📌 আমেরিকার তেল নিষেধাজ্ঞা কিউবার অর্থনীতিকে দমন করলেও দেশটি নিজস্ব সৌরশক্তি ও জ্বালানী উৎসের উপর নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। ১৪৪টি সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে ১৪১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে কিউবা, কিন্তু এখনও ৯% মাত্র শক্তির চাহিদা পূরণ হয় পুনরুত্পাদনযোগ্য উৎস থেকে।
আমেরিকার তেল নিষেধাজ্ঞা কিউবার অর্থনীতিকে দমন করলেও দেশটি পুনরুত্পাদনযোগ্য শক্তির উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। কিউবা সরকারের শক্তি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ভিসেন্তে দে লা ও লেভি বলেছেন, নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটি নিজস্ব জ্বালানী ও পুনরুত্পাদনযোগ্য শক্তির উপর নির্ভর করতে বাধ্য হয়েছে। তিনি বলেছেন, “আমরা নিজস্ব সমাধান খুঁজছি — সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জোয়ারভাটা, জ্বালানী, কিউবান তেল এবং নিজস্ব নলকূপ থেকে উৎপাদিত গ্যাসের উপর নির্ভর করছি।”
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৪৪টি সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র** স্থাপন করে কিউবা **১৪১৮ মেগাওয়াট** বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে, কিন্তু এখনও **৯%** মাত্র শক্তির চাহিদা পূরণ হয় পুনরুত্পাদনযোগ্য উৎস থেকে (২০২৩ সালের তথ্য)।
- 📌 **চীন** কিউবার বৃহত্তম সৌর প্যানেল সরবরাহকারী — নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার পর থেকে সরবরাহ বেড়েছে।
- 📌 **রাশিয়া** একমাত্র দেশ যেটি কিউবায় তেল সরবরাহ করেছে — **একটি তেল ট্যাঙ্কার** মাত্র হাভানায় পৌঁছেছে।
- 📌 **আমেরিকা** কিউবার রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের জন্য তেল সরবরাহ নিষিদ্ধ রেখেছে, কিন্তু বেসরকারি খাতে তেলের সরবরাহ বাড়িয়েছে।
- 📌 **আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা** বলেছে, কিউবার **৪০%** বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় নিজস্ব তেল থেকে।
- 📌 **কিউবা সরকার** দাবি করেছে, **কোনো রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি**ই তেল কেনার জন্য চুক্তি করতে পারেনি।
- 📌 **১০ অক্টোবর**, আমেরিকার সীমান্ত রক্ষী **২.৮ মিলিয়ন ডলার** মূল্যের **৯০ টন বায়োডিজেল** জব্দ করেছে, যা কিউবায় পাঠানো হচ্ছিল।
📰 বিস্তারিত
কিউবা সরকারের শক্তি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ভিসেন্তে দে লা ও লেভি বলেছেন, আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা কিউবাকে নিজস্ব সমাধান খুঁজতে বাধ্য করেছে। তিনি বলেছেন, “আমরা নিজস্ব সম্পদ ব্যবহার করছি — সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জোয়ারভাটা, তেল এবং নিজস্ব নলকূপ থেকে উৎপাদিত গ্যাস।” তবে তিনি স্বীকার করেছেন, নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটি মেডিসিন, পানি এবং জ্বালানীর ঘাটতি ভোগ করছে। তিনি বলেছেন, “আমরা টিকে থাকছি এবং ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি, যদিও আমাদের ইচ্ছে মতো গতিতে নয়। আমরা দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ ঘাটতি ভোগ করি, রান্না ও পরিবহনের জন্য জ্বালানী ঘাটতি রয়েছে। কিন্তু আমরা নিজস্ব সমাধান খুঁজছি এবং আমাদের লোকজন সহায়তা করছে।”
কিউবার নিজস্ব তেল উৎপাদন স্থিতিশীল রয়েছে, কিন্তু তা সম্পূর্ণরূপে বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়। কিউবা সরকারের দাবি, কোনো রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি তেল কেনার জন্য চুক্তি করতে পারেনি। তবে ১০ অক্টোবর, আমেরিকার সীমান্ত রক্ষী **৯০ টন বায়োডিজেল** জব্দ করেছে, যা কিউবায় পাঠানো হচ্ছিল। জব্দকৃত জ্বালানীর মূল্য ছিল **২.৮ মিলিয়ন ডলার**।
আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা বলেছে, কিউবার **৪০%** বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় নিজস্ব তেল থেকে। তবে **৯%** মাত্র শক্তির চাহিদা পূরণ হয় পুনরুত্পাদনযোগ্য উৎস থেকে। কিউবা সরকারের দাবি, নিষেধাজ্ঞা কিউবাকে মানবিক সংকটের মুখে ফেলেছে। কিউবার বৈদেশিক মন্ত্রী ব্রুনো রড্রিগেজ পারিলা ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে বলেছেন, “এটি একটি অদ্ভুত এবং অপ্রতিরোধ্য পদক্ষেপ। একটি সুপারপাওয়ার এককভাবে সব দেশকে তাদের ইচ্ছে অনুযায়ী কোনো দেশকে জ্বালানী রপ্তানি করতে বাধা দেয়।”
"আমরা নিজস্ব সমাধান খুঁজছি — সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জোয়ারভাটা, তেল এবং নিজস্ব নলকূপ থেকে উৎপাদিত গ্যাসের উপর নির্ভর করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কিউবা (হাভানা, সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভিসেন্তে দে লা ও লেভি (শক্তি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী), ব্রুনো রড্রিগেজ পারিলা (বৈদেশিক মন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪৪টি সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র, ১৪১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, ৯% পুনরুত্পাদনযোগ্য শক্তি, ৪০% নিজস্ব তেল থেকে বিদ্যুৎ, ২.৮ মিলিয়ন ডলার জ্বালানী জব্দ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!