📌 যুক্তরাষ্ট্র চীনের কাছে ৬৪টি সাংস্কৃতিক নিদর্শন ও জীবাশ্ম ফেরত দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে প্রাচীন ভাস্কর্য ও ডাইনোসর জীবাশ্ম। এই হস্তান্তর অনুষ্ঠিত হয় সি চিন পিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের পূর্বসূচনা হিসেবে। ১৭ বছরে উভয় দেশের মধ্যে ৭০০টিরও বেশি ঐতিহাসিক সম্পদ ফেরত দেওয়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক সম্পদ ফেরত দেওয়ার একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং-এর বৈঠকের পূর্বসূচনা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র চীনের কাছে ৬৪টি মূল্যবান সাংস্কৃতিক নিদর্শন ও জীবাশ্ম হস্তান্তর করেছে। এই হস্তান্তর অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৪ সেপ্টেম্বর, যা উভয় দেশের মধ্যে ঐতিহ্য রক্ষায় নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র চীনের কাছে ৬৪টি সাংস্কৃতিক নিদর্শন ও জীবাশ্ম ফেরত দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে তিয়ানলংশান গুহা থেকে উদ্ধারকৃত বোধিসত্ত্ব ভাস্কর্য ও ডাইনোসরের জীবাশ্ম
- 📌 ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ৫৮টি নিদর্শন চীনা কর্মকর্তারা গ্রহণ করেন, আর নিউইয়র্কের ম্যানহাটান থেকে বাকি ৬টি পাঠানো হয়
- 📌 ১৭ বছরে উভয় দেশের মধ্যে ৭০০টিরও বেশি সাংস্কৃতিক সম্পদ ফেরত দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ৭৯ বছর ধরে বিদেশে আটকে থাকা জিদানকু সিল্ক ম্যানুস্ক্রিপ্ট
- 📌 ২০০৯ সাল থেকে উভয় দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা অবৈধ পাচার বন্ধে সহযোগিতা বৃদ্ধি করেছে
- 📌 চুক্তি ২০১৪, ২০১৯ ও ২০২৪ সালে মোট ৩ বার নবায়িত হয়েছে, যা আইনি ঝামেলা এড়িয়ে সম্পদ ফেরত পাওয়ার পথ সহজ করেছে
📰 বিস্তারিত
২৪ সেপ্টেম্বর, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের পূর্বসূচনা হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ চীনের কাছে ৫৮টি মূল্যবান সাংস্কৃতিক নিদর্শন ও জীবাশ্ম হস্তান্তর করে। এর মধ্যে রয়েছে তিয়ানলংশান গুহা থেকে উদ্ধারকৃত বোধিসত্ত্ব ভাস্কর্য, প্রাচীন ভাস্কর্য এবং ডাইনোসরের জীবাশ্ম ও ডিমের জীবাশ্ম। এর ঠিক পরের দিন, নিউইয়র্কের ম্যানহাটান ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় থেকে বাকি ৬টি নিদর্শন চীনের কাছে পাঠানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ‘হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনস’-এর তত্ত্বাবধানে এসব নিদর্শন এতদিন সংরক্ষিত ছিল। যুক্তরাষ্ট্রে থাকা চীনা কূটনৈতিক কার্যালয় ও মার্কিন কর্তৃপক্ষের যৌথ প্রচেষ্টায় এসব ঐতিহাসিক সম্পদ চীনে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে ২০০৯ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রথম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা পরবর্তীতে ২০১৪, ২০১৯ ও ২০২৪ সালে মোট ৩ বার নবায়িত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পদ ফেরত দেওয়ার পথ সহজ হয়েছে।
১৭ বছরে উভয় দেশের মধ্যে ৭০০টিরও বেশি সাংস্কৃতিক নিদর্শন ও শিল্পকর্ম ফেরত দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৭৯ বছর ধরে বিদেশে আটকে থাকা জিদানকু সিল্ক ম্যানুস্ক্রিপ্ট। এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে, দুই দেশ পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা রাখলে বড় বড় কাজ করা সম্ভব।
"চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরের পর গত ১৭ বছরে যুক্তরাষ্ট্র ২০টির বেশি ধাপে ৭০০টির বেশি সাংস্কৃতিক নিদর্শন ও শিল্পকর্ম চীনের কাছে ফেরত দিয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন (প্রধান অনুষ্ঠান), নিউইয়র্কের ম্যানহাটান (বাকি নিদর্শন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ, চীনা কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৪টি নিদর্শন, ৫৮টি ওয়াশিংটনে, ৬টি নিউইয়র্কে, ৭০০টি ফেরত দেওয়া, ৭৯ বছর ধরে আটকে থাকা জিদানকু সিল্ক ম্যানুস্ক্রিপ্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!