📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈঠকে ইরানকে চীনের কোনো ধরনের সহায়তা গ্রহণযোগ্য নয় বলে স্পষ্ট বার্তা দেন ট্রাম্প। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডু জানান, এই বিষয়ে বারবার চীনের কাছে বার্তা দেওয়া হচ্ছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের মধ্যে গত বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ইরানকে চীনের যেকোনো ধরনের সহায়তা অগ্রহণযোগ্য বলে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডু সিএনবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, ইরানকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে গোয়েন্দা তথ্য, যন্ত্রাংশ বা সামরিক সরঞ্জাম সহায়তা দেওয়া অগ্রহণযোগ্য। ট্রাম্প গতকাল এই বিষয়ে আবারও স্পষ্ট করে বলেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈঠকে ইরানকে চীনের সহায়তা দেওয়া অগ্রহণযোগ্য বলে বার্তা দেওয়া হয়
- 📌 মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডু জানান, ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য, যন্ত্রাংশ বা সামরিক সরঞ্জাম সহায়তা দেওয়া অগ্রহণযোগ্য
- 📌 বৈঠকে তাইওয়ানের স্বাধীনতা ও ইরান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হয়
- 📌 চীনের সিনহুয়া জানায়, সি চিন পিং যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ১৭ জুনের সমঝোতা স্মারক পুনরায় মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান
- 📌 ট্রাম্প ও সি চিন পিং পারস্পরিক আস্থা গড়ে তুলছেন এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করছেন
📰 বিস্তারিত
চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডু সিএনবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমরা কয়েক সপ্তাহ আগেই ইরানকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো ধরনের সহায়তা অগ্রহণযোগ্য বলে স্পষ্ট করে দিয়েছি। গতকাল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবারও বিষয়টি খুব স্পষ্ট করে বলেছেন। আমরা বারবার চীনের কাছে এই বার্তা দিচ্ছি।’
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বাণিজ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি তাইওয়ানের স্বাধীনতা ও ইরান যুদ্ধ নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন দুই নেতা। ট্রাম্প বলেন, সি চিন পিং-এর সঙ্গে তাঁর ‘দারুণ বৈঠক’ হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংস্থা সিনহুয়া জানায়, সি চিন পিং ট্রাম্পকে বলেন, চীন আশা করে যুক্তরাষ্ট্র ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতার’ বিরোধিতা করবে। তিনি তাইওয়ান প্রশ্নে সতর্কতার সঙ্গে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান। চীনের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার বিষয়ে বেইজিংয়ের অবস্থান ‘স্পষ্ট’ বলে উল্লেখ করেন সি চিন পিং।
ইরান প্রসঙ্গে সিনহুয়া জানায়, সি চিন পিং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে ১৭ জুনের সমঝোতা স্মারকের শর্তে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান। ওই সমঝোতায় যুদ্ধ বন্ধ, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার কথা ছিল। তবে ১৭ জুন সই হওয়া সমঝোতা কয়েক দিনের মধ্যেই ভেস্তে যায়। এরপর পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু হলেও জাতিসংঘের চলতি অধিবেশনের ফাঁকে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।
"আমরা কয়েক সপ্তাহ আগেই তাঁদের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট করেছি যে ইরানকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে গোয়েন্দা তথ্য, যন্ত্রাংশ কিংবা সামরিক সরঞ্জাম—যা–ই হোক না কেন, কোনো ধরনের সহায়তাই গ্রহণযোগ্য নয়। গতকাল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবারও বিষয়টি খুব স্পষ্ট করে বলেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (হোয়াইট হাউস), চীন (বেইজিং)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, সি চিন পিং, ডেভিড পারডু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ জুন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!