📌 দিল্লি প্রশাসন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের পাশে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী মসজিদকে ‘অননুমোদিত’ ঘোষণা করে ছয় দিনের মধ্যে খালি করার নির্দেশ দিয়েছে। মসজিদ কর্তৃপক্ষ ও ওয়াকফ বোর্ডের তীব্র প্রতিবাদ সত্ত্বেও প্রশাসন জমির দাবি ত্যাগ করছে না
দিল্লি প্রশাসন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের পাশে অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী মসজিদকে ‘অননুমোদিত’ ঘোষণা করে ছয় দিনের মধ্যে খালি করার নির্দেশ দিয়েছে। এই নির্দেশের বিরুদ্ধে মসজিদের ইমাম ও জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের তীব্র প্রতিবাদ চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিল্লির ভূমি ও উন্নয়ন দফতর মোদির বাসভবনের পাশের মসজিদটিকে ‘অননুমোদিত’ ঘোষণা করে ছয় দিনের মধ্যে খালি করার নির্দেশ দিয়েছে।
- 📌 মসজিদটি সরকারি জমিতে অবস্থিত বলে প্রশাসন জমির দাবি ত্যাগ করছে না, যদিও ১৯৭৭ সালের দিল্লি গেজেটে ও সংশোধিত তালিকায় ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার নাম রয়েছে।
- 📌 সংখ্যালঘু-বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মসজিদের নাম ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার তালিকায় রয়েছে। তবে প্রশাসন মসজিদটিকে ‘অননুমোদিত’ ঘোষণা করেছে।
- 📌 মসজিদের ইমাম দাবি করেছেন, ওয়াকফ বোর্ড প্রশাসনের নোটিশ নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তিনি বলেছেন, ‘আমি ওয়াকফ বোর্ডকে বলেছিলাম আদালতে যেতে, কিন্তু তারা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।’
- 📌 মসজিদের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় ইমাম ও ভক্তরা পানি সরবরাহের সমস্যায় পড়েছেন।
📰 বিস্তারিত
দিল্লির ভূমি ও উন্নয়ন দফতর মোদির বাসভবনের পাশে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী মসজিদটিকে ‘অননুমোদিত’ ঘোষণা করে ছয় দিনের মধ্যে খালি করার নির্দেশ দিয়েছে। দফতর জানিয়েছে, মসজিদটি সরকারি জমিতে অবস্থিত বলে এটি ‘অননুমোদিত’। তবে ১৯৭৭ সালের দিল্লি গেজেটে ও সংখ্যালঘু-বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত তালিকায় মসজিদটির নাম ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার তালিকায় রয়েছে।
জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করে সংখ্যালঘু-বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুকে স্মারকলিপি দিয়েছে। তারা দাবি করেছেন, মসজিদটি ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার তালিকায় রয়েছে। তবে প্রশাসন মসজিদটিকে ‘অননুমোদিত’ ঘোষণা করে খালি করার নির্দেশ দিয়েছে।
মসজিদের ইমাম দিল্লির ওয়াকফ বোর্ডের ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি ওয়াকফ বোর্ডকে বলেছিলাম আদালতে যেতে। এমনকি আমাকে আদালতে যাওয়ার অনুমতি দিতেও আজই জানিয়েছিলাম। কিন্তু তারা কোনো পদক্ষেপ করেনি।’ তিনি আরও জানান, মসজিদের বিদ্যুৎ এবং পানি সরবরাহ বন্ধ। রাস্তা বন্ধ থাকায় বাইরে থেকে পানি আনার সুযোগ নেই।
"আমি ওয়াকফ বোর্ডকে বলেছিলাম আদালতে যেতে। এমনকি আমাকে আদালতে যাওয়ার অনুমতি দিতেও আজই জানিয়েছিলাম। কিন্তু তারা কোনো পদক্ষেপ করেনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মসজিদের ইমাম, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ, সংখ্যালঘু-বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ছয় দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!