📌 দিল্লির বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের হেফাজত মেয়াদ আরও দুই দিন বাড়িয়ে দিলে তাদের আইনজীবীরা দিল্লি হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদন প্রত্যাহার করে নেন। আদালত তাদের অতীতের আইন-অমান্য আচরণ ও শান্তিভঙ্গের হুমকি উল্লেখ করে সিদ্ধান্ত নেয়
দিল্লির বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এসইএম) আদালত সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের বিচারিক হেফাজত মেয়াদ আরও দুই দিন বাড়িয়ে দিলে তাদের আইনজীবীরা দিল্লি হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদন প্রত্যাহার করে নেন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাদের আইনজীবীরা আদালতের পরামর্শ মেনে নেন এবং সেশনস কোর্টে আপিলের পথ বেছে নেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯ অক্টোবর দিল্লির বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এসইএম) ঋতু রাজের আদালত আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের হেফাজত মেয়াদ আরও দুই দিন বাড়িয়ে দেন।
- 📌 আদালত তাদের জামিননামা ভঙ্গ ও শান্তিভঙ্গের অভিযোগ উল্লেখ করে সিদ্ধান্ত নেয়।
- 📌 আদালত উল্লেখ করে, তারা উভয়েই ইচ্ছাকৃতভাবে আইন-অমান্য আচরণ করে চলেছেন এবং কোনো অনুশোচনা দেখাননি।
- 📌 তাদের আইনজীবীরা দিল্লি হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদন প্রত্যাহার করে নেন এবং সেশনস কোর্টে আপিল করার সিদ্ধান্ত নেন।
- 📌 ১৬ অক্টোবর সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপককে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু রাঙ্কা ও দাসের হেফাজত মেয়াদ বাড়ানো হয়।
📰 বিস্তারিত
দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের চেষ্টা করার সময় আটক হওয়া সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের হেফাজত মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাদের আইনজীবীরা আদালতে আবেদন দায়ের করেছিলেন। তবে আদালতের পরামর্শ মেনে তারা আবেদন প্রত্যাহার করে নেন। বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এসইএম) ঋতু রাজের আদালত ১৯শে অক্টোবর তাদের হেফাজত মেয়াদ আরও দুই দিন বাড়ানোর আদেশ জারি করেছিল। আদালত তাদের অতীতের আচরণ, আইনের প্রতি অশ্রদ্ধা এবং শান্তিভঙ্গের হুমকি উল্লেখ করে সিদ্ধান্ত নেয়।
আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাদের আইনজীবীরা দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন দায়ের করেন। কিন্তু হাইকোর্টের শুনানির সময় আদালত তাদের আইনজীবীদের পরামর্শ দেয় যে, তারা প্রথমে স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে শুনানির অপেক্ষা করতে পারেন। যদি তাদের মক্কেলদের তখনও বিচারিক হেফাজতে রাখা হয়, তবে তারা সরাসরি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের না করে সেশনস কোর্টে আপিল করতে পারেন। আইনজীবীরা এই পরামর্শ মেনে নেন এবং আবেদন প্রত্যাহার করেন।
এই ঘটনার সূত্রপাত হয় ১০ অক্টোবর। দিল্লি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সিজেপি নেতারা পুলিশের অনুমতি ছাড়াই সামাজিক মাধ্যমে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিলেন। পুলিশের যুক্তি ছিল, যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ফলে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হতে পারে। এর ভিত্তিতে পুলিশ ১০ অক্টোবর দিল্লি বিমানবন্দর থেকে অভিজিৎ দীপক, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে আটক করে। পরদিন, ১১ অক্টোবর, তাদের এসইএম আদালতে হাজির করা হয় এবং ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত মুচলেকা ও শান্তি বজায় রাখার অঙ্গীকারপত্রে জামিননামার ভিত্তিতে মুক্তি দেওয়া হয়।
মুক্তি পাওয়ার পরপরই নেতারা আবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিতে শুরু করেন। ১৩ অক্টোবর সকালে, সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মোহিত ভাটি আদালতকে জানান যে, রাঙ্কা ও দাস জেডিইউ অফিস চত্বরে প্রবেশ করে স্লোগান দিতে দিতে যন্তর মন্তরে পৌঁছান। আদালত তাদেরকে একগুঁয়ে ও আক্রমণাত্মক বলে উল্লেখ করে এবং বলেন, তারা কোনো অনুশোচনা দেখাননি। আদালত আরও উল্লেখ করে যে, তাদের অতীতের আচরণ কর্তৃপক্ষের আইনসম্মত নির্দেশ অমান্য করে এবং জনসাধারণকে অবৈধ বিক্ষোভে উসকানি দিতে চায়।
"একগুঁয়ে ও আক্রমণাত্মক" এবং "কোনো অনুশোচনা দেখাননি"
১৪ অক্টোবর আদালত তাদেরকে পাঁচ দিনের জন্য বিচারিক হেফাজতে পাঠায়। ১৯ অক্টোবর তাদের পুনরায় হাজির করা হলে, আদালত তাদের রিমান্ড আরও দুই দিনের জন্য বাড়িয়ে দেন। আদালত উল্লেখ করে যে, তারা উভয়েই ইচ্ছাকৃতভাবে জামিননামা ভঙ্গ করেছে এবং শান্তিভঙ্গ করেছে। আদালত কঠোর মন্তব্য করে জানায় যে, অভিযুক্তদের আচরণে আইনের প্রতি কোনো শ্রদ্ধা নেই।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস, অভিজিৎ দীপক, ম্যাজিস্ট্রেট ঋতু রাজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ মিনিট (পড়ার সময়), ১৯ অক্টোবর, ১৬ অক্টোবর, ১০ অক্টোবর, ৫০ হাজার টাকা, ১৩৬ ধারা, ১৩০ ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!