📌 দিল্লির বিক্ষোভে ভারতের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নসহ ১ হাজারাধিক ব্যক্তি আটক। সিজেপির বিক্ষোভের সময় পুলিশের ব্যাপক ধরপাকড়ে সিপিআইএম এমপি জন ব্রিটাসের ভিডিও বার্তায় জানানো হয়েছে, আটকদেরকে পুলিশ জিপে ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দাবি করা হচ্ছে, দিল্লি পুলিশ মৌলিক নাগরিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে
দিল্লির রাজনৈতিক বিক্ষোভে ভারতের কেরালা রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নসহ ১ হাজারাধিক ব্যক্তি আটক হয়েছে। সিজেপির (ককরোচ জনতা পার্টি) বিক্ষোভ কর্মসূচির বিরুদ্ধে পুলিশের ধরপাকড়ে সিপিআইএম (ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি-মার্কবাদী) এমপি জন ব্রিটাসের ভিডিও বার্তায় জানানো হয়েছে, আটকদেরকে পুলিশ জিপে ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পিনারাই বিজয়নসহ প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী কে এন বালাগোপালের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে ব্রিটাসের ভিডিওতে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১ হাজারাধিক ব্যক্তি আটক: দিল্লির বিক্ষোভে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচির বিরুদ্ধে পুলিশের ধরপাকড়ে আটক হয়েছে ১ হাজারাধিক লোক।
- 📌 সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নসহ সিপিআইএম নেতা ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নসহ শীর্ষ সংগঠকদের মধ্যে রয়েছে অভিজিৎ দীপক, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা, রত্না সিংহ ও ধ্রুব রাঠি।
- 📌 পুলিশ জিপে ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া: জন ব্রিটাসের ভিডিও বার্তায় জানানো হয়েছে, আটকদেরকে প্রথমে ছত্রশাল স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, পরে পুলিশ জিপে করে শহরের চারপাশ ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
- 📌 মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া: ব্রিটাসের দাবি, দিল্লি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং মানুষের মৌলিক নাগরিক স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।
- 📌 ব্যাপক পুলিশ প্রস্তুতি: দিল্লির ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ, ২৫০টিরও বেশি ট্রেন বাতিল, ২০ হাজার পুলিশ মোতায়েন এবং ৩০০টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
দিল্লির বিক্ষোভে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচির বিরুদ্ধে পুলিশের ধরপাকড়ের তীব্রতা বেড়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় শুরু হওয়া ধরপাকড়ে এখন পর্যন্ত ১ হাজারাধিক ব্যক্তি আটক হয়েছে। সিপিআইএম এমপি জন ব্রিটাসের ভিডিও বার্তায় জানানো হয়েছে, আটকদেরকে প্রথমে ছত্রশাল স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তারপর ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর পুলিশ জিপে করে শহরের চারপাশ ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ব্রিটাসের অভিযোগ, “আমরা জানি না আমাদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতিটা এমনই।”
সিজেপির বিক্ষোভের মূল কারণ ছিল ২০ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি। তখনও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। এইবার পুলিশ আগে থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। দিল্লির ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রাজীব চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, প্যাটেল চক ও কাশ্মীরি গেট সহ বিভিন্ন এলাকার প্রবেশপথ বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়া, ২৫০টিরও বেশি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি, ২০ হাজার পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে এবং ৩০০টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ রাখা হয়েছে। গতকাল রাত ১০টা থেকে ২৪ ঘণ্টার জন্য যন্তর মন্তরের চারপাশের ৪ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হয়েছে। এই ধরপাকড়ের ফলে দিল্লির সাধারণ মানুষের মৌলিক নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন জন ব্রিটাস।
"আমাদের পুলিশ জিপে করে শহরের চারপাশে ঘোরানো হচ্ছে। প্রথমে আমাদের ছত্রশাল স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং ৩০-৪০ মিনিট পর এখন আমরা পুলিশ জিপে রয়েছি। আমরা জানি না আমাদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতিটা এমনই।"
"দিল্লি এখন দিল্লি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে এবং মানুষের মৌলিক নাগরিক স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পিনারাই বিজয়ন (সাবেক মুখ্যমন্ত্রী), জন ব্রিটাস (সিপিআইএম এমপি), কে এন বালাগোপাল (সাবেক অর্থমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ অক্টোবর, ২০২৬; ১ হাজারাধিক আটক; ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ; ২৫০টিরও বেশি ট্রেন বাতিল; ২০ হাজার পুলিশ মোতায়েন; ৩০০টি সিসিটিভি ক্যামেরা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!