📌 দিল্লি আদালত যন্তর মন্তরে আর আন্দোলন ডাক না দেওয়ার শর্তে 'ককরোচ জনতা পার্টি'র আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে মুক্তি দিয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি শুক্রবার
দিল্লির বিশেষ আদালত যন্তর মন্তরে আর আন্দোলনের ডাক না দেওয়ার শর্তে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) দুই নেতাকে মুক্তি দিয়েছে। গতকাল বুধবার আদালতের নির্দেশে আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে ৫০ হাজার রুপির ব্যক্তিগত বন্ড জমা দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন। তবে তাদের বিরুদ্ধে চলমান তদন্ত অব্যাহত থাকবে এবং পরবর্তী শুনানি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিল্লি আদালত যন্তর মন্তরে আর আন্দোলনের ডাক না দেওয়ার শর্তে সিজেপির আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে মুক্তি দিয়েছে
- 📌 মুক্তির শর্ত: প্রতিবাদস্থল হিসেবে যন্তর মন্তর পুনরায় স্বীকৃতি না পেলে সেখানে কোনো আন্দোলন ডাকবেন না
- 📌 প্রত্যেক নেতাকে ৫০ হাজার রুপির ব্যক্তিগত বন্ড জমা দিতে হয়েছে, জামিনদারি বন্ডের পরিমাণও সমান
- 📌 দাস ও রাঙ্কা ১৩ অক্টোবর যন্তর মন্তরে ভারতীয় জাতীয় পতাকা ওড়ান দিয়েছিলেন প্রতিবাদ হিসেবে
- 📌 আদালত মন্তব্য: জেন-জি প্রজন্মের এই নেতারা আন্দোলনে সোচ্চার, তাদের কর্মসূচি সহিংসতা সৃষ্টি করতে পারে
📰 বিস্তারিত
দিল্লির বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত গতকাল বুধবার সিজেপির দুই নেতাকে মুক্তি দিয়েছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে চলমান মুচলেকা ভঙ্গের অভিযোগের তদন্ত অব্যাহত থাকবে। আদালতের নির্দেশে, মুক্তির শর্ত হিসেবে দুই নেতাকে প্রত্যেককে ৫০ হাজার রুপির ব্যক্তিগত বন্ড এবং সমপরিমাণ জামিনদারি বন্ড জমা দিতে হয়েছে। এর আগে দিল্লি পুলিশ তাদের আরও তিন দিন বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখার আবেদন করেছিল, যা আদালত বাড়িয়ে দিয়েছিল।
দাস ও রাঙ্কা ১০ অক্টোবর শান্তি বজায় রাখার অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করে মুক্তি পেয়েছিলেন। কিন্তু তিন দিনের মাথায় যন্তর মন্তরে প্রবেশ করে প্রতিবাদ জানানোর ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মুচলেকা ভঙ্গের অভিযোগ ওঠে। ১৪ অক্টোবর আদালতে হাজির হওয়ার পর তাদের প্রথমে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, পরে মেয়াদ আরও দুই দিন বাড়ানো হয়। এই বিরুদ্ধে সিজেপি দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করে।
আদালত শুনানিতে বলেন, প্রতিবাদের সামনের সারিতে থাকা ব্যক্তিরা ব্যারিকেড ভাঙলে অন্যরাও অনুসরণ করতে পারে। আদালত আরও উল্লেখ করেন, দেশের বাইরে ছাত্র আন্দোলন থেকে সহিংসতা সৃষ্টি হয়েছে। সিজেপির দুই নেতার বয়স যথাক্রমে ২৭ ও ৩১ বছর। আদালত মন্তব্য করে, তারা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের নন, যারা আন্দোলনে সোচ্চার।
"সত্যের জয় হয়েছে"
মুক্তির পর সৌরভ দাস বলেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে’। এদিকে, সিজেপি ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছে। তারা অভিযোগ তুলেছেন, তিনি একতরফাভাবে কাজ করছেন এবং ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলগুলোও এই সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ তুলে আসছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ হাজার রুপি (বন্ড), ২৭ ও ৩১ বছর (বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!