📌 দিল্লিতে দুর্গাপূজা ও দশেরার পর 'জ্ঞানেশ হটাও, গণতন্ত্র বাঁচাও' আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। 'পিপল এগেইনস্ট এসআইআর' ব্যানারে শুক্রবার বিক্ষোভের আহ্বান জানানো হয়েছে, যেখানে পুলিশের অনুমতি ছাড়াই আন্দোলনকারীরা নির্বাচন কমিশনের সামনে যাবেন। সিপিআই(এমএল) লিবারেশনের নেহা বোরা, সিপিএমের ঐশী ঘোষসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও কর্মী এই আন্দোলনে অংশ নেবেন
দিল্লিতে দুর্গাপূজা ও দশেরার পর আবারও জ্ঞানেশবিরোধী আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। 'পিপল এগেইনস্ট এসআইআর' ব্যানারে আগামীকাল শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) কনট প্লেসের কাছে বাংলা সাহেব গুরুদ্বারের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশের আহ্বান জানানো হয়েছে। এই গোষ্ঠী জানিয়েছে, তারা পুলিশের অনুমতি ছাড়াই আন্দোলন করবেন। বিক্ষোভকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করে নির্বাচন কমিশনের সামনে যাবেন। যদি পুলিশ পথ রোধ করে, তাহলে তারা 'জনতার সংসদ' বা 'পিপলস পার্লামেন্ট' তৈরি করবেন। স্লোগান হিসেবে তারা দাবি করছেন, 'প্রতিটি গলি যন্তর মন্তর', 'প্রতিটি এলাকা যন্তর মন্তর', 'আমাদের ঘর যন্তর মন্তর'।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) দিল্লির কনট প্লেসে 'পিপল এগেইনস্ট এসআইআর' ব্যানারে বিক্ষোভ সমাবেশের আহ্বান জানানো হয়েছে, যেখানে পুলিশের অনুমতি ছাড়াই আন্দোলন করা হবে।
- 📌 বিক্ষোভকারীরা নির্বাচন কমিশনের সামনে মিছিল করবেন; পুলিশ পথ রোধ করলে 'জনতার সংসদ' তৈরি করবেন এবং জাতীয় সংগীত গেয়ে ফিরে যাবেন।
- 📌 সিপিআই(এমএল) লিবারেশনের নেহা বোরা, সিপিএমের ঐশী ঘোষসহ অভিজিৎ দিপক, প্রশান্ত ভূষণ, প্রকাশ রাজ, রাকেশ টিকায়েত, তুষার গান্ধী ও পরকলা প্রভাকর এই আন্দোলনে অংশ নেবেন।
- 📌 অর্থনীতিবিদ পরকলা প্রভাকর এসআইআর প্রক্রিয়াকে 'নাগরিকত্বের রক্তহীন রাজনৈতিক গণহত্যা' বলে অভিহিত করেছেন।
- 📌 দিল্লি পুলিশের ১৬৩ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও বিক্ষোভের আহ্বান জানানো হয়েছে, যেখানে চার বা ততধিক ব্যক্তির সমাবেশ নিষিদ্ধ।
- 📌 সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস তিহার জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন, কিন্তু তারা পুলিশের হাজিরা দিতে অস্বীকার করেছেন।
- 📌 কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ 'ঘুসপেটিয়া' তত্ত্বের উপর জোর দিয়েছেন, কংগ্রেসকে অভিযুক্ত করে বলেছেন তারা ভোটচুরির মনগড়া অভিযোগ এনে আসর জমাতে চাইছে।
📰 বিস্তারিত
দিল্লিতে দুর্গাপূজা ও দশেরার পর 'জ্ঞানেশ হটাও, গণতন্ত্র বাঁচাও' আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। 'পিপল এগেইনস্ট এসআইআর' ব্যানারে আগামীকাল শুক্রবার কনট প্লেসের কাছে বাংলা সাহেব গুরুদ্বারের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশের আহ্বান জানানো হয়েছে। এই গোষ্ঠী জানিয়েছে, তারা পুলিশের অনুমতি ছাড়াই আন্দোলন করবেন। বিক্ষোভকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করে নির্বাচন কমিশনের সামনে যাবেন। যদি পুলিশ পথ রোধ করে, তাহলে তারা 'জনতার সংসদ' বা 'পিপলস পার্লামেন্ট' তৈরি করবেন এবং জাতীয় সংগীত গেয়ে ফিরে যাবেন।
সিপিআই(এমএল) লিবারেশনের নেত্রী নেহা বোরা, সিপিএমের ঐশী ঘোষসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও কর্মী এই আন্দোলনে অংশ নেবেন। সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপক, আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ, অভিনেতা প্রকাশ রাজ, উত্তর প্রদেশের কৃষকনেতা রাকেশ টিকায়েত, মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র সমাজকর্মী তুষার গান্ধী ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ পরকলা প্রভাকর এই আন্দোলনে যোগ দেবেন। প্রভাকর এসআইআর প্রক্রিয়াকে 'নাগরিকত্বের রক্তহীন রাজনৈতিক গণহত্যা' বলে অভিহিত করেছেন।
দিল্লি পুলিশের ১৬৩ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও বিক্ষোভের আহ্বান জানানো হয়েছে। এই ধারায় চার বা ততধিক ব্যক্তির সমাবেশ নিষিদ্ধ, স্লোগান দেওয়া, প্ল্যাকার্ড বা ব্যানার নিয়ে পথচলা, ভাষণ দেওয়া ও অস্ত্র হাতে রাখা নিষিদ্ধ। সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস তিহার জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন, কিন্তু তারা পুলিশের হাজিরা দিতে অস্বীকার করেছেন। পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, তাদের হাজিরার জন্য নতুন নোটিশ পাঠানো হবে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ 'ঘুসপেটিয়া' তত্ত্বের উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কংগ্রেস ও বিরোধীরা এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে এত কথা বলছেন একটাই কারণে — তারা চান না, ভোটার তালিকা থেকে ঘুসপেটিয়া বা অনুপ্রবেশকারীদের নাম কাটা যাক। তিনি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর প্রতি কটাক্ষ করে বলেছেন, 'আগামী ৩০ বছর তারা ক্ষমতায় আসতে পারবে না'।
"প্রতিটি গলি যন্তর মন্তর, প্রতিটি এলাকা যন্তর মন্তর, আমাদের ঘর যন্তর মন্তর"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নেহা বোরা, ঐশী ঘোষ, অভিজিৎ দিপক, পরকলা প্রভাকর, আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ অক্টোবর (শুক্রবার), ১৬৩ (ধারা), ৩০ (বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!