📌 চীন ভারতের লাদাখের ২৮টি এলাকাকে নিজ ভূখণ্ড হিসেবে মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে। দিল্লি এই পদক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের স্মৃতিতে নতুন কূটনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে
চীন ভারতের লাদাখ অঞ্চলের অন্তত ২৮টি এলাকাকে নিজ ভূখণ্ড হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে। এই পদক্ষেপের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারতের দিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ভারতের ‘অবিচ্ছেদ্য ও অবিভাজ্য’ অংশ। চীনের এই মানচিত্র পরিবর্তন কোনোভাবেই এই সত্যকে বদলে দিতে পারবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চীন লাদাখের ২৮টি এলাকাকে নিজ ভূখণ্ড হিসেবে মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করেছে, যার মধ্যে রয়েছে গোগরা, হট স্প্রিং, আলিশা গিরি, কারুন পীর ও জোরাওয়ার পিকসহ কৌশলগত পাহাড় ও গিরিপথ
- 📌 চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং দাবি করেছেন, ভারতের ‘লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল’ ঘোষণা চীন কখনোই স্বীকার করবে না, কারণ এসব এলাকা ঐতিহাসিকভাবে চীনের ভূখণ্ড
- 📌 ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চীন সীমান্ত বিষয়ে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে কথা বলার অধিকার নেই
- 📌 ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষে ভারতের ২০ সেনা নিহত হয়েছিলেন, চীনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জানা যায়নি
- 📌 নতুন মানচিত্র প্রকাশের ফলে ভারত-চীন সীমান্তে আবার নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে
📰 বিস্তারিত
চীনের এই পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিভাজ্য অংশ। চীন যতবারই অস্বীকার করুক না কেন, এই সত্য কোনোভাবেই বদলে যাবে না।’ ভারতের দাবি, চীন সীমান্ত বিষয়ে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে কথা বলার অধিকার নেই।
২০২০ সালের জুন মাসে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চীনা সেনাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছিল। ওই সংঘর্ষে ভারতের অন্তত ২০ সেনা নিহত হন। চীনের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে জানা যায়নি, যদিও ভারতের গণমাধ্যমে চীনের চার সেনা নিহত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। সংঘর্ষের পর উভয় দেশ সেনা প্রত্যাহার করে নেয়, কিন্তু সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তে চাপা উত্তেজনা রয়ে গেছে।
চীনের নতুন মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করা এলাকাগুলির মধ্যে রয়েছে গোগরা ও হট স্প্রিং, যা ২০২০ সালের সীমান্ত উত্তেজনার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু ছিল। এছাড়াও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে আলিশা গিরি, কারুন পীর ও জোরাওয়ার পিকসহ কৌশলগত পাহাড়, গিরিপথ ও হিমবাহ। এই পদক্ষেপের ফলে ভারত-চীন সম্পর্কে আবার নতুন করে কূটনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।
"লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ভারতের ‘অবিচ্ছেদ্য ও অবিভাজ্য’ অংশ। চীন যতবারই অস্বীকার করুক না কেন, এই সত্য কোনোভাবেই বদলে যাবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লাদাখ (ভারত), বেইজিং (চীন), দিল্লি (ভারত)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাও নিং (চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮টি এলাকা, ২০ জন ভারতীয় সেনা নিহত (২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!