📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ককপিটে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় বাঁচে ১৭৪ যাত্রী: উড়োজাহাজে কীভাবে ঘটে মারামারি?

ককপিটে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় বাঁচে ১৭৪ যাত্রী: উড়োজাহাজে কীভাবে ঘটে মারামারি?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী একটি উড়োজাহাজে ককপিটে প্রধান পাইলটকে সহকারী পাইলট ছুরিকাঘাত করে। ঘটনায় আহত পাইলটের রক্তাক্ত অবস্থায় ককপিটে ঢুকে যাত্রী ও ক্রু হামলাকারীকে ধরে ফেলে। উড়োজাহাজ সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করে এবং ১৭৪ যাত্রী নিরাপদে ইসরায়েলে পৌঁছায়

দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে ককপিটে মারামারির ঘটনা বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এই ঘটনায় প্রধান পাইলটকে সহকারী পাইলটের ছুরিকাঘাতের ফলে উড়োজাহাজের ১৭৪ যাত্রী প্রাণে বাঁচেন। ঘটনাস্থল ওমানের আকাশে, যেখানে উড়োজাহাজের ককপিটে দু’পাইলটের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। ঘটনাটি ঘটে স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২১ মিনিটে, যখন উড়োজাহাজ মাঝ আকাশে ছিল। ঘটনার প্রায় ১০ ঘণ্টা পর যাত্রীরা নিরাপদে ইসরায়েলে পৌঁছান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৭৪ যাত্রী প্রাণে বাঁচেন দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী ফ্লাইটে ককপিটে ছুরিকাঘাতের ঘটনায়।
  • 📌 প্রধান পাইলট স্মিথ মছার (ভারতীয়) ও সহকারী পাইলটের (ওমানি নাগরিক) মধ্যে মারামারি শুরু হয়, যেখানে সহকারী পাইলট প্রধান পাইলটকে ছুরিকাঘাত করেন।
  • 📌 ককপিটে ঢুকে যাত্রী ও ক্রু হামলাকারী পাইলটকে হেডফোনের তার ও প্লাস্টিকের জিপ-টাই দিয়ে বেঁধে ফেলে।
  • 📌 উড়োজাহাজ সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করে, যেখানে বাড়তি দুই পাইলট কন্ট্রোল নেন এবং যাত্রীদের নিরাপদে ইসরায়েলে পৌঁছে দেন।
  • 📌 ক্যাপ্টেন ও সহকারী পাইলট উভয়েই আহত হন এবং সৌদি আরবে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

📰 বিস্তারিত

দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইসরায়েলের তেল-আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর গন্তব্যে যাত্রা শুরু করে ফ্লাইট এফজেড১০৭৩। উড়োজাহাজটি মাঝ আকাশে ছিল, যখন স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২১ মিনিটে ওমানের আকাশে ককপিটে মারামারি শুরু হয়। ঘটনায় প্রধান পাইলট স্মিথ মছারকে সহকারী পাইলট ছুরিকাঘাত করেন। প্রধান পাইলটের নাম স্মিথ মছার, তিনি ভারতীয়। সহকারী পাইলটের পরিচয় ওমানি নাগরিক বলে জানা গেছে, তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হয়নি।

হামলাকারী পাইলটকে ছুরিকাঘাতের ফলে প্রধান পাইলটের রক্তাক্ত অবস্থায় ককপিটের দরজা খুলে দিতে সক্ষম হন। এরপর ককপিটে ঢুকে যাত্রী ও ক্রু হামলাকারী পাইলটকে ধরে ফেলেন। এই ঘটনায় ককপিটে উপস্থিত ছিলেন দন্তচিকিৎসক পেশার যাত্রী শোতা মুসায়েভ। তিনি সিএনএনকে বলেন, ককপিটে গিয়ে তাঁরা দেখেন, হামলাকারী পাইলট মেঝেতে পড়ে থাকা প্রধান পাইলটের ওপর বসে তাঁকে ছুরিকাঘাত করছেন। যাত্রী ও ক্রুরা হেডফোনের তার ও প্লাস্টিকের জিপ-টাই দিয়ে হামলাকারীর হাত-পা বেঁধে ফেলেন।

উড়োজাহাজে থাকা বাড়তি দুই পাইলট ককপিটে ঢুকে কন্ট্রোল প্যানেলের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজটির জরুরি অবতরণ করেন। এই দুই পাইলটের ইসরায়েল থেকে ফিরতি ফ্লাইটের দায়িত্ব নেওয়ার কথা ছিল। তারা ইউরোপীয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। উড়োজাহাজে থাকা যাত্রীদের কেবিন থেকে ভিডিও করা হয়, যেখানে ছুরিকাহত পাইলটকে গুরুতর আহত অবস্থায় দেখা যায়।

এই ঘটনায় উড়োজাহাজের প্রধান পাইলট ও সহকারী পাইলট উভয়েই আহত হন এবং সৌদি আরবে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সৌদি আরবের শীর্ষ উড়োজাহাজ চলাচল সংস্থা নিশ্চিত করেছে যে, উভয় পাইলটের অবস্থা গুরুতর।

"ককপিটে গিয়ে দেখলাম, হামলাকারী পাইলট মেঝেতে পড়ে থাকা প্রধান পাইলটের ওপর বসে তাঁকে ছুরিকাঘাত করছেন। আমরা হেডফোনের তার ও জিপ-টাই দিয়ে তাঁর হাত-পা বেঁধে ফেললাম।"

— দন্তচিকিৎসক শোতা মুসায়েভ, সিএনএনকে দেওয়া উদ্ধৃতি

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দুবাই (উডান), ওমান (আকাশে ঘটনা), সৌদি আরব (জরুরি অবতরণ), ইসরায়েল (গন্তব্য)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান পাইলট স্মিথ মছার (ভারতীয়), সহকারী পাইলট (ওমানি), দন্তচিকিৎসক শোতা মুসায়েভ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭৪ যাত্রী, ১০ ঘণ্টা (পৌঁছানোর সময়), ৯টা ২১ মিনিট (ঘটনার সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖