📌 চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের একটি আদালত মিয়ানমারে অবস্থিত একটি সাইবার চোরাবালি সংগঠনের নেতৃত্বে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে। এই সংগঠনটি ড্রাগ ট্র্যাফিকিং, জোরপূর্বক বাণিজ্যিক যৌনকর্ম, অনিয়মিত জুয়া ব্যবসা, টেলিকমিউনিকেশন চোরাবালি এবং অন্তত দুইজন চীনা নাগরিকের হত্যার মতো অপরাধে জড়িত ছিল। আদালত জানায়, এই সংগঠনের অপারেশন থেকে ১.৮ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি লাভ হয়েছিল
চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের কুয়ানঝৌ মধ্যম আদালত মিয়ানমারে অবস্থিত একটি সাইবার চোরাবালি সংগঠনের নেতৃত্বে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে। এই সংগঠনটি ‘ওয়েই পরিবার অপরাধ গোষ্ঠী’ নামে পরিচিত এবং তারা মিয়ানমারে ১৪টি বড় আকারের চোরাবালি কেন্দ্র পরিচালনা করত। আদালতের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই গোষ্ঠীর সদস্যরা ড্রাগ ট্র্যাফিকিং, জোরপূর্বক বাণিজ্যিক যৌনকর্ম, অনিয়মিত জুয়া ব্যবসা, টেলিকমিউনিকেশন চোরাবালি এবং অন্তত দুইজন চীনা নাগরিকের হত্যার মতো অপরাধে জড়িত ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুয়ানঝৌ মধ্যম আদালত ‘ওয়েই পরিবার অপরাধ গোষ্ঠী’-এর নেতা ওয়েই হুয়ারেন, চেন দাওয়েই এবং লিয়াও জিংফাংকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে।
- 📌 এই গোষ্ঠীর সদস্যরা ড্রাগ ট্র্যাফিকিং, জোরপূর্বক বাণিজ্যিক যৌনকর্ম, অনিয়মিত জুয়া ব্যবসা, টেলিকমিউনিকেশন চোরাবালি এবং হত্যার মতো অপরাধে জড়িত ছিল।
- 📌 আদালত জানায়, এই গোষ্ঠীর অপারেশন থেকে ১.৮ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি লাভ হয়েছিল।
- 📌 গোষ্ঠীর ৫৫ জন সদস্যকে ৩ বছর ৩ মাস থেকে ২৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
- 📌 চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিটিভি বলেছে, এই গোষ্ঠীটি ‘বড় আকারের’ ১৪টি কেন্দ্র পরিচালনা করত এবং হাজার হাজার চীনা নাগরিককে উচ্চ বেতনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মিয়ানমারে আকৃষ্ট করেছিল।
📰 বিস্তারিত
চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের কুয়ানঝৌ মধ্যম আদালত মিয়ানমারে অবস্থিত একটি সাইবার চোরাবালি সংগঠনের নেতৃত্বে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে। এই সংগঠনটি ‘ওয়েই পরিবার অপরাধ গোষ্ঠী’ নামে পরিচিত এবং তারা মিয়ানমারে ১৪টি বড় আকারের চোরাবালি কেন্দ্র পরিচালনা করত। আদালতের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই গোষ্ঠীর সদস্যরা ড্রাগ ট্র্যাফিকিং, জোরপূর্বক বাণিজ্যিক যৌনকর্ম, অনিয়মিত জুয়া ব্যবসা, টেলিকমিউনিকেশন চোরাবালি এবং অন্তত দুইজন চীনা নাগরিকের হত্যার মতো অপরাধে জড়িত ছিল।
চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিটিভি জানায়, এই গোষ্ঠীটি ‘বড় আকারের’ ১৪টি কেন্দ্র পরিচালনা করত এবং হাজার হাজার চীনা নাগরিককে উচ্চ বেতনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মিয়ানমারে আকৃষ্ট করেছিল। এই সংগঠনের অপারেশন থেকে ১.৮ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি লাভ হয়েছিল।
এই আদালতের সিদ্ধান্ত আসে যখন বেইজিং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ক্রস-বর্ডার স্ক্যাম নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কড়া অভিযান শুরু করেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত স্ক্যাম পার্কগুলো এখন একটি শিল্প-পরিমাণ ব্যবসায়ে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা জুলাই মাসে জানিয়েছিল, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত স্ক্যাম কেন্দ্রগুলোতে ৩০০,০০০ জনেরও বেশি কর্মী কাজ করে এবং তারা পশ্চিমা দেশের, বিশেষত বয়স্কদেরকে অনলাইন স্ক্যামের মাধ্যমে ধোঁকা দেয়।
অনেক ক্ষেত্রে, এই স্ক্যাম কেন্দ্রগুলোতে কাজ করা ব্যক্তিরা বন্দী-সদৃশ অবস্থায় থাকা বাধ্য হয় এবং তাদেরকে জোরপূর্বক কাজ করতে হয়।
"Wei family criminal gang"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুয়ানঝৌ, ফুজিয়ান প্রদেশ, চীন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওয়েই হুয়ারেন, চেন দাওয়েই, লিয়াও জিংফাং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১.৮ বিলিয়ন ডলার (লাভ), ১৪টি কেন্দ্র, ৫৫ জন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!