📌 কিউবার ডেপুটি ফরেন মিনিস্টার কার্লোস ফার্নান্দেজ দে কোসিও মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপকে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ’ বলে ঘোষণা করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘কিউবায় স্বাধীনতা আসছে’ বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কিউবায় অর্থনৈতিক চাপের ফলে জনগণকে দুর্ভিক্ষ, স্বাস্থ্য সংকট এবং জ্বালানী সংকটে ফেলা হচ্ছে, যা ‘জেনোসাইডের সমতুল্য’।
কিউবা সরকারের ডেপুটি ফরেন মিনিস্টার কার্লোস ফার্নান্দেজ দে কোসিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিউবায় সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ’ বলে ঘোষণা করেছেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘কিউবায় স্বাধীনতা আসছে’ বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিউবায় অর্থনৈতিক চাপের ফলে জনগণকে দুর্ভিক্ষ, স্বাস্থ্য সংকট এবং জ্বালানী সংকটে ফেলা হচ্ছে, যা ‘জেনোসাইডের সমতুল্য’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কিউবার ডেপুটি ফরেন মিনিস্টার কার্লোস ফার্নান্দেজ দে কোসিও মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপকে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ’ বলে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, ‘কিউবা একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবেশী দেশ’।
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউনাইটেড নেশন্স জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে বলেছেন, ‘কিউবায় স্বাধীনতা আসছে’। তার এই বক্তব্য কিউবা প্রতিনিধিদলকে সভাকক্ষ ত্যাগ করতে বাধ্য করেছে।
- 📌 ট্রাম্প সত্যিই বলেছেন, ‘আমি মনে করি আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন হবে না। কিউবা খুব খারাপভাবে ব্যর্থ হচ্ছে’।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কিউবায় ‘ম্যাক্সিমাম ইকোনমিক প্রেসার’ চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে কিউবা ১০ কোটি জনসংখ্যার জন্য খাদ্য, স্বাস্থ্য সেবা এবং জ্বালানী সংকটে পড়েছে।
- 📌 কিউবা সরকার বলেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং জ্বালানী ব্লকেডের কারণে দেশের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা জ্বালানী সংকট এবং নিয়মিত বিদ্যুৎ বন্ধের কারণ হয়েছে।
- 📌 ফার্নান্দেজ দে কোসিও বলেছেন, কিউবা তার নাগরিকদের মার্কিন সামরিক আক্রমণের সম্ভাবনা সম্পর্কে সতর্ক করেছে এবং বলেছেন, যদিও কিউবা একাকী থাকতে পারে, তারা নিজের অধিকার হিসেবে স্ব-রক্ষার অধিকার প্রয়োগ করবে।
- 📌 কিউবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দ্বিপাক্ষিক ডিপ্লোমেটিক চ্যানেল খোলা রেখেছে, কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবিরাম নিষেধাজ্ঞার কারণে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি।
- 📌 কিউবা বলেছে, তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা করতে প্রস্তুত, কিন্তু শর্ত হিসেবে বলেছে যে আলোচনা উভয় পক্ষের জন্য উপকারজনক হতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান জানাতে হবে।
📰 বিস্তারিত
কিউবার ডেপুটি ফরেন মিনিস্টার কার্লোস ফার্নান্দেজ দে কোসিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিউবায় সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ’ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিউবায় অর্থনৈতিক চাপের ফলে জনগণকে দুর্ভিক্ষ, স্বাস্থ্য সংকট এবং জ্বালানী সংকটে ফেলা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কিউবায় অর্থনৈতিক চাপের ফলে জনগণকে দুর্ভিক্ষ, স্বাস্থ্য সংকট এবং জ্বালানী সংকটে ফেলা হচ্ছে, যা ‘জেনোসাইডের সমতুল্য’।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউনাইটেড নেশন্স জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে বলেছেন, ‘কিউবায় স্বাধীনতা আসছে’। তার এই বক্তব্য কিউবা প্রতিনিধিদলকে সভাকক্ষ ত্যাগ করতে বাধ্য করেছে। সোমবার, ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমি মনে করি আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন হবে না। কিউবা খুব খারাপভাবে ব্যর্থ হচ্ছে’।
কিউবা সরকারের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং জ্বালানী ব্লকেডের কারণে দেশের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে কিউবা ১০ কোটি জনসংখ্যার জন্য খাদ্য, স্বাস্থ্য সেবা এবং জ্বালানী সংকটে পড়েছে। ফার্নান্দেজ দে কোসিও বলেছেন, কিউবা তার নাগরিকদের মার্কিন সামরিক আক্রমণের সম্ভাবনা সম্পর্কে সতর্ক করেছে এবং বলেছেন, যদিও কিউবা একাকী থাকতে পারে, তারা নিজের অধিকার হিসেবে স্ব-রক্ষার অধিকার প্রয়োগ করবে।
"আমেরিকা কিউবায় সামরিক বাহিনী ব্যবহার করলে তা হবে একটি ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ’, কারণ কিউবা একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবেশী দেশ।"
"মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৯ মাস ধরে কিউবার জনগণকে দুর্ভিক্ষ, স্বাস্থ্য সংকট এবং জ্বালানী সংকটে ফেলার চেষ্টা করছে, যা জেনোসাইডের সমতুল্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কিউবা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউনাইটেড নেশন্স জেনারেল অ্যাসেম্বলি (নিউ ইয়র্ক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কার্লোস ফার্নান্দেজ দে কোসিও (কিউবার ডেপুটি ফরেন মিনিস্টার), ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ বছর (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপের সময়কাল), ১০ কোটি (কিউবার জনসংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!