📌 ভারতের বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী পুলিশের বাধা ভেঙ্গে আকাশবাণী ভবনে আশ্রয় নেন। তারা নির্বাচন কমিশন ভবনে যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পুলিশের তল্লাশি ও ব্যারিকেড তাদের পথ রুখে দাঁড়ায়। এই ঘটনায় জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জোরদার হয়
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিরোধী দলের নেতারা নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ বিরোধী সংসদ সদস্যদের পুলিশের বাধা ভেঙ্গে আকাশবাণী ভবনে আশ্রয় নিতে হয়। তারা নির্বাচন কমিশন ভবনে যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পুলিশের তল্লাশি ও ব্যারিকেড তাদের পথে বাধা সৃষ্টি করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পুলিশের বাধা ভেঙ্গে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনে আশ্রয় নেন, ইসি ভবনে যেতে ব্যর্থ হন
- 📌 ৩০০ বিরোধী সদস্য শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশনে যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পুলিশ তাদের পথ রুখে দাঁড়ায়
- 📌 ৫০ মিটার দূরত্বে অবস্থিত নির্বাচন কমিশন ভবন থেকে বিরোধী নেতারা আকাশবাণী ভবনে আশ্রয় নেন
- 📌 রাহুল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দেশের জনতা আমাদের বিচার করবে’
- 📌 ৩১ কোম্পানি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল, কিন্তু বিরোধী নেতাদের আটক করা সম্ভব হয়নি
📰 বিস্তারিত
২ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ‘জ্ঞানেশ হটাও’ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিরোধী সংসদ সদস্যদের আজ মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন ভবনে যাওয়ার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। দিল্লির বিস্তীর্ণ অঞ্চলে পুলিশের ব্যাপক তল্লাশি ও ব্যারিকেড সৃষ্টি করা হয়েছিল। সেখানে ৩১ কোম্পানি পুলিশের পাশাপাশি আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানও মোতায়েন করা হয়েছিল। তবে, রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কংগ্রেস নেতারা পুলিশের চোখে ধুলা দিয়ে আকাশবাণী ভবনে আশ্রয় নেন।
বিরোধী নেতারা আকাশবাণী ভবনের বটগাছের গুঁড়িতে বসে পড়েন। পুলিশ তাদেরকে নির্বাচন কমিশন ভবনে যেতে দিতে চায়নি। রাহুল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘৩০০ বিরোধী সদস্য শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করে নির্বাচন কমিশনে যেতে চেয়েছিলেন। এটা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু আমাদের যেতে দেওয়া হয়নি। দেশের জনতা এর বিচার করবে।’
রাহুল আরও বলেন, ‘ভোট চুরি করে ক্ষমতা ধরে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত ও নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। ওঁরা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছেন। আমরা গণতন্ত্র বাঁচাতে চাইছি।’
বিরোধী সংসদ সদস্যদের এই প্রচেষ্টায় ডিএমকে ও আম আদমি পার্টির সদস্যরা অংশ নেননি। তবে, কংগ্রেসের ছাত্রসংগঠন এনএসইউআইয়ের সদস্যরা তাদের সঙ্গে যোগ দেন। বিরোধী নেতারা সরকার ও জ্ঞানেশবিরোধী প্ল্যাকার্ড নিয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের দিকে এগোতে থাকেন। পুলিশ তাদেরকে ব্যারিকেডের ওপর উঠে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর চেষ্টা করতে দেখে। তবে, তারা আকাশবাণী ভবনে আশ্রয় নেন এবং পুলিশ তাদেরকে সরিয়ে নিতে ব্যর্থ হন।
‘ভোট চুরি করে তাঁরা ক্ষমতা ধরে রেখেছেন। জ্ঞানেশ কুমার তাঁদের ওই কাজে মদদ দিয়েছেন। তাঁদের কেউ ছাড়া পাবেন না। প্রত্যেকের বিচার হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, জ্ঞানেশ কুমার, নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, মোহন ভাগবত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ বিরোধী সদস্য, ৫০ মিটার দূরত্ব, ৩১ কোম্পানি পুলিশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!