📌 ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে তরুণদের বিক্ষোভে নিরাপত্তা কড়াকড়ি আরোপিত হয়েছে। মেট্রো স্টেশন বন্ধ, ইন্টারনেট নিষিদ্ধ এবং ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে, কিন্তু পুলিশ অনুমতি দেনি
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তরুণদের বিক্ষোভে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়াকড়ি আরোপিত হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১২:৩২ মিনিটে দিল্লির কেন্দ্রীয় এলাকায় হাজারো পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য টহল দিচ্ছেন। মেট্রো স্টেশন, বাজার ও মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। বিক্ষোভের আয়োজন করেছে ‘ককরোচ’ যুব আন্দোলন। আয়োজকদের আশা, হাজারো মানুষ অংশ নেবেন এই বিক্ষোভে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তরুণদের বিক্ষোভে নিরাপত্তা কড়াকড়ি আরোপিত হয়েছে।
- 📌 মেট্রো স্টেশন, বাজার ও মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে।
- 📌 ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভ অনুমতি দেনি, কিন্তু আয়োজকরা মৌলিক অধিকার দাবি করে অনুমতি ছাড়াই বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন।
- 📌 শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় নয়াদিল্লির কেন্দ্রস্থলে বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
‘ককরোচ’ যুব আন্দোলনের ডাকে দিল্লিতে বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে। এই বিক্ষোভের মূল দাবি হলো প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ তুলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সুবিধার্থে ভোটার তালিকা সংশোধন করছে। জ্ঞানেশ কুমারের অধীনস্থ কর্মকর্তারা তার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং দ্বিমত জানিয়েছেন। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
বিরোধী দলগুলো দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে যে, সরকার নিজেদের সুবিধার্থে ভোটার তালিকা পরিবর্তনের চেষ্টা করছে। এই অভিযোগের পাশাপাশি, জ্ঞানেশ কুমার নিজে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বিজেপির দাবি, মোদির জনপ্রিয়তা ও ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নির্বাচনে দলটির আধিপত্যের অন্যতম কারণ। তারা বলেছেন, বিরোধীরা দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করছে।
বিক্ষোভের আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই বিক্ষোভকে গত সপ্তাহে শুরু হওয়া বিক্ষোভগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় করার পরিকল্পনা রয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নয়াদিল্লির কেন্দ্রস্থলে বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত স্থান যন্তর মন্তরে জড়ো হওয়ার কথা ছিল। তবে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দিল্লি পুলিশ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করা এবং আগের বিক্ষোভগুলোর সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়নি।
পুলিশের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ নেতারা জানিয়েছেন, বিক্ষোভ করা তাদের মৌলিক অধিকার। তাই অনুমতি না পেলেও কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন তারা। বিক্ষোভকারীদের দিল্লিতে প্রবেশ এবং যন্তর মন্তরসংলগ্ন কেন্দ্রীয় বাণিজ্যিক এলাকায় জড়ো হওয়া ঠেকানোর পদক্ষেপ হিসেবে শুক্রবার রাত থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে ৫৭টি মেট্রো স্টেশন। আরআই বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, বিক্ষোভস্থলের চার কিলোমিটার ব্যাসার্ধের এলাকায় শুক্রবার রাত থেকে শনিবার রাত পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
"গণতন্ত্র বাঁচাও" স্লোগানে আয়োজিত এ কর্মসূচিকে গত সপ্তাহে শুরু হওয়া বিক্ষোভগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় করার পরিকল্পনা রয়েছে আয়োজকদের।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জ্ঞানেশ কুমার, নরেন্দ্র মোদি, তরুণ বিক্ষোভকারীরা, দিল্লি পুলিশ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ কোটি (ভোটার), ৫৭টি (মেট্রো স্টেশন), ১০ অক্টোবর (তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!