📌 চীনা সেনারা টহলনীতির বাইরে গিয়ে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করছে বলে ভারতের অভিযোগ। ভারতীয় পুলিশের মহাপরিচালক শত্রুজিৎ কাপুর জানান, অরুণাচল প্রদেশে চীনা বাহিনীর সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা ঘটছে। ভারত সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার জন্য দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে
চীনা সেনারা টহলনীতির বাইরে গিয়ে ভারত-চীন সীমান্তের ‘লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল’ (এলএসি) এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করছে বলে ভারতের অভিযোগ। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে জানান, চীনা বাহিনীর এই অপ্রত্যাশিত তৎপরতা সীমান্ত এলাকায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে। তিনি বলেন, এলএসি সংক্রান্ত অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান ও ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে উভয় দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও সামরিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চীনা সেনারা টহলনীতির বাইরে গিয়ে ভারত-চীন সীমান্তে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে বলে ভারতের অভিযোগ
- 📌 অরুণাচল প্রদেশের একাধিক পয়েন্টে চীনা বাহিনীর সঙ্গে ভারতীয় সেনাদের মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা ঘটেছে
- 📌 আইটিবিপির মহাপরিচালক শত্রুজিৎ কাপুর জানান, সীমান্তে ‘শৌর্য কমান্ডো’ মোতায়েন করা হয়েছে এবং ড্রোন প্লাটুন গঠন করা হয়েছে
- 📌 ২০২০ সালের গালওয়ান সংকটের পর নতুন ‘স্ট্রাইক কোর্স’ প্রস্তুত করা হয়েছে সীমান্ত উত্তেজনা মোকাবিলায়
- 📌 চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক বৈঠকে ‘দ্বৈত-পথের নীতি’র প্রস্তাব করা হয়
📰 বিস্তারিত
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, চীনা সেনারা টহলনীতির বাইরে গিয়ে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। তিনি উল্লেখ করেন, এলএসি এলাকায় মাঝেমধ্যে পরিস্থিতি বিঘ্নিত হয় যখন চীনা বাহিনী তাদের প্রতিষ্ঠিত টহল ব্যবস্থার ব্যত্যয় ঘটায়। এর আগে, ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের (আইটিবিপি) মহাপরিচালক শত্রুজিৎ কাপুর জানান, অরুণাচল প্রদেশের একাধিক পয়েন্টে চীনা বাহিনীর সঙ্গে ভারতীয় সেনাদের মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা ঘটেছে।
কাপুর বলেন, সীমান্তে চলমান উত্তেজনা মোকাবিলায় আইটিবিপি ‘শৌর্য কমান্ডো’ গঠন করেছে এবং সীমান্তের সব ইউনিটের জন্য ড্রোন প্লাটুন গঠন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের পর নতুন একটি ‘স্ট্রাইক কোর্স’ প্রস্তুত করা হয়েছে। এর আগে, হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, গত জুলাই ও আগস্টে অরুণাচল প্রদেশের আপার সুবানসিরি জেলার তাকসিংয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনী ও চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল।
এই সময়ে সীমান্ত উত্তেজনার খবর এলো, যখন উভয় দেশই চার বছর আগের চরম অবনতি হওয়া সম্পর্ক পুনর্গঠনে চেষ্টা করছে। গত ৬-৭ সেপ্টেম্বর সামরিক কমান্ডারদের বৈঠক এবং ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ভারতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে সাত বছর পর নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। বৈঠকে মোদি সীমান্ত চুক্তি মেনে চলার ওপর জোর দিলেও সি চিন পিং ‘দ্বৈত-পথের নীতি’র প্রস্তাব দেন।
"চীনা বাহিনীর টহলনীতির ব্যত্যয় ঘটালে সীমান্ত এলাকায় মাঝেমধ্যে পরিস্থিতি বিঘ্নিত হয়। এলএসি সংক্রান্ত অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান ও ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত-চীন সীমান্ত, অরুণাচল প্রদেশ, এলএসি এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রণধীর জয়সওয়াল (ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র), শত্রুজিৎ কাপুর (আইটিবিপি মহাপরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ অক্টোবর, ২২ অক্টোবর, ৬-৭ সেপ্টেম্বর, ১২-১৩ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!