ষোভ করছেন—এমন অভিযোগও নাকচ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বিরুদ্ধেও তিনি কথা বলেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে একইভাবে অবস্থান নেওয়ার চ্যালেঞ্জ জানান। তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, নৈতিক কারণে তাঁর সরে দাঁড়ানো উচিত। পরবর্তী প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে বেছে নেওয়া প্রয়োজন।
রাঠি দাবি করেছেন, দিল্লি পুলিশ শত শত বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে এবং বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘আর কত দিন দিল্লিকে অবরুদ্ধ করে রাখা হবে?’
"আমি অহিংসা ও গান্ধীতে বিশ্বাস করি। আর এই মানুষগুলো গডসেতে বিশ্বাস করে। এটি জরুরি অবস্থার মতো পরিস্থিতি। তবে ইন্দিরা গান্ধী অন্তত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ধ্রুব রাঠি, জ্ঞানেশ কুমার, কপিল সিব্বল, নরেন্দ্র মোদি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ অক্টোবর, ২০ জন, ২৩ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!