📅 ৭ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মৃত্যুদণ্ডের ইনজেকশন থেকে বেঁচে যান ক্রিস্টা পাইক: ‘জীবিত আছেন, কথা বলছেন’

মৃত্যুদণ্ডের ইনজেকশন থেকে বেঁচে যান ক্রিস্টা পাইক: ‘জীবিত আছেন, কথা বলছেন’

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি রাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টায় বেঁচে যান ৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইক। তার আইনজীবীরা জানান, তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কথা বলছেন এবং জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা এই ঘটনাকে ‘অভূতপূর্ব’ বলে অভিহিত করেছেন

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি রাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টায় বেঁচে যান ৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইক। তার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তিনি হাসপাতালে হাতকড়া পরা অবস্থায় জরুরি চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং জ্ঞান ফিরে পেয়ে কথা বলছেন। গত বুধবার (৭ অক্টোবর) দু’টি ব্যর্থ প্রাণঘাতী ইনজেকশন থেকে বেঁচে যাওয়ার পর তিনি ‘জীবিত আছেন এবং কথা বলছেন’ বলে তাদের বিবৃতি দিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইক** মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টায় বেঁচে যান — যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের ঘটনা প্রথমবারের মতো।
  • 📌 **হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়** তিনি জ্ঞান ফিরে পেয়ে কথা বলছেন, যা আইনজীবীদের ‘চিকিৎসাগতভাবে অভূতপূর্ব’ বলে মন্তব্য করায় প্রেরণা দিয়েছে।
  • 📌 **১৯৯৫ সালে কলিন স্লেমারকে হত্যার** দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাইক, ১৮ বছর বয়সে তার প্রেমিকের সাথে নির্যাতন ও হত্যা করে।
  • 📌 **টেনেসি গভর্নর বিল লি** মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সকল প্রক্রিয়া বন্ধ করে দিয়েছেন এবং রাজ্যের কারা প্রধান পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
  • 📌 **চিকিৎসকদের মতে**, পাইকের শরীরে ইনজেকশনের রাসায়নিক পেন্টোবার্বিটাল ত্বকের নিচে ছড়িয়ে পড়ার কারণে তিনি বেঁচে যান।
  • 📌 **৭ অক্টোবর বুধবার** দু’টি ইনজেকশন দেয়ার পর তিনি বেশ কয়েকদিন অচেতন ছিলেন। এখনও তার সুস্থ হয়ে ওঠার বিষয়টি অনিশ্চিত।

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি রাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টায় বেঁচে যান ক্রিস্টা পাইক। তার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তিনি হাসপাতালে হাতকড়া পরা অবস্থায় জরুরি চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং জ্ঞান ফিরে পেয়ে কথা বলছেন। গত সপ্তাহে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টায় বেঁচে যাওয়ার পর তিনি ‘জীবিত আছেন এবং কথা বলছেন’ বলে তাদের বিবৃতি দিয়েছে। পাইক ১৯৯৫ সালে কলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত। ১৮ বছর বয়সে তিনি তার প্রেমিকের সাথে স্লেমারকে মারধর ও নির্যাতনের পর হত্যা করেছিলেন।

ফোর্ডহ্যাম ল স্কুলের অপরাধবিজ্ঞানী ডেবোরা ডেনো বলেছেন, পাইক যে জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন এবং কথা বলছেন, তাতে তিনি ‘একেবারে হতবাক’। তিনি বলেন, ‘পাইকই একমাত্র ব্যক্তি যাকে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে বিষাক্ত পদার্থ দেয়া হয়েছে। বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাদের যা করা উচিত ছিল, তারা সবই করেছিল, কিন্তু তা কাজ করেনি। এমনটা আগে কখনো ঘটেনি।’

চিকিৎসক দলের উপদেষ্টা অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট ডক্টর জোয়েল জিভোট বলেছেন, প্রাণঘাতী ইনজেকশনের পর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা কম। তিনি আরো বলেন, ‘যাদের প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেয়া হয়, তাদের বেশিভাগই মারা যায়। সত্যি বলতে, ক্রিস্টা ছাড়া প্রায় সবাই-ই মারা গেছে। তাই তার বেঁচে যাওয়াটা ছিল অস্বাভাবিক।’ জিভোটের মতে, পাইকের শরীরে ইনজেকশনের রাসায়নিক পেন্টোবার্বিটাল ত্বকের নিচে ছড়িয়ে পড়ার কারণে তিনি বেঁচে যান। তিনি আরো বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি কোনোভাবেই বলব না যে তার সব বড় ঝুঁকি কেটে গেছে।’

টেনেসি গভর্নর বিল লি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সকল প্রক্রিয়া বন্ধ করে দিয়েছেন এবং রাজ্যের কারা প্রধান পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। পাইকের আইনজীবীদের বুধবার (৭ অক্টোবর) ন্যাশভিলের আদালতে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে। তারা আদালতের বাইরে একটি সংবাদ সম্মেলন করারও পরিকল্পনা করছেন।

"পাইকই একমাত্র ব্যক্তি যাকে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে বিষাক্ত পদার্থ দেয়া হয়েছে। বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাদের যা করা উচিত ছিল, তারা সবই করেছিল, কিন্তু তা কাজ করেনি। এমনটা আগে কখনো ঘটেনি।"
"যাদের প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেয়া হয়, তাদের বেশিভাগই মারা যায়। সত্যি বলতে, ক্রিস্টা ছাড়া প্রায় সবাই-ই মারা গেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টেনেসি, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিস্টা পাইক, ডেবোরা ডেনো, ডক্টর জোয়েল জিভোট, বিল লি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ বছর (পাইকের বয়স), ১৮ বছর (পাইকের বয়স হত্যার সময়), ১৯ বছর (কলিন স্লেমারের বয়স), ৭ অক্টোবর (মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖