📌 কানাডার শ্রমবাজারে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ১ লাখ ১০ হাজার কর্মসংস্থান হারিয়ে অর্থনৈতিক চাপ বেড়েছে। বেকারত্বের হার বেড়ে ৬.৫ শতাংশে পৌঁছেছে। তরুণ ও নতুন অভিবাসীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। কানাডিয়ান ডলারও মার্কিন ডলারের বিপরীতে দর পতন করেছে
কানাডার শ্রমবাজারে টানা দুই মাসের পতনের ফলে দেশটির অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ২০২৬ সালের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে মোট ১ লাখ ১০ হাজার কর্মসংস্থান হারিয়ে গেছে, যার মধ্যে সেপ্টেম্বরে ৬৮ হাজার ৩০০ এবং আগস্টে ৪১ হাজার ৭০০টি চাকরি হারিয়েছে। এই চাকরির পতন তরুণ চাকরিপ্রার্থী ও নতুন অভিবাসীদের জন্য বিশেষভাবে চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কানাডায় গত দুই মাসে ১ লাখ ১০ হাজার কর্মসংস্থান হারিয়ে গেছে — আগস্টে ৪১ হাজার ৭০০টি, সেপ্টেম্বরে ৬৮ হাজার ৩০০টি চাকরি হারিয়েছে
- 📌 বেকারত্বের হার বেড়ে ৬.৫ শতাংশে পৌঁছেছে — আগস্টে ছিল ৬.৪ শতাংশ
- 📌 তরুণদের (১৫-২৪ বছর) কর্মসংস্থান কমেছে ৬৭ হাজার — সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এই বয়সের মানুষ
- 📌 সরকারি খাতে কর্মসংস্থান কমেছে ৭০ হাজার — টানা চার মাসের পতন
- 📌 কানাডিয়ান ডলার মার্কিন ডলারের বিপরীতে ০.৪ শতাংশ পতন — ২০২৫ সালের এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে
📰 বিস্তারিত
কানাডার সরকারি পরিসংখ্যান সংস্থা স্ট্যাটিস্টিকস কানাডা প্রকাশিত শ্রমবাজারের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে বেকারত্বের হার বেড়ে ৬.৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাস ছিল, সেপ্টেম্বরে ৯ হাজার ২০০টি নতুন চাকরি তৈরি হবে, কিন্তু বাস্তবে বিপরীত ঘটেছে। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কানাডায় নিট ৪১ হাজার ২০০টি চাকরি হারিয়েছে, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় বিপরীত।
সরকারি খাতে কর্মসংস্থান কমেছে ৭০ হাজার — টানা চার মাসের পতন। গত এক বছরে এই খাতে কর্মসংস্থান কমেছে ১ লাখ ১৯ হাজার। শিক্ষা খাতে ৩৫ হাজার এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে ২৩ হাজার চাকরি হারিয়েছে। তবে স্বাস্থ্যসেবা খাতে এক মাসে পতন সত্ত্বেও গত বছরের তুলনায় কর্মসংস্থান এখনো বেশি রয়েছে। উৎপাদন খাতে ১২ হাজার ৭০০টি চাকরি হারিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের অনিশ্চয়তা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য চাপ বাড়িয়েছে, যদিও পুরোটা শুল্কের কারণে নয়।
পূর্ণকালীন ও খণ্ডকালীন চাকরিরই পতন হয়েছে — পূর্ণকালীন কমেছে ৩৫ হাজার এবং খণ্ডকালীন কমেছে ৩৩ হাজার। শ্রমবাজারে অংশগ্রহণের হার ০.২ শতাংশ কমে ৬৪.৮ শতাংশে নেমেছে — যা ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বর (কোভিড বাদে) এর পর সর্বনিম্ন। সুদের হার নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তেও প্রভাব পড়েছে। দুর্বল শ্রমবাজারের কারণে অক্টোবর মাসে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কমেছে, যদিও মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উপর নির্ভর করবে।
"কানাডার অর্থনীতিতে তরুণ ও নতুন অভিবাসীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে যাওয়ায় তাদের কর্মজীবন শুরু করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তরুণ চাকরিপ্রার্থী, নতুন অভিবাসী, কর্মসংস্থান বিশ্লেষক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ১০ হাজার (কর্মসংস্থান হারানো), ৬৮ হাজার ৩০০ (সেপ্টেম্বর), ৪১ হাজার ৭০০ (আগস্ট), ৬.৫ শতাংশ (বেকারত্বের হার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!