📌 কিউবা বলেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলির ভোটে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে দেশগুলোকে হুমকি দিচ্ছে। কিউবা বলেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও ও ইউনাইটেড নেশনসের মার্কিন দূত মাইক ওয়াল্টজ দেশগুলোকে চাপ দিচ্ছেন।
কিউবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে যে, মার্কিন প্রশাসন ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলির ভোটে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে দেশগুলোকে অর্থনৈতিক শুল্ক, ভিসা নিষেধাজ্ঞা এবং অন্যান্য প্রতিবাদমূলক ব্যবস্থা দিয়ে হুমকি দিচ্ছে। প্রতি বছর ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলি একটি অবাধ্য প্রস্তাবের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিউবা বিরোধী অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা (এমবার্গো) বাতিলের জন্য ভোট দেয়, যা ১৯৬০-এর দশকের শুরুতে শুরু হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কিউবা বলেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও ও ইউনাইটেড নেশনসের মার্কিন দূত মাইক ওয়াল্টজ দেশগুলোকে চাপ দিয়ে তাদের ভোট পরিবর্তন করতে বাধ্য করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।
- 📌 কিউবা বলেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুমকি দিচ্ছে যে, যদি কোনো দেশ কিউবা বিরোধী প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেয় না, তাহলে তাদের সহযোগিতা কর্মসূচি বন্ধ করে দেবেন, সরকারি কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের ভিসা নিষিদ্ধ করবেন এবং বিরোধী দলকে সমর্থন করবেন।
- 📌 কিউবা বলেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রচেষ্টা “বহু-দেশীয় Diplomacy পরিচালনার একটি নতুন ও বিপজ্জনক পদ্ধতি”।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, কিউবা সরকারই দেশের অর্থনৈতিক সংকটের জন্য দায়ী, এবং তারা সরকার পরিবর্তনের আহ্বান জানাচ্ছে।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূত মাইক ওয়াল্টজ বলেছেন, কিউবা প্রতিবছর তাদের প্রস্তাবের মাধ্যমে “মিথ্যা প্রচার” করে এবং কিউবা সরকারের শোষণ ও কিউবানদের দুর্দশার জন্য বিচার করে।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের অভিযোগের ভিত্তিতে ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে চাপ দিচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে কিউবান যোদ্ধারা রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করছেন কিন্তু তাদের বেতন কিউবা সরকার পাচ্ছে।
- 📌 ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলি ১৯৯২ সাল থেকে প্রতিবছর কিউবা বিরোধী এমবার্গো বাতিলের প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। এই এমবার্গো ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে।
📰 বিস্তারিত
কিউবা বলেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও ও ইউনাইটেড নেশনসের মার্কিন দূত মাইক ওয়াল্টজ দেশগুলোকে চাপ দিয়ে তাদের ভোট পরিবর্তন করতে বাধ্য করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। কিউবা বলেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রচেষ্টা “বহু-দেশীয় Diplomacy পরিচালনার একটি নতুন ও বিপজ্জনক পদ্ধতি”। কিউবা বলেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রচেষ্টা তাদের “অশক্তির প্রতীক” যা তাদের “ভুল পথে থাকার” কারণে বাধ্য করে তাদেরকে বাধ্য করার চেষ্টা করছে।
কিউবা বলেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুমকি দিচ্ছে যে, যদি কোনো দেশ কিউবা বিরোধী প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেয় না, তাহলে তাদের সহযোগিতা কর্মসূচি বন্ধ করে দেবেন, সরকারি কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের ভিসা নিষিদ্ধ করবেন এবং বিরোধী দলকে সমর্থন করবেন। কিউবা বলেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই হুমকি “বিপজ্জনক” এবং “অন্যায়”।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূত মাইক ওয়াল্টজ বলেছেন, প্রতিবছর কিউবা তাদের প্রস্তাবের মাধ্যমে “মিথ্যা প্রচার” করে এবং কিউবা সরকারের শোষণ ও কিউবানদের দুর্দশার জন্য বিচার করে। তিনি বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনাইটেড নেশনস মিশন কিউবা সরকারের এই মিথ্যা প্রচারকে উন্মোচন করতে চায়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, কিউবা সরকারই দেশের অর্থনৈতিক সংকটের জন্য দায়ী, এবং তারা সরকার পরিবর্তনের আহ্বান জানাচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূত ওয়াল্টজ বলেছেন, কিউবা সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে এবং তারা কিউবানদের দুর্দশা থেকে মুক্তি পেতে সরকার পরিবর্তনের আহ্বান জানাচ্ছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের অভিযোগের ভিত্তিতে ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে চাপ দিচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে কিউবান যোদ্ধারা রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করছেন কিন্তু তাদের বেতন কিউবা সরকার পাচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূত ওয়াল্টজ বলেছেন, “ইউক্রেনের সরকারের এই তথ্য বিবেচনা করে, কীভাবে ইউরোপীয় দেশগুলো এখনও এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিতে পারে, যা কিউবা সরকারের জন্য একটি প্রচারমূলক সরঞ্জাম এবং তাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে সরাসরি প্রভাবিত করছে?”
"এটি বহু-দেশীয় Diplomacy পরিচালনার একটি নতুন ও বিপজ্জনক পদ্ধতি। এটি তাদের অশক্তির প্রতীক, যারা জানেন তারা ভুল পথে আছে এবং তাদের একমাত্র বাকি উপায় হলো বাধ্য করা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলি, নিউ ইয়র্ক সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: কিউবা ফরেন মিনিস্টার ব্রুনো রড্রিগেজ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনাইটেড নেশনস দূত মাইক ওয়াল্টজ, কিউবা ইউনাইটেড নেশনস দূত এর্নেস্তো সোবেরন গুজমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০+ বছর (এমবার্গো চলমান), ২৭ অক্টোবর (ভোটের সম্ভাব্য তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!