📅 ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ অভিযোগে শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত: 'আমাদের নিরাপত্তা কোথায়?'

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ অভিযোগে শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত: 'আমাদের নিরাপত্তা কোথায়?'

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নিউইয়র্কের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৪ সালে ঘটা দলবদ্ধ ধর্ষণ অভিযোগের দুই বছর পর শিক্ষার্থীরা আবারো আন্দোলনে নেমেছে। ভুক্তভোগী ছাত্রী জেন ডোর মামলা ও প্রশাসনের ধীরগতির তদন্তের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে

নিউইয়র্কের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে দুই বছর আগের একটি নৃশংস দলবদ্ধ ধর্ষণ অভিযোগের পুনরাবৃত্তি শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। ২০২৪ সালে একটি ছাত্রসংগঠনের কার্যালয়ে এক শিক্ষার্থীকে মাদক সেবন করিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর এবার শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের নিষ্প্রভ প্রতিক্রিয়া ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ফ্র্যাটার্নিটি হাউসে এক শিক্ষার্থীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ভুক্তভোগী জেন ডো নামের ছাত্রী মামলা দায়ের করেছেন।
  • 📌 ৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে শিক্ষার্থীরা একটি সমাবেশে প্রশাসনের ভূমিকা সমালোচনা করে বলেছেন, ‘আমাদের ক্যাম্পাসে যা ঘটেছে, তা নিয়ে আমরা ভীষণভাবে লজ্জিত’।
  • 📌 ৩০০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী এই ঘটনার বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছে এবং প্রশাসনের ‘বিচারহীনতা’ ও ‘গাফিলতির’ তীব্র সমালোচনা করেছেন।
  • 📌 জেন ডো বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে নিরাপত্তা দিতে এবং অপরাধীদের শাস্তি দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, ‘আমাদের জানার অধিকার রয়েছে’।
  • 📌 সোফিয়া রাইলি সিম বলেছেন, এই ঘটনার কারণে তিনি এক সপ্তাহ ধরে কোনো ক্লাসে উপস্থিত হতে পারেননি এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

📰 বিস্তারিত

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, এই ঘটনা এবং এর ধীরগতির তদন্ত পুরো শিক্ষাঙ্গনের ওপর ‘কালো মেঘের ছায়া’ ফেলেছে। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ছাত্রসংগঠনগুলোর ভেতরের অনিয়ন্ত্রিত সংস্কৃতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

২০২৪ সালের ঘটনার পর থেকে ক্যাম্পাসের পরিবেশ বিষাক্ত হয়ে উঠেছিল। ভুক্তভোগী জেন ডোর বিরুদ্ধে নানা কুরুচিপূর্ণ গুজব ছড়ানো হয়েছিল। এবার শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের ভূমিকা ও কথিত বিচারহীনতাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেছেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এই আইভি লিগ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক গাফিলতির তীব্র সমালোচনা করেছেন।

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে, তারা ‘টাইটেল নাইন’ আইনের অধীন একটি ‘বিস্তৃত অভ্যন্তরীণ তদন্ত’ চালিয়েছে এবং ফেডারেল নাগরিক অধিকার আইন অনুসরণ করেছে। তবে শিক্ষার্থীদের মতে, এই তদন্তের ফলাফল অপর্যাপ্ত এবং অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া হয়নি।

"আমাদের জানার অধিকার রয়েছে, এই প্রতিষ্ঠান নিজের সুখ্যাতি ও সুনাম বাঁচানোর চেয়ে আমাদের নিরাপত্তাকে বেশি মূল্য দেয় কি না।"

— সোফিয়া রাইলি সিম, স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেন ডো (ভুক্তভোগী), সোফিয়া রাইলি সিম (শিক্ষার্থী), কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ (অভিযোগের তারিখ), ৫ অক্টোবর ২০২৬ (আন্দোলনের তারিখ), ৩০০+ (শিক্ষার্থী অংশগ্রহণকারী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖