📌 কানাডার আলবার্টা প্রদেশের ব্যান্ফ ন্যাশনাল পার্কের লেক লুইজে অবস্থিত ফেয়ারমন্ট শাতো লেক লুইজ হলিউডের মেরিলিন মনরো, আলফ্রেড হিচকক ও বলিউডের হৃতিক রোশন-প্রীতি জিনতা সহ বহু সিনেমার সেট হিসেবে পরিচিত। এই ঐতিহাসিক হোটেলের শুরু ছিল ১৮৯০ সালে একটি ছোট শ্যালে থেকে, যা ধীরে ধীরে সিনেমার ইতিহাসের অংশ হয়ে উঠেছে
কানাডার আলবার্টা প্রদেশের ব্যান্ফ ন্যাশনাল পার্কের লেক লুইজে অবস্থিত ফেয়ারমন্ট শাতো লেক লুইজ হলিউডের মেরিলিন মনরো, আলফ্রেড হিচকক ও বলিউডের জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের সেট হিসেবে পরিচিত। এই ঐতিহাসিক হোটেলের শুরু ছিল ১৮৯০ সালে একটি ছোট শ্যালে থেকে, যা ধীরে ধীরে সিনেমার ইতিহাসের অংশ হয়ে উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কানাডার লেক লুইজে অবস্থিত ফেয়ারমন্ট শাতো লেক লুইজকে 'হলিউড নর্থ' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে মেরিলিন মনরো, আলফ্রেড হিচকক, ডগলাস ফেয়ারব্যাংকস ও মেরি পিকফোর্ডের মতো তারকাদের সিনেমার সঙ্গে জড়িত থাকার ইতিহাস রয়েছে।
- 📌 ১৯৫৩ সালে মেরিলিন মনরো ও রবার্ট মিচামের অভিনীত 'রিভার অব নো রিটার্ন' সিনেমার শুটিং হয়েছিল এই অঞ্চলে, যা হলিউডের স্টুডিও ছেড়ে প্রকৃতিতে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্রের মধ্যে একটি।
- 📌 হোটেলটির ইতিহাস শুরু হয়েছিল ১৮৯০ সালে একটি কাঠের শ্যালে থেকে, যা ধীরে ধীরে বাড়তে বাড়তে আজকের বিশাল ফেয়ারমন্ট শাতো লেক লুইজে রূপ নেয়।
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দা জেসন মিলার জানিয়েছেন, এই অঞ্চলে হৃতিক রোশন ও প্রীতি জিনতার জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের শুটিংও হয়েছে।
- 📌 লেক লুইজের চারপাশের প্রকৃতি ও পাহাড়ের দৃশ্য সিনেমার ক্যামেরার জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
📰 বিস্তারিত
ক্যালগারি শহর থেকে প্রায় দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার পথে অবস্থিত লেক লুইজের চারপাশের দৃশ্য দেখে মনে হয়, প্রকৃতি নিজেই সিনেমার সেট তৈরি করেছে। কানাডিয়ান রকিজের পাহাড়, সাদা বরফের চূড়া, স্বচ্ছ পানির লেক এবং ঐতিহাসিক ফেয়ারমন্ট শাতো লেক লুইজের সমন্বয়ে এই অঞ্চলটি সিনেমার মানুষদের জন্য একটি স্বর্গীয় স্থান হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা জেসন মিলার জানিয়েছেন, এই অঞ্চলে হলিউডের বহু কিংবদন্তি তারকাদের স্মৃতি ছড়িয়ে আছে। তিনি বলেছেন, মেরিলিন মনরো থেকে আলফ্রেড হিচকক এবং বলিউডের হৃতিক রোশন-প্রীতি জিনতার জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের শুটিংও এই অঞ্চলে হয়েছে।
ফেয়ারমন্ট শাতো লেক লুইজের অভ্যর্থনাকেন্দ্রে রাখা তথ্যভান্ডার থেকে জানা যায়, এই হোটেলের ইতিহাস শুরু হয়েছিল ১৮৯০ সালে একটি ছোট শ্যালে থেকে। কানাডিয়ান প্যাসিফিক রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক কর্নেলিয়াস ভ্যান হর্ন তখন এখানে একটি একতলা কাঠের শ্যালে তৈরি করেছিলেন। শুরুর বছরগুলিতে অতিথির সংখ্যা ছিল মাত্র ৫০ জন। কিন্তু ধীরে ধীরে এই অঞ্চলটি পর্যটকদের আকর্ষণ কেন্দ্রে পরিণত হয়। ১৯১২ সালের মধ্যে বছরে ৫০ হাজারাধিক পর্যটক এখানে আসতে শুরু করেন। আগুন, পুনর্নির্মাণ এবং সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে ছোট শ্যালেই আজকের বিশাল ফেয়ারমন্ট শাতো লেক লুইজে রূপ নেয়।
১৯৫৩ সালে মেরিলিন মনরো ও রবার্ট মিচামের অভিনীত 'রিভার অব নো রিটার্ন' সিনেমার শুটিং হয়েছিল এই অঞ্চলে। অটো প্রিমিঞ্জার পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি হলিউডের স্টুডিও ছেড়ে প্রকৃতিতে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্রের মধ্যে একটি। এই সিনেমার শুটিংয়ের মাধ্যমে লেক লুইজের প্রকৃতি ও পাহাড়ের দৃশ্য সিনেমার ক্যামেরার জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
"মেরিলিন মনরো থেকে আলফ্রেড হিচকক—হলিউডের বহু কিংবদন্তির স্মৃতি ছড়িয়ে আছে এই অঞ্চলে। বলিউডও পিছিয়ে নেই। হৃতিক রোশন–প্রীতি জিনতার জনপ্রিয় সিনেমার শুটিংয়ের গল্পও বললেন তিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লেক লুইজ, ব্যান্ফ ন্যাশনাল পার্ক, আলবার্টা প্রদেশ, কানাডা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেসন মিলার, মেরিলিন মনরো, আলফ্রেড হিচকক, ডগলাস ফেয়ারব্যাংকস, মেরি পিকফোর্ড, হৃতিক রোশন, প্রীতি জিনতা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ জন (১৮৯০ সালে অতিথি), ৫০ হাজার (১৯১২ সালে পর্যটক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!