📅 ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চীনের হাতে বিশ্বের রেয়ার-আর্থ নিয়ন্ত্রণ: কীভাবে হয়ে উঠল অস্ত্র, কেন উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র

চীনের হাতে বিশ্বের রেয়ার-আর্থ নিয়ন্ত্রণ: কীভাবে হয়ে উঠল অস্ত্র, কেন উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চীনের রেয়ার-আর্থ নিয়ন্ত্রণ এখন বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডেং জিয়াওপিংয়ের সেই ঐতিহাসিক উক্তি থেকে শুরু করে আধুনিক প্রযুক্তির অস্ত্র হিসেবে এর ব্যবহারের ইতিহাস বিশ্লেষণ করছে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা

বিশ্ববাজারে চীনের রেয়ার-আর্থ নিয়ন্ত্রণ এখন একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে চীনা নেতা ডেং জিয়াওপিংয়ের সেই বিখ্যাত উক্তি—‘মধ্যপ্রাচ্যে তেল আছে, আর চীনের আছে রেয়ার-আর্থ’—আজও আলোচিত। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই নিয়ন্ত্রণ কোনো পূর্বপরিকল্পিত কৌশলের ফল নয়, বরং অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক নানা স্বার্থের জটিল সংমিশ্রণের ফলাফল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চীনের রেয়ার-আর্থ নিয়ন্ত্রণ বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং বিকল্প উৎস খোঁজার প্রতিযোগিতা তীব্র করেছে
  • 📌 ডেং জিয়াওপিংয়ের সেই ঐতিহাসিক উক্তি ছিল অভ্যন্তরীণ সম্পদ ব্যবস্থাপনার প্রাথমিক পদক্ষেপের অংশ
  • 📌 ২০১০ সালে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন-জাপান উত্তেজনার সময় রেয়ার-আর্থ রপ্তানি সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়
  • 📌 চীনের রেয়ার-আর্থ উৎপাদন ১৯৭৮ সালের তুলনায় ১৯৮৬ সালের মধ্যে ১০ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল
  • 📌 রেয়ার-আর্থ প্রক্রিয়াজাতকরণ অত্যন্ত পরিবেশদূষণকারী হওয়ায় চীন শিথিল তদারকির মাধ্যমে রপ্তানি বৃদ্ধি করেছিল

📰 বিস্তারিত

আধুনিক প্রযুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচিত রেয়ার-আর্থ মৌলগুলির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে উদ্বেগ। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীনের এই নিয়ন্ত্রণ কোনো পূর্বপরিকল্পিত ভূরাজনৈতিক কৌশলের অংশ নয়, বরং অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক প্রয়োজনের ফল। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ডেং জিয়াওপিংয়ের সেই উক্তি ছিল মূলত দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার প্রাথমিক পদক্ষেপের অংশ।

১৯৮০-এর দশকের শুরুতে রসায়নবিদ জু গুয়াংশিয়ান আবিষ্কৃত নতুন প্রক্রিয়াজাতকরণ পদ্ধতি চীনের রেয়ার-আর্থ উৎপাদনকে বৈশ্বিক মানদণ্ডে নিয়ে আসে। তবে সেই সময় থেকেই চীন বুঝতে শুরু করে যে এই সম্পদকে অর্থনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। ১৯৮২ সালে ডেং জিয়াওপিং এবং উপপ্রধানমন্ত্রী ফাং ই-এর নির্দেশে রেয়ার-আর্থ উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে সেই সময়ের মূল লক্ষ্য ছিল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি করা।

পরিবেশদূষণের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও চীন রেয়ার-আর্থ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য শিথিল তদারকির নীতি অনুসরণ করেছিল। ফলে ১৯৮৬ সালের মধ্যে চীনের উৎপাদন ১৯৭৮ সালের তুলনায় ১০ গুণ বৃদ্ধি পায়। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীনের এই নিয়ন্ত্রণ কোনো দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যানের অংশ নয়, বরং অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা নিয়ন্ত্রণ এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা ছিল এর পেছনের কারণ।

"মধ্যপ্রাচ্যে তেল আছে, আর চীনের আছে রেয়ার-আর্থ।" — ডেং জিয়াওপিং

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চীন, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডেং জিয়াওপিং
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: উৎপাদন বৃদ্ধি ১০ গুণ (১৯৭৮ থেকে ১৯৮৬)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖