📌 কানাডার ভিসা জালিয়াতি চক্রে জড়িত পাঁচজন বাংলাদেশিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ২০৯ জন বাংলাদেশির ভিসা আবেদনে জাল নথিপত্র ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করে অভিযুক্তরা কানাডায় প্রবেশের চেষ্টা করেছিল। রাকিবুল হাসানকে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে
কানাডার ভিসা জালিয়াতি চক্রে জড়িত পাঁচজন বাংলাদেশিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি (সিবিএসএ) জানিয়েছে, এই চক্রে জড়িত পাঁচজন অভিযুক্তের মধ্যে একজন বাংলাদেশে অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে মন্ট্রিয়ালের বাসিন্দা রাসেল মির্জা ও মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, টরন্টোর বাসিন্দা মো. মুদাসসার আলম ভূঁইয়া এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত মো. রাকিবুল হাসান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কানাডার ভিসা জালিয়াতি চক্রে জড়িত পাঁচজন বাংলাদেশিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, তাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশে অবস্থান করছেন এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে
- 📌 ২০৯ জন বাংলাদেশির ভিসা আবেদনে জাল নথিপত্র ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করে অভিযুক্তরা কানাডায় প্রবেশের চেষ্টা করেছিল
- 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে মন্ট্রিয়ালের রাসেল মির্জা ও মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, টরন্টোর মুদাসসার আলম ভূঁইয়া এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত রাকিবুল হাসান
- 📌 ২০২৪ সালের ৩ জুলাই থেকে এই তদন্ত শুরু হয়েছিল এবং ২০২৫ সালের ৩ জুন সিবিএসএ তদন্তকারীরা জালিয়াতির প্রমাণ সংগ্রহের জন্য ৭৯টি ভিসা আবেদন পর্যালোচনা করেছিল
- 📌 অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কানাডার ইমিগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজি প্রটেকশন অ্যাক্টের ১১৭(১), ১১৭(৩), ১২৬, ১২৮(a) ও ১৩১ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
কানাডার কুইবেক প্রদেশের প্ররভ্যালিফিল্ড আদালতে ২২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে এই মামলায় চার অভিযুক্তকে হাজির করা হয়। সিবিএসএ জানায়, ২০২৪ সালের ৩ জুলাই কুইবেকের মেরসিয়ার শহরে একটি আবাসিক ভবনে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদের সঙ্গে যৌথ নিয়ন্ত্রণ ও পরিদর্শন অভিযান চালায় সিবিএসএ। সেখানে বসবাসকারীদের ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের কিছু আলামত পাওয়ায় আগস্ট মাস থেকে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়। তদন্তে দেখা যায়, ২০৯ জন বাংলাদেশি নাগরিকের নামে মোট ২৪৩টি টেম্পোরারি রেসিডেন্ট ভিসা (টিআরভি) বা ভিজিট ভিসার আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল।
সিবিএসএ জানায়, এই চক্রে জড়িত পাঁচজন অভিযুক্তের মধ্যে একজন বাংলাদেশে অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তদন্তের সময় জালিয়াতির প্রমাণ হিসেবে বিপুল পরিমাণ কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস ও নথিপত্র জব্দ করা হয়। সিবিএসএ তদন্তকারীরা বিশেষভাবে ৭৯টি ভিসা আবেদনের ওপর নজর দিয়ে মামলার শক্ত প্রমাণ সংগ্রহ করেন।
সিবিএসএ স্পষ্ট সতর্কবার্তা জারি করে জানিয়েছে, কানাডার ভিসার জন্য কোনো অবস্থাতেই জাল ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভুয়া আমন্ত্রণপত্র বা মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করা যাবে না। এজেন্ট বা কোনো তৃতীয় পক্ষ আবেদন তৈরি করলেও মিথ্যা তথ্যের দায়ে মূল আবেদনকারীর ওপর ৫ বছরের স্থায়ী ব্যানসহ মারাত্মক ইমিগ্রেশন নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।
"কানাডার ভিসার জন্য কোনো অবস্থাতেই জাল ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভুয়া আমন্ত্রণপত্র বা মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করা যাবে না। এজেন্ট বা কোনো তৃতীয় পক্ষ আবেদন তৈরি করলেও মিথ্যা তথ্যের দায়ে মূল আবেদনকারীর ওপর মারাত্মক ইমিগ্রেশন নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কানাডা (কুইবেক প্রদেশ, মন্ট্রিয়াল, টরন্টো, মেরসিয়ার শহর), বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাসেল মির্জা, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মো. মুদাসসার আলম ভূঁইয়া, মো. রাকিবুল হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০৯ জন বাংলাদেশি, ৫ জন অভিযুক্ত, ২৪৩টি ভিসা আবেদন, ৭৯টি ভিসা আবেদন (প্রমাণ হিসেবে), ২২ অক্টোবর ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!