📌 দিল্লির যন্তরমন্তরে আর কোনো আন্দোলন না করার প্রতিশ্রুতিতে সাতদিন কারাগারে থাকার পর মুক্তি পেয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির দু’জন সহ-প্রতিষ্ঠাতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। আদালত তাদের প্রতিশ্রুতি নেওয়ার পর আজ মুক্তি দিয়েছে
দিল্লির যন্তরমন্তরে আর কোনো আন্দোলন না করার প্রতিশ্রুতিতে সাতদিন কারাগারে থাকার পর মুক্তি পেয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির দু’জন নেতা। দিল্লির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) তাদের এই প্রতিশ্রুতিতে কারাগার থেকে ছাড়া দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২১ অক্টোবর দিল্লির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা যন্তরমন্তরে আর কোনো আন্দোলন না করার প্রতিশ্রুতি দিলে মুক্তি পান
- 📌 ১০ অক্টোবর ককরোচ পার্টি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানের কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তরমন্তরে আন্দোলনের ডাক দিলেও কার্যকর করা সম্ভব হয়নি
- 📌 ১৩ অক্টোবর যন্তরমন্তরে পতাকা উড়ানোর পর পুলিশি রিমান্ডে নিয়ে যাওয়া হয় তাদের
- 📌 ১৫ অক্টোবর সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা উড়ানোর কর্মসূচি ঘোষণা করলেও অভিজিৎ দীপসহ তাদের আটক করা হয়
📰 বিস্তারিত
গত ১০ অক্টোবর ককরোচ পার্টি প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানের কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তরমন্তরে জড়ো হওয়ার ডাক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ওইদিন কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। উল্টো দলের প্রধান অভিজিৎ দীপসহ সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে দিল্লির বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়। পরেরদিন অভিজিৎ চলে যান তার বাড়িতে। কিন্তু সৌরভ ও আশুতোষ ১৩ অক্টোবর যন্তরমন্তরে গিয়ে পতাকা উড়ান। এরপর তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশি রিমান্ডে নিয়ে যাওয়া হয়।
১৫ অক্টোবর দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা উড়ানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন অভিজিৎ। কিন্তু ওইদিনও তাকে কর্মসূচি সফল করা না দিয়ে আটক করা হয়। তিনি পরেরদিন মুক্তি পেলেও সৌরভ ও আশুতোষকে আটকে রাখা হয়। অবশেষে আজ বুধবার দিল্লির হাইকোর্টে তাদের প্রশ্ন করা হয় যে, আন্দোলন নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও কেন তারা যন্তরমন্তরে গিয়েছিলেন। সেখানে যদি কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটত তাহলে তারা এ দায় নিতেন কি না।
আদালতে তারা প্রতিশ্রুতি দেন যন্তরমন্তরে আর কোনো আন্দোলনের ডাক দেবেন না। এরপর তারা মুক্তি পান।
"আন্দোলন নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও যন্তরমন্তরে গিয়েছিলাম। এখন আর কোনো আন্দোলন করবো না"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, দিল্লির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, যন্তরমন্তর, সেন্ট্রাল পার্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা, অভিজিৎ দীপ, ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশি কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন নেতা, ১০ অক্টোবর, ১৩ অক্টোবর, ১৫ অক্টোবর, ২১ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!