📌 দিল্লি পুলিশ ১ নভেম্বর 'ইন্ডিয়া' জোটের জনসভায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য কড়াকড়ি আরোপ করেছে। বাইরের রাজ্য থেকে আসা যানবাহন দিল্লির সীমান্তে রাখতে হবে, সভা শেষে বিকেল ৫টার মধ্যে শেষ করতে হবে এবং ময়দানে রাত কাটানো নিষিদ্ধ। ব্যবসায়ীদের সংগঠন দিল্লির ব্যবসা ক্ষতির আশঙ্কায় জনসভাকে স্থগিত করার দাবি জানিয়েছে
দিল্লি পুলিশ ১ নভেম্বর 'ইন্ডিয়া' জোটের রামলীলা ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য কড়াকড়ি আরোপ করেছে। দিল্লির বাইরে থেকে আসা যানবাহন যেমন বাস, ট্রাক বা ট্রাক্টর দিল্লির সীমান্তে রাখতে হবে। দিল্লিতে এ ধরনের যানবাহন প্রবেশ করালে দূষণ বৃদ্ধি পাবে বলে পুলিশের অনুমান। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই জনসভায় অন্তত ১০ লাখ মানুষের ভিড় হবে, যার অধিকাংশ আসবে উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও রাজস্থান থেকে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিল্লি পুলিশ ১ নভেম্বর 'ইন্ডিয়া' জোটের জনসভায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য কড়াকড়ি আরোপ করেছে, বাইরের রাজ্য থেকে আসা যানবাহন দিল্লির সীমান্তে রাখতে হবে
- 📌 সভা শেষ করতে হবে বিকেল ৫টার মধ্যে এবং ময়দানে রাত কাটানো নিষিদ্ধ
- 📌 ময়দানে সিসি ক্যামেরা বসাতে হবে এবং উসকানিমূলক বক্তৃতা নিষিদ্ধ
- 📌 দিল্লির ব্যবসায়ীদের সংগঠন 'চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি' (সিটিআই) জনসভাকে স্থগিত করার দাবি জানিয়েছে, দাবি করা হয়েছে ১০ হাজার কোটি রুপির ব্যবসা ক্ষতির আশঙ্কা
- 📌 সিটিআই চেয়ারম্যান ব্রিজেশ গোয়েল রাহুল গান্ধীর সঙ্গে আলোচনার জন্য ২০ জন ব্যবসায়ীর ২০ মিনিটের অনুমতি চেয়েছেন
📰 বিস্তারিত
দিল্লি পুলিশের শর্তমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, দিল্লির বাইরে থেকে আসা যানবাহন দিল্লির সীমান্তে রাখতে হবে। কারণ, দিল্লিতে যানবাহনের জন্য অনুমোদিত ইঞ্জিনের মান (বিএস ৫) বাইরের রাজ্যের যানবাহনে নেই বলে দূষণ বৃদ্ধি পাবে। পুলিশের অনুমান, এই জনসভায় অন্তত ১০ লাখ মানুষের ভিড় হবে। তাদের বহনকারী বাস-ট্রাক দিল্লিতে ঘাঁটি গাড়লে রাজধানীর যান চলাচল ব্যাহত হবে বলে শর্ত আরোপ করা হয়েছে।
সভা শেষ করতে হবে বিকেল ৫টার মধ্যে এবং ময়দান দ্রুত খালি করে দিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই সভায় যোগ দেওয়া মানুষকে রামলীলা ময়দানে রাত কাটাতে দেওয়া হবে না। পুলিশ জানিয়েছে, ময়দানে মঞ্চের চারপাশে এবং প্রবেশ-প্রস্থান জায়গায় হাই-ডেফিনিশন সিসি ক্যামেরা বসাতে হবে। সভায় অংশগ্রহণকারীদের উসকানিমূলক কথাবার্তা বলতে নিষেধ করা হয়েছে। এমন বক্তার মাইক বন্ধ করে দিতে হবে এবং মঞ্চ থেকে সরিয়ে দিতে হবে।
দিল্লির ব্যবসায়ীদের সংগঠন 'চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি' (সিটিআই) এই জনসভাকে দশ দিন স্থগিত রাখার জন্য কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে অনুরোধ করেছিল। সিটিআই চেয়ারম্যান ব্রিজেশ গোয়েল রাহুলকে চিঠি লিখে বলেছিলেন, ধনতেরাস, দীপাবলি ও ভাইফোঁটার বাজার এই সমাবেশের ফলে মাটি হয়ে যাবে এবং তাঁদের অন্তত ১০ হাজার কোটি রুপির বাণিজ্যের ক্ষতি হবে। রাহুলের জবাবে তিনি বলেছিলেন, 'আপনারা প্রধানমন্ত্রীকে বলুন সিইসি জ্ঞানেশ কুমারকে ইস্তফা দেওয়াতে বাধ্য করতে, আমি কথা দিচ্ছি ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে সব বিক্ষোভ বন্ধ হয়ে যাবে।'
"আমরা লড়াই চাই না, আলোচনা চাইছি। আপনি তো সবার সঙ্গে কথা বলেন। সবাইকে সময় দেন। আমরাও মাত্র ২০ মিনিট সময় চাইছি। আমাদের কথা শুনুন। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিজেশ গোয়েল, রাহুল গান্ধী, দিল্লি পুলিশ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ (জনসভা অংশগ্রহণকারী), ১০ হাজার কোটি (রুপি ব্যবসা ক্ষতি), ২০ মিনিট (আলোচনা সময়), ৩০ সেকেন্ড (বিক্ষোভ বন্ধ সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!