📌 দিল্লি হাইকোর্ট সিজেপির শুক্রবারের বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি অস্বীকার করেছে। তবে পুলিশ জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে আইনানুযায়ী পদক্ষেপ নিতে পারবে। সেন্ট্রাল পার্কে বিক্ষোভের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশাসনিক কারণে পার্ক বন্ধ রাখা হয়েছে
দিল্লি হাইকোর্ট সিজেপির শুক্রবারের বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। তবে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ রাখতে পুলিশ আইনানুযায়ী পদক্ষেপ নিতে পারবে বলে আদালত জানিয়েছে। দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের নেতৃত্বে বিক্ষোভের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশাসনিক কারণে ১৬ ও ১৭ অক্টোবর পার্ক বন্ধ রাখা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিল্লি হাইকোর্ট সিজেপির বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে, তবে পুলিশ জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে আইনানুযায়ী পদক্ষেপ নিতে পারবে
- 📌 সেন্ট্রাল পার্কে বিক্ষোভের কারণে প্রশাসনিক কারণে ১৬ ও ১৭ অক্টোবর পার্ক বন্ধ রাখা হয়েছে, তবে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে স্পষ্টতা নেই
- 📌 নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে সিজেপির বিক্ষোভের সময় পুলিশ শত শত বিক্ষোভকারীকে আটক করেছিল, যার মধ্যে ছিল বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
- 📌 মুম্বাইয়ের আজাদ ময়দানে সিজেপি বিক্ষোভের অনুমতি পেয়েছে, কিন্তু দিল্লিতে বিক্ষোভের জায়গা নিয়ে প্রশাসনের সাথে দ্বন্দ্ব রয়েছে
- 📌 সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ অভিযোগ করেছেন, বিরোধী নেতাদের আটক করা হয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য
📰 বিস্তারিত
দিল্লি হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নীতিন বাসুদেও সাম্বরে এবং বিচারপতি সঞ্জয় শর্মার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ বৃহস্পতিবার ফুটপাতে পণ্য-সামগ্রীর লাইসেন্সপ্রাপ্ত এক বিক্রেতার করা আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বিক্রেতা বলেছিলেন, এই বিক্ষোভ ব্যবসায়ীদের অধিকারে প্রভাব ফেলবে এবং সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া আইন অনুযায়ী পুলিশকে এটি নিয়ন্ত্রণ করার নির্দেশ দেওয়ার আবেদন করেছিলেন। আইনজীবী বলেন, উৎসবের মৌসুমে ব্যবসায়ীদের আর একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিন দোকানপাট বন্ধ রাখতে হয়, তাহলে তারা পথের ভিখারি হয়ে যাবে। তিনি উল্লেখ করেন, কনট প্লেস সেন্ট্রাল পার্কের ঠিক মাঝখানে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে দোকানপাট বন্ধ করা শুরু করেছে।
অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল চেতন শর্মা আদালতকে জানান, বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের জন্য ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এদিকে, মুম্বাইয়ের আজাদ ময়দানে একই সময়ে সিজেপির বিক্ষোভ অনুমোদিত হয়েছে। অভিজিৎ দীপের বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে দিল্লির ছাত্র সংগঠন ও যুবসমাজ রাজপথে রয়েছে এবং তাদের টেনেহিঁচড়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সিজেপির সদস্য সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কারণে কারাগারে রাখা হয়েছে।
সিজেপির ১০ অক্টোবরের আহ্বানের পর যন্তর মন্তর এলাকাটি বিক্ষোভের ভেন্যু হিসেবে তালিকাভুক্ত না করায় তাদের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে। আইসার নেতা নেহা বোরা অভিযোগ করেছেন, বিক্ষোভ কাভার করতে যাওয়া সাংবাদিকদের প্রেস কার্ড থাকা সত্ত্বেও মারধর করা হয়েছে এবং তাদের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
"গত ১০-১৫ দিন ধরে দিল্লির ছাত্র সংগঠন ও যুবসমাজ রাজপথে রয়েছে এবং তাদের টেনেহিঁচড়ে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যখন বিরোধীরা তাদের সাথে যোগ দিল, তখন বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও পিনারাই বিজয়নের মতো সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ তাদেরও আটক করা হলো। আর এই সমস্ত কিছু কার জন্য? মাত্র একজন ব্যক্তির জন্য, তিনি হলেন জ্ঞানেশ কুমার।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি হাইকোর্ট, সেন্ট্রাল পার্ক, কনট প্লেস, দিল্লি; মুম্বাইয়ের আজাদ ময়দান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অভিজিৎ দীপ, নীতিন বাসুদেও সাম্বরে, সঞ্জয় শর্মা, বিক্রেতা, আইনজীবী, চেতন শর্মা, নেহা বোরা, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ ও ১৭ অক্টোবর, ১০ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!