📌 দিল্লির বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে ৭ দিন জেলখানায় থাকার পর মুক্তি পান ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। তারা ১৪ অক্টোবর থেকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে ছিলেন
দিল্লির বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে ৭ দিন জেলখানায় থাকার পর মুক্তি পান ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। তারা ১৪ অক্টোবর থেকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে ছিলেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দিল্লির আদালত তাদের মুক্তি দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ দিন জেলে থাকার পর মুক্তি পান সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা
- 📌 ১৪ অক্টোবর থেকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে ছিলেন তারা
- 📌 ১৩ অক্টোবর যন্তর মন্তরের তালাবদ্ধ গেট টপকে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা ওড়ান
- 📌 ১০ অক্টোবর আটক হওয়ার পর স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তির লঙ্ঘন দাবি করে রাষ্ট্রপক্ষ
- 📌 দিল্লির বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট তাদের মুক্তি দেন
📰 বিস্তারিত
দিল্লির বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে মুক্তি পান ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। তারা ১৪ অক্টোবর থেকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে ছিলেন। এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দিল্লির বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১৩ অক্টোবর তারা যন্তর মন্তরের তালাবদ্ধ গেট টপকে প্রবেশ করেন এবং ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী জাতীয় পতাকা ওড়ান। রাষ্ট্রপক্ষের ভাষ্যমতে, এই কাজটি ছিল ১০ই অক্টোবর আটক হওয়ার পর তাদের স্বাক্ষরিত একটি শান্তিচুক্তির লঙ্ঘন। ১৪ অক্টোবর তাদের আটক করে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হলে পাঁচ দিনের জন্য বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। সোমবার এই হেফাজতের মেয়াদ আরও দুই দিন বাড়ানো হয়।
"এই কাজটি ছিল শান্তিচুক্তির লঙ্ঘন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা, বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ দিন (জেলে), ১৪ অক্টোবর (আটক), ২১ অক্টোবর (মুক্তি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!