📌 দিল্লিতে আজ বিরোধী জোটের নেতৃত্বে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের বড় আন্দোলন। পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে যোগ দিচ্ছেন রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী নেতারা। বুধবার আটক-ছাড়ের পর বৃহস্পতিবার নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়
দিল্লিতে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আজ বিরোধী জোটের নেতৃত্বে বিক্ষোভের বড় আন্দোলনে নামছে। পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে যোগ দিচ্ছেন রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী দলের নেতারা। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিক্ষোভের সময় আটক হওয়া নেতাদের ছেড়ে দেওয়ার পর বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) আরও বড় পরিসরে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮ অক্টোবর দিল্লিতে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিরোধী জোটের বিক্ষোভের বড় আন্দোলন। যোগ দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ রাহুল গান্ধীসহ নেতারা
- 📌 বুধবার (৭ অক্টোবর) বিক্ষোভে আটক হওয়া নেতাদের মধ্যে ছিলেন রাহুল গান্ধীসহ কংগ্রেস নেতারা
- 📌 ৩টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসে সংসদ সদস্যদের নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হলেও যন্তর মন্তরে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি
- 📌 বিরোধীরা দাবি করছেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে এবং সিইসি পদত্যাগ করুন
- 📌 বিক্ষোভের সময় সিইসির পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
বিরোধী দলগুলোর সমন্বিত কর্মসূচি অনুযায়ী, বুধবার (৭ অক্টোবর) কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজের বৈঠকে অংশ নেওয়া বিরোধী নেতারা একসঙ্গে বিক্ষোভের পথে বের হন। তাদের নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে দিল্লির অশোক রোডে শাংরি-লা হোটেলের কাছে বাসগুলো থামিয়ে দেয়া হয়। যন্তর মন্তর থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে এই স্থানটি ছিল। বাসগুলো থামিয়ে দেওয়ার পর বিরোধী নেতারা যন্তর মন্তরে যেতে না পেরে সেখানে অবস্থান করে সিইসির পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন। পরে বেশ কয়েকজন নেতাকে আটক করা হয়।
বুধবারই বিরোধী দলগুলোর মধ্যে নতুন করে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়। নেতারা জানান, এবারের আন্দোলনে আরও বেশি সংখ্যক সংসদ সদস্য অংশ নেবেন। বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ, সিইসি জ্ঞানেশ কুমার নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ করছেন। বিশেষ করে বিহারের ভোটার তালিকা পুনর্নিরীক্ষণ নিয়ে বিরোধীরা আশঙ্কা প্রকাশ করে আসছেন। তারা দাবি করছেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে কমিশন এমন একটি প্রক্রিয়া চালাচ্ছে, যাতে প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
বিরোধী দলগুলোর দাবি, নির্বাচন কমিশন তাদের উদ্বেগ যথাযথভাবে আমলে নিচ্ছে না এবং পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে। এরই প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) আরও বড় পরিসরে বিক্ষোভের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
"বিরোধী দলগুলোর মধ্যে নতুন করে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়। নেতারা জানান, এবারের আন্দোলনে আরও বেশি সংখ্যক সংসদ সদস্য অংশ নেবেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাহুল গান্ধী, জ্ঞানেশ কুমার (সিইসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ অক্টোবর (বিক্ষোভের তারিখ), ৭ অক্টোবর (বুধবার আটক), ২ কিলোমিটার (অশোক রোড থেকে যন্তর মন্তর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!