📌 ভারতে ভারতের রাজধানী দিল্লির আদালত সাত দিনের হেফাজতে থাকার পর ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে। মুক্তির পর সৌরভ দাস বলেছেন, 'সত্যের জয় হয়েছে'
ভারতের রাজধানী দিল্লির বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এসইএম) আদালত সাত দিনের বিচারিক হেফাজতের পর ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগে ১৩ অক্টোবর আটক করা এই দুই নেতাকে ১৯ অক্টোবর আরও দুই দিনের জন্য হেফাজতে রাখার আদেশ দেওয়া হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২১ অক্টোবর দিল্লি আদালতের নির্দেশে মুক্তি পায় সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস ও জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা
- 📌 ১৩ অক্টোবর থেকে বিচারিক হেফাজতে থাকা এই দুই নেতাকে ১৯ অক্টোবর আরও দুই দিনের জন্য হেফাজতে রাখার আদেশ দেওয়া হয়েছিল
- 📌 এসিপি রিতু রাজ নেতাদের পক্ষে দেওয়া জামিন নিশ্চয়তা গ্রহণ করে মুক্তির নির্দেশ দেন
- 📌 আদালত দাবি করে, নেতাদের মুক্তি দেওয়া হলে 'শান্তি ও শৃঙ্খলা' বিঘ্নিত হতে পারে
- 📌 মুক্তির পর সৌরভ দাস বলেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে’
📰 বিস্তারিত
ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে ১৩ অক্টোবর আটক করা হয়েছিল। দিল্লি পুলিশের দাবি ছিল, এই দুই নেতা ভারতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন কার্যক্রম (এসআইআর) বিরোধী বিক্ষোভের সময় নিরাপত্তাব্যবস্থা লঙ্ঘন করে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করেছিলেন।
১৯ অক্টোবর বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এসইএম) আদালত তাদের বিচারিক হেফাজতের মেয়াদ আরও দুই দিন বাড়ানোর আদেশ দিয়েছিল। দিল্লি পুলিশের আবেদনে আদালত উল্লেখ করে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার আচরণে আইনের প্রতি শ্রদ্ধার অভাব প্রকাশ পেয়েছে। এছাড়াও, তারা জনশান্তি ও শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার আশঙ্কা তৈরি করেছেন। আদালত আরও বলেন, এই দুই নেতা নির্ধারিত বিক্ষোভ স্থান ছাড়া বারবার বিক্ষোভের ডাক দিচ্ছেন।
আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসিপি) রিতু রাজ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নেতাদের পক্ষে দেওয়া জামিন নিশ্চয়তা গ্রহণ করে তাদের মুক্তির নির্দেশ দেন। আদালত জামিনের নিশ্চয়তা গ্রহণের সময় উল্লেখ করেন যে, যারা জামিনের নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন, তাঁরা উপযুক্ত ছিলেন না।
"সত্যের জয় হয়েছে"
মুক্তির পর সৌরভ দাস বলেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে’। এদিকে, দিল্লি পুলিশের দাবি ছিল, এই দুই নেতার মুক্তি দেওয়া হলে ‘শান্তি ও শৃঙ্খলা’ বিঘ্নিত হতে পারে। তবে আদালত তাদের মুক্তির নির্দেশ দিলে এই উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে সিদ্ধান্ত নেয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা, সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসিপি) রিতু রাজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ অক্টোবর (আটক), ১৯ অক্টোবর (হেফাজত বাড়ানো), ২১ অক্টোবর (মুক্তি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!