📌 দিল্লির বিক্ষোভের কারণে ব্যারিকেড, ইন্টারনেট বন্ধ ও মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার বিরুদ্ধে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট তীব্র নির্দেশ দিয়েছে। আদালত দিল্লির ব্যারিকেড সরিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি ইন্টারনেট ও মেট্রো পরিষেবা চালু করতে নির্দেশ দিয়েছে। আইনজীবীদের পেশাগত অধিকার রক্ষা ও নিরাপত্তা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারির বিরোধিতা করে আদালত প্রশ্ন তুলেছে
দিল্লির বিক্ষোভের কারণে সৃষ্ট ব্যারিকেড, ইন্টারনেট বন্ধ ও মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার বিরুদ্ধে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট তীব্র অবস্থান নেয়। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিক্ষোভের সময় সৃষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও যাতায়াত বাধার বিরুদ্ধে দায়ের করা আবেদন শুনানির সময় আদালত নির্দেশ দেয়, দিল্লির ব্যারিকেড সরিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে। এছাড়াও, অবিলম্বে ইন্টারনেট ও মেট্রো পরিষেবা চালু করতে আদালত নির্দেশনা প্রদান করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **দিল্লির ব্যারিকেড সরিয়ে দিতে হবে**: সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, দিল্লির বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড সরিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে।
- 📌 **ইন্টারনেট ও মেট্রো পরিষেবা চালু**: আদালত মেট্রো ও ইন্টারনেট পরিষেবা অবিলম্বে চালু করার নির্দেশ দিয়েছে।
- 📌 **আইনজীবীদের পেশাগত অধিকার রক্ষা**: আইনজীবীদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারার নিশ্চয়তা দিতে আদালত নির্দেশ দেয়।
- 📌 **১৬৩ ধারা জারির বিরোধিতা**: আইনজীবী কপিল সিবাল ও গোপাল শঙ্করনারায়ণ ভগবান দাস রোডের নিষেধাজ্ঞা ও ১৬৩ ধারা জারির বিরোধিতা করে প্রশ্ন তুলেন।
- 📌 **৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধের কারণ**: আদালত দিল্লি মেট্রো কর্পোরেশনকে ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করতে নির্দেশ দেয়।
- 📌 **সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের আটক**: বিক্ষোভের সময় রাজনৈতিক নেতা, আইনজীবী, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
📰 বিস্তারিত
দিল্লির বিক্ষোভের কারণে সৃষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও যাতায়াত বাধার বিরুদ্ধে শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্ট তীব্র অবস্থান নেয়। শুনানিতে প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিবাল দিল্লি পর্যন্ত ট্রেন চলাচলের অনুমতি দাবি করেন। তিনি ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারির বিরোধিতা করে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সুযোগ দাবি করেন। আদালত প্রশ্ন তোলে, কীভাবে সুপ্রিম কোর্টের আশপাশে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা তথ্য দিতে না পারায় আদালত তাকে দ্রুত তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেয়।
আদালতে আইনজীবীদের সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তাদের আগে থেকে জানানো হয়নি এবং কিছু আইনজীবীকে তাদের চেম্বার থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, আইনজীবীদের যদি নোটিশ দিয়ে না জানানো হয়, তবে তা নির্দেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার বড় কারণ হতে পারে। প্রবীণ আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ ভগবান দাস রোডের নিষেধাজ্ঞা ও দিল্লি হাইকোর্টে যাতায়াতের বাধার বিষয়টিও আদালতে তুলে ধরেন।
আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়, বিক্ষোভের সময় রাজনৈতিক নেতা, আইনজীবী, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে আটক করা হয়েছে। এছাড়াও, হামলা, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা এবং ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ আদালতে উপস্থাপন করা হয়। আইনজীবী মানেকা গুরুস্বামী বলেন, এই বিষয়টি কেবল কয়েকজন ব্যক্তির আটকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি সরাসরি সংবিধানের মৌলিক অধিকারের প্রশ্ন।
"আইনজীবীদের যদি নোটিশ দিয়ে না জানানো হয়ে থাকে, তবে তা এই নির্দেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার বড় কারণ হতে পারে।"
— বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কপিল সিবাল, গোপাল শঙ্করনারায়ণ ভগবান দাস, মানেকা গুরুস্বামী, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী, সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ অক্টোবর, ১৬৩ ধারা, ৫৭টি মেট্রো স্টেশন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!