📌 ভারতের দিল্লি রাজধানীকে পুরোপুরি অচল করে দিয়েছে সরকার। সিজেপির যন্তর মন্তর আন্দোলনে অংশ নিতে যাওয়ার দাবিতে সরকার ৩৫ হাজার নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করে। ৬ হাজারাধিক নেতা-কর্মী আটক হয়েছেন, যার মধ্যে চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রীও রয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের আটক করা হয় স্টেডিয়ামে রূপান্তরিত কেন্দ্রে।
ভারতের রাজধানী দিল্লিকে পুরোপুরি অচল করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সিজেপির যন্তর মন্তর আন্দোলনে অংশ নিতে যাওয়ার দাবিতে সরকার ৫ কিলোমিটার এলাকায় ৩৫ হাজার পুলিশ, র্যাফ ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করেছে। সাতস্তরীয় ব্যারিকেড নির্মাণ ও ৩ হাজার সিসি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে দিল্লিকে সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দিল্লি মেট্রোর ৪৫টি স্টেশন থেকে যাত্রীদের নামতে বা উঠতে দেওয়া হয়নি। এছাড়াও, ২৫০টি দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রা বাতিল করে দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশ রোধ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিল্লিকে পুরোপুরি অচল করে দিয়েছে সরকার; ৩৫ হাজার নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন
- 📌 ৫ কিলোমিটার এলাকায় সাতস্তরীয় ব্যারিকেড ও ৩ হাজার সিসি ক্যামেরা স্থাপন
- 📌 দিল্লি মেট্রো ৪৫টি স্টেশন বন্ধ, ২৫০টি ট্রেনের যাত্রা বাতিল
- 📌 ৬ হাজারাধিক সিজেপি নেতা-কর্মী আটক, চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রীও গ্রেপ্তার
- 📌 যন্তর মন্তর এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধ, বিক্ষোভের সরাসরি সম্প্রচার নিষিদ্ধ
- 📌 আটককৃতদের মধ্যে রয়েছে কেরলমের পিনারাই বিজয়ন, পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ত্রিপুরার মানিক সরকার ও দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়াল
- 📌 সিজেপির নেতা অভিজিৎ দিপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে উড়োজাহাজে আটক করা হয়
- 📌 সিজেপি ঘোষণা: ‘জ্ঞানেশ হটাও’ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে
📰 বিস্তারিত
ভারতের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা ও নির্বাচন প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে সিজেপি (কংগ্রেস) আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিল। গত শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় তাদের আন্দোলনকে দমন করার জন্য সরকারের নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক ধরপাকড় চালায়। পুলিশের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে যারা বিক্ষোভে অংশ নেয়, তাদেরকে আটক করে স্টেডিয়ামে রূপান্তরিত কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সিজেপির আন্দোলন ছিল অহিংস, কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনী তাদেরকে ট্রেন, উড়োজাহাজ ও রাজপথে আটক করে।
সরকারের নিরাপত্তা বাহিনী দিল্লির লুটেন্স দিল্লি এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয়। এই এলাকায় রয়েছে যন্তর মন্তর, কনট প্লেস, নির্বাচন সদন ও সংসদ ভবন। উদ্দেশ্য ছিল বিক্ষোভের সরাসরি সম্প্রচার নিষিদ্ধ করা। সিজেপির নেতা অজিঙ্ক শিন্ডে জানিয়েছেন, ‘মোদি সরকার ভয় পাচ্ছে। আমরা আবার একজোট হলে তাদের ক্ষমতার গদি টলে যেতে পারে। কিন্তু আমরা পিছু হটছি না!’
সিজেপির লিগ্যাল সেলের নেত্রী রত্না সিংকেও আটক করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের আগে অভিজিৎ দিপকে জানিয়েছিলেন, তাঁদের অনুপস্থিতিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন অজিঙ্ক শিন্ডে। সিজেপি বুঝিয়ে দিয়েছে, আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। গত রাতে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে জানা গেছে, আজ রোববারও যন্তর মন্তরে কর্মসূচি দিয়েছে সিজেপি।
"মোদি সরকার ভয় পাচ্ছে। আমরা আবার একজোট হলে তাদের ক্ষমতার গদি টলে যেতে পারে। কিন্তু আমরা পিছু হটছি না!"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি (ভারত), মুম্বাই (মহারাষ্ট্র), বেঙ্গালুরু (কর্ণাটক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জ্ঞানেশ কুমার (সিইসি), পিনারাই বিজয়ন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মানিক সরকার, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, অভিজিৎ দিপকে, আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস, রত্না সিংক, নেহা বোরা, অজিঙ্ক শিন্ডে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ কিলোমিটার (ব্যাপক এলাকা), ৩৫ হাজার (পুলিশ/নিরাপত্তা বাহিনী), ৩ হাজার (সিসি ক্যামেরা), ৪৫টি (মেট্রো স্টেশন), ২৫০টি (ট্রেন), ৬ হাজার (আটককৃত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!