📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, চীন ও রাশিয়া ইরানকে কোনো ধরনের সহায়তা করছে না। তিনি বলেছেন, তাদের হারানোর ঝুঁকি বেশি বলে তারা এমন কিছু করবে না। তবে বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের সঙ্গে মস্কো-বেইজিংয়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, চীন ও রাশিয়া ইরানকে কোনো ধরনের সহায়তা করছে না। তিনি বলেছেন, যদি তারা সহায়তা করেও থাকে, তা খুবই সীমিত পর্যায়ে। তবে তার মতে, তাদের হারানোর ঝুঁকি অনেক বেশি বলে তারা এমন কিছু করবে না। সোমবার (১২ অক্টোবর) রাতে তিনি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করেছেন এই কথাগুলো।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, চীন ও রাশিয়া ইরানকে সহায়তা করছে না। তিনি বলেছেন, তাদের হারানোর ঝুঁকি বেশি বলে তারা সহায়তা করবে না।
- 📌 ট্রাম্পের মতে, যদি চীন-রাশিয়া ইরানকে সহায়তা করে, তা খুবই সামান্য পর্যায়ে হবে। তবে তিনি বিশ্বাস করেন না, তারা আদৌ সহায়তা করছে।
- 📌 গত জুলাইয়ে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে চীন ও রাশিয়ার জন্য পরিস্থিতি খুব খারাপ হবে।
- 📌 ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাবে। এরপর থেকে লাখ লাখ মানুষ নিহত ও বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
- 📌 ট্রাম্প ইরান যুদ্ধে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ‘নিরপেক্ষ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
- 📌 বিশ্লেষকদের মতে, মস্কো-বেইজিংয়ের সঙ্গে তেহরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তবে ট্রাম্পের দাবির বিপরীতে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে তাদের সহযোগিতার অভিযোগ নিয়ে।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক পোস্টে বলা হয়েছে, তার সমালোচক-বিরোধীরা দাবি করছেন, চীন ও রাশিয়া ইরানকে সহায়তা করছে। তবে তিনি মনে করেন, এমনটা হয়ে থাকলেও তা খুবই সীমিত পর্যায়ে। তিনি বলেছেন, ‘যদি তারা সহায়তা করেও থাকে, তা খুবই সামান্য পর্যায়ে। তবে আমি বিশ্বাস করি না, তারা আদৌ তা করছে। তাদের হারানোর ঝুঁকি অনেক বেশি। আর তারা এমন কিছু করলে আমরা তা জানতে পারবো, খুব দ্রুতই।’
গত জুলাইয়ে, ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরান যুদ্ধের মধ্যে তেহরানকে সহায়তা না করার বিষয়ে চীন ও রাশিয়ার ওপর আস্থা রয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করেছিলেন, দেশ দুটি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে তাদের জন্য পরিস্থিতি খুব খারাপ হবে। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাবে। এরপর থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা এবং লেবাননে ইসরায়েলি অভিযানে হাজারো মানুষ নিহত ও বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মস্কো-বেইজিংয়ের সঙ্গে তেহরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধ পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছে রাশিয়া। অন্যদিকে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে দেশটির সার্বভৌমত্বের প্রকাশ্য লঙ্ঘন হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে চীন।
গত মাসে, ওয়াশিংটন সফরে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের সময় ট্রাম্প ইরানকে সহায়তা না করার বিষয়ে তাকে সতর্ক করেছিলেন। তবে চীনের কাছ থেকে কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পাওয়ার বিষয়ে ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি, চীনের সহায়তায় ইরান তেল বিক্রির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যাওয়ার পথ খুঁজে পেয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
"যদি তারা সহায়তা করেও থাকে, তা খুবই সামান্য পর্যায়ে। তবে আমি বিশ্বাস করি না, তারা আদৌ তা করছে। তাদের হারানোর ঝুঁকি অনেক বেশি। আর তারা এমন কিছু করলে আমরা তা জানতে পারবো, খুব দ্রুতই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, ইরান, ওয়াশিংটন, মস্কো, বেইজিং, তেহরান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, শি জিনপিং, ভ্লাদিমির পুতিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ অক্টোবর, ২৮ ফেব্রুয়ারি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!