📌 দিল্লিতে রাজনৈতিক বিক্ষোভের সময় পুলিশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তিন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও পাঁচ তৃণমূল কংগ্রেসের এমপিকে আটক করেছে। আটকদের মধ্যে ছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও পিনারায়ি বিজয়ন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটকের সময় নীরব প্রতিবাদে অংশ নিয়েছিলেন
দিল্লির রাজনৈতিক সংগ্রামে ভারতের রাজনীতিতে প্রভাবশালী তিন সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ মোট সাতজন নেতাকে পুলিশ আটক করেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সাউথ অ্যাভিনিউ এলাকায় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) বিক্ষোভের সময় এই ঘটনা ঘটে। পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারায়ি বিজয়নকে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যায়। এছাড়াও, তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচজন সংসদ সদস্যকে (এমপি) আটক করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তিন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পুলিশের হাতে আটক হন দিল্লির রাজনৈতিক বিক্ষোভে — তারা ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারায়ি বিজয়ন।
- 📌 পাঁচ তৃণমূল কংগ্রেসের এমপি আটক হন — তাদের মধ্যে ছিলেন দলটির প্রবীণ নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোলা সেন।
- 📌 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটকের সময় নীরব প্রতিবাদে অংশ নেন — তিনি মুখের ওপর ব্যান্ডএইড এঁটে সরকারের ‘স্বৈরাচারী আচরণের’ প্রতিবাদ জানান।
- 📌 সৌরভ দাশ ও আশুতোষ রাঙ্কারা নামের দুজনকে আটক করা হয় — তারা অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে দিল্লি বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ থেকে নেমে পুলিশের হাতে পড়েন।
- 📌 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটকের পর পুলিশ বাসের ভেতর থেকে ভিডিও বার্তা দেন — তিনি বলেন, “সরকার আমাদের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করছে”।
- 📌 ‘ইনডিয়া’ জোটের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে — মমতা বলেন, “জনগণের দাবি আদায় ও তাদের কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করতে এই সংগ্রাম রাজপথে অব্যাহত থাকবে”।
📰 বিস্তারিত
দিল্লির সেন্ট্রাল এলাকায় শনিবার সকালে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) বিক্ষোভের আগে পুলিশের হাতে পড়েন ভারতের রাজনীতিতে প্রভাবশালী তিন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারায়ি বিজয়নকে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যায়। এছাড়াও, তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচজন সংসদ সদস্যকে (এমপি) আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন দলটির প্রবীণ নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোলা সেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটকের সময় সাউথ অ্যাভিনিউ এলাকায় যন্তর মন্তরগামী সড়ক বন্ধ থাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে একটি বাস স্ট্যান্ডে বসে পড়েন। তিনি সরকারের ‘স্বৈরাচারী আচরণের’ প্রতিবাদ জানাতে মুখের ওপর ব্যান্ডএইড এঁটে নীরব ও প্রতীকী প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করেন। পরে পুলিশ মমতাসহ পাঁচজন এমপিকে একটি বাসে তুলে নিয়ে যায়।
এই ঘটনার আগে, ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে সিজেপির বিক্ষোভের সময় পুলিশ তাদের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে ও জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকে আটক করেছে। দিল্লি বিমানবন্দরে অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে থাকা সৌরভ দাশ ও আশুতোষ রাঙ্কারা নামের দুজনকে পুলিশ আটক করে।
"সরকার আমাদের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করছে। জনগণের দাবি আদায় ও তাদের কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করতে ‘ইনডিয়া’ জোটের এ সংগ্রাম রাজপথে অব্যাহত থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি (সেন্ট্রাল দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউ এলাকা ও দিল্লি বিমানবন্দর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, পিনারায়ি বিজয়ন, ডেরেক ও’ব্রায়েন, দোলা সেন, অভিজিৎ দীপক, ধ্রুব রাঠী, সৌরভ দাশ, আশুতোষ রাঙ্কারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন আটক (৩ সাবেক মুখ্যমন্ত্রী + ৫ এমপি + ২ সহযোগী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!