📌 কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে ঘোষণা করেন, কানাডা ৭১ মিলিয়ন ডলার সাহায্য দেবে ফিলিস্তিনের মানুষদের জন্য। ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে ফিলিস্তিন বিষয়ে সক্রিয় পদক্ষেপের দাবি জানায়
ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলির (ইউএনজিএ) সidelines-এ কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ঘোষণা করেছেন, কানাডা ১০০ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার (৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রদান করবে ফিলিস্তিনের মানুষদের জন্য। এই সহায়তা প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো “দুই-রাষ্ট্র সমাধানের সম্ভাবনা বজায় রাখা”। কার্নি বলেছেন, এই অর্থের ৮০ শতাংশ সরাসরি মানবিক সহায়তা হিসেবে ব্যবহার করা হবে, আর বাকি ২০ শতাংশ “শান্তি ও নিরাপত্তা সমর্থন”-এ খরচ হবে, যার মধ্যে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি পুলিশের বহু-বছরের প্রশিক্ষণ প্রকল্পও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কানাডা ৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১০০ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার) সহায়তা ঘোষণা করেছে ফিলিস্তিনের জন্য, যার মধ্যে ৮০ শতাংশ মানবিক সহায়তা এবং ২০ শতাংশ শান্তি ও নিরাপত্তা প্রকল্পে খরচ হবে
- 📌 গাজায় চলমান “অসীম মানবিক দুঃখ” এবং হামাস ও ইরানের প্রক্ষিপ্তদের হাত থেকে ইসরায়েলের “অস্তিত্বের হুমকি” নিয়ে কার্নি সতর্কতা জানান
- 📌 ইসরায়েলের পশ্চিম তীরে ‘ই১’ বসতিগুলোর প্রকল্পের বিরুদ্ধে কার্নি সমালোচনা করেন এবং এই বসতিগুলোতে উৎপাদিত পণ্যের উপর ট্রেড রেস্ট্রিকশন আনতে চান
- 📌 গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কানাডা ইতিমধ্যে ৬০০ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার (৪২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) সহায়তা দিয়েছে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের জন্য
- 📌 ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এম্মানুয়েল মাক্রন ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে বলেন, “গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানো বন্ধ থাকা ‘অপমানজনক’। আমাদের সবার লজ্জা হওয়া উচিত”
- 📌 যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বলেন, দুই-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়ন না করলে “রাজনীতিতে বিশ্বাস হারাবে” এবং এই বিষয়ে কথা বলা হলেও কাজ না করা “বিশ্বাসের ক্ষয়” সৃষ্টি করবে
- 📌 যুক্তরাজ্য ইসরায়েলের পশ্চিম তীরে ‘ই১’ বসতির প্রসারকে “দুই-রাষ্ট্র সমাধান ব্লক করার সচেতন চেষ্টা” বলে ঘোষণা করে এবং এই বসতিগুলোর সাথে ট্রেড ব্যান করবে
📰 বিস্তারিত
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলির সidelines-এ ফিলিস্তিন বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, গাজায় চলমান যুদ্ধের কারণে ফিলিস্তিনি মানুষদের “অসীম মানবিক দুঃখ” ভোগ করতে বাধ্য হচ্ছে। অন্যদিকে, ইসরায়েলের “হামাস এবং ইরানের প্রক্ষিপ্তদের হাত থেকে অস্তিত্বের হুমকি” মোকাবেলা করতে বাধ্য। কার্নি বিশেষভাবে ইসরায়েলের পশ্চিম তীরে ‘ই১’ বসতির প্রকল্পের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেন এবং এই বসতিগুলোর সাথে উৎপাদিত পণ্যের উপর ট্রেড রেস্ট্রিকশন আনতে চান। কানাডা এই ধরনের বসতিগুলোর সাথে ট্রেড ব্যান করার ১২টি দেশের মধ্যে অন্যতম।
ফিলিস্তিনের জন্য এই সহায়তা প্রকল্পের অংশ হিসেবে কার্নি বলেন, “দুই-রাষ্ট্র সমাধানের সম্ভাবনা বজায় রাখা” হলো এই সহায়তার মূল লক্ষ্য। তিনি আরও জানান, এই অর্থের ৮০ শতাংশ সরাসরি মানবিক সহায়তা হিসেবে ব্যবহার করা হবে, আর বাকি ২০ শতাংশ “শান্তি ও নিরাপত্তা সমর্থন” প্রকল্পে খরচ হবে। এর মধ্যে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি পুলিশের প্রশিক্ষণ প্রকল্পও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কানাডা ইতিমধ্যে ৬০০ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার (৪২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) সহায়তা দিয়েছে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের জন্য।
ইউএনজিএ-তে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এম্মানুয়েল মাক্রন ফিলিস্তিন বিষয়ে একটি শক্তিশালী ভাষণ দেন। তিনি বলেন, “যারা বলেন শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, কিন্তু মানবিক সহায়তা পৌঁছানো বন্ধ থাকা ‘অপমানজনক’। আমাদের সবার লজ্জা হওয়া উচিত। কিন্তু গাজায় নিরাপত্তাহীনতা থাকলে আমাদের বিশ্বাস কী মূল্য রাখে?” মাক্রন আরও বলেন, “আমরা নিষ্ক্রিয় থাকলে গাজার মানুষদের জন্য কী করব?”
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে বলেন, দুই-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়ন না করলে “রাজনীতিতে বিশ্বাস হারাবে”। তিনি বলেন, “এই সভায় উপস্থিত অনেক রাজনীতিবিদ এবং বিশ্বব্যাপী অনেক রাজনীতিবিদ দশক ধরে দুই-রাষ্ট্র সমাধান নিয়ে কথা বলেছেন। কিন্তু যদি আমরা কথা দিয়ে কাজ না করি, তাহলে রাজনৈতিক, ডিপ্লোমেটিক এবং আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসের ক্ষয় হবে।” বার্নহাম আরও জানান, যুক্তরাজ্য ইসরায়েলের পশ্চিম তীরে ‘ই১’ বসতির প্রসারকে “দুই-রাষ্ট্র সমাধান ব্লক করার সচেতন চেষ্টা” বলে ঘোষণা করে এবং এই বসতিগুলোর সাথে ট্রেড ব্যান করবে।
"দুই-রাষ্ট্র সমাধানের সম্ভাবনা বজায় রাখা"
"শান্তি ও নিরাপত্তা সমর্থন"
"গাজায় অসীম মানবিক দুঃখ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলি (ইউএনজিএ), নিউ ইয়র্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এম্মানুয়েল মাক্রন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ৮০ শতাংশ, ২০ শতাংশ, ৬০০ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!