📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দিল্লির কেন্দ্রীয় বিক্ষোভস্থল যন্তর মন্তর বন্ধ: পুলিশ ঘোষণা নতুন তিনটি অনুমোদিত জায়গা

দিল্লির কেন্দ্রীয় বিক্ষোভস্থল যন্তর মন্তর বন্ধ: পুলিশ ঘোষণা নতুন তিনটি অনুমোদিত জায়গা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দিল্লি পুলিশ ঘোষণা করেছে, যন্তর মন্তর আর বিক্ষোভের জায়গা হবে না। বিক্ষোভকারীদের তিনটি নির্দিষ্ট জায়গা থেকে বেছে নিতে হবে: রামলীলা ময়দান, সিবিডি ময়দান ও বুরারি মাঠ। বিরোধী দলের নেতারা এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করছেন

দিল্লির কেন্দ্রীয় বিক্ষোভস্থল যন্তর মন্তর আর বিক্ষোভকারীদের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে দিল্লি পুলিশ ঘোষণা করেছে, এখন থেকে বিক্ষোভ দেখাতে তিনটি নির্দিষ্ট জায়গা থেকে বেছে নিতে হবে। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিরোধী দলের নেতারা পুলিশের নিষ্ঠুর পদক্ষেপকে অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দিল্লি পুলিশ ঘোষণা: যন্তর মন্তর আর বিক্ষোভের জায়গা হবে না — বিক্ষোভকারীদের তিনটি জায়গা থেকে বেছে নিতে হবে
  • 📌 নতুন অনুমোদিত জায়গা: পুরোনো দিল্লির রামলীলা ময়দান (যন্তর মন্তর থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে), পূর্ব দিল্লির সিবিডি ময়দান (১২ কিলোমিটার দূরে) ও উত্তর দিল্লির বুরারি মাঠ (২২ কিলোমিটার দূরে)
  • 📌 পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার জানান: যন্তর মন্তর আর বিক্ষোভস্থল থাকবে না — বিক্ষোভের জন্য তিনটি জায়গা থেকে বেছে নিতে হবে
  • 📌 সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস ও রত্না সিং পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অনুমতি জায়গা জানাতে দাবি করলেন
  • 📌 কংগ্রেস মুখপাত্র জয়রাম রমেশ বলেন: সরকার বিক্ষোভকারীদের ভয় পাচ্ছে, ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে জনতার বিক্ষোভ দূরে রাখতে চায়
  • 📌 সিজেপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৌরভ দাস বলেন: এই সিদ্ধান্ত গণতন্ত্রের ওপর আঘাত — একনায়কতন্ত্রের পথে পদক্ষেপ

📰 বিস্তারিত

দিল্লি পুলিশের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীদের আর যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করার অনুমতি থাকবে না। পুলিশের এই সিদ্ধান্তের পিছনে সুপ্রিম কোর্টের সুপারিশ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শে সরকারি পক্ষ বিক্ষোভকারীদের জন্য তিনটি নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করেছে। এই তিনটি জায়গা হলো: পুরোনো দিল্লির রামলীলা ময়দান (যন্তর মন্তর থেকে অন্তত ৪ কিলোমিটার দূরে), পূর্ব দিল্লির সেন্ট্রাল বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট (সিবিডি) ময়দান (১২ কিলোমিটার দূরে) এবং উত্তর দিল্লির বুরারি মাঠ (২২ কিলোমিটার দূরে)।

দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার জানান, যন্তর মন্তর আর বিক্ষোভস্থল থাকবে না। তিনি বলেন, বিক্ষোভ দেখাতে হলে কোনো একটি জায়গা থেকে বেছে নিতে হবে। তবে পুলিশের কাছে কীভাবে অনুমতি নিতে হবে, কত দিন আগে জানাতে হবে এবং কী কী নিয়মাবলী মেনে চলতে হবে — তা পরবর্তী নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হবে।

দিল্লি পুলিশের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস ও রত্না সিং পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় গিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অনুমতি চেয়েছিলেন। পুলিশকে তারা জানিয়েছিলেন, অনুমতি দেওয়া জায়গা সম্পর্কে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জানিয়ে দিতে হবে। এরপরই দিল্লি পুলিশের নতুন নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়। সিজেপির নেতারা এই সিদ্ধান্তকে সমালোচনা করে বলেন, যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের জায়গা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল এই সরকারের আমলে, কিন্তু এখন তারা সেই জায়গাটি বাতিল করেছে।

কংগ্রেস মুখপাত্র জয়রাম রমেশ বলেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের ভয় পাচ্ছে। তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দেখানোর জন্য নির্দিষ্ট জায়গা বেছে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু সরকার বিক্ষোভকারীদের ভয় পাচ্ছে এবং ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে জনতার বিক্ষোভ দূরে রাখতে চায়।”

সিজেপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৌরভ দাস বলেন, “নরেন্দ্র মোদি যন্তর মন্তরকে কেন এত ভয় পাচ্ছেন জানি না। যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভ দেখানোর জন্য চিহ্নিত করা হয়েছিল এই সরকারের আমলেই। তারাই এখন সেই স্থান বাতিল করছে। সৌরভ বলেন, “যেভাবে যন্তর মন্তরকে ছাঁটাই করা হলো, সেভাবেই মোদি সরকার একদিন গণতন্ত্রকেও বাতিল করে দেবে। এটা একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথে এক বড় পদক্ষেপ।”

"এটা জনগণের মৌলিক অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত। এই সিদ্ধান্ত তাঁরা মানবেন না। এই নির্দেশ জারির আগে সরকার কারও সঙ্গে আলোচনা করেনি। কেউ ওই সিদ্ধান্ত মানবেও না।"

দিল্লির বিক্ষোভস্থল হিসেবে যন্তর মন্তরকে চিহ্নিত করার ইতিহাস অনেক পুরনো। স্বাধীনতার পর থেকে সেন্ট্রাল দিল্লির বোট ক্লাব ছিল রাজনৈতিক বিক্ষোভের প্রধান জায়গা। ১৯৮৮ সালে পশ্চিম উত্তর প্রদেশের কৃষক নেতা মহেন্দ্র সিং টিকায়েতের ডাকে প্রায় পাঁচ লাখ কৃষক রাজপথ দখল করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী তাঁদের ৩৫ দফা দাবি মেনে নেওয়ায় কৃষকরা চলে যান। পরবর্তীতে নরসিংহ রাও প্রধানমন্ত্রী হয়ে রাজপথকে বিক্ষোভস্থল হিসেবে বন্ধ করে দেন। এরপর যন্তর মন্তরই হয়ে ওঠে বিক্ষোভের অঘোষিত কেন্দ্র।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অনুরাগ কুমার (পুলিশ কমিশনার), আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস, রত্না সিং, জয়রাম রমেশ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ কিলোমিটার (রামলীলা ময়দান), ১২ কিলোমিটার (সিবিডি), ২২ কিলোমিটার (বুরারি মাঠ), ২৪ ঘণ্টা, ৩৫ দফা দাবি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖