📌 মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হওয়া কানাডার নতুন শুল্কের আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য, যার মধ্যে পোশাক, পনির, ধাতব যন্ত্রাংশ ও কাঠজাত পণ্য রয়েছে। বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হওয়ায় দুই দেশের ব্যবসা ও পরিবারগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে
মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হওয়া কানাডার নতুন শুল্কের আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যকার বাণিজ্য ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে এবং বাণিজ্য যুদ্ধ আরও তীব্রতর হয়েছে। নতুন শুল্কের আওতায় পড়েছে পোশাক, পনির, ধাতব যন্ত্রাংশ ও কাঠজাত পণ্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হয়েছে কানাডার পাল্টা শুল্ক
- 📌 শুল্কের আওতায় পড়েছে পোশাক, পনির, ধাতব যন্ত্রাংশ ও কাঠজাত পণ্য
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর কানাডা পাল্টা শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়
- 📌 কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘যুদ্ধে’ লিপ্ত
- 📌 ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে বোম্বার্ডিয়ারের আর কোনো বিমান বিক্রি হবে না
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বড় বাণিজ্য-ঘাটতি থাকা দেশগুলোর বিরুদ্ধে নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্য বিরোধ জুলাই মাসে প্রকাশ্যে তীব্র হয়
📰 বিস্তারিত
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর কানাডা পাল্টা শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার কিছু পণ্যে শুল্ক আরোপ করেছিলেন। তবে নতুন শুল্কের অর্থনৈতিক প্রভাব অতটা বেশি নয়, কারণ শুল্কের আওতায় থাকা পণ্যগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মোট বাণিজ্যের ছোট একটি অংশ।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘যুদ্ধে’ লিপ্ত। কানাডার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো শুল্ক আরোপ করলে কানাডাও সমপরিমাণ শুল্ক আরোপ করবে। অন্যদিকে, ট্রাম্প ও তাঁর সহযোগীরা কানাডার অর্থনীতি ও সামরিক সক্ষমতা নিয়ে উপহাস করেছেন।
বোম্বার্ডিয়ারের বিরুদ্ধেও ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন। কানাডার বিমান কোম্পানি বোম্বার্ডিয়ারের বিরুদ্ধে তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে আর কোনো বিমান বিক্রি হবে না। একই সঙ্গে তিনি মার্কিন ভোক্তাদের কানাডার কিছু পণ্য না কেনার আহ্বান জানান। বোম্বার্ডিয়ার বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানশিল্প দেশটির গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাত। ক্যালিফোর্নিয়া ও টেক্সাসে ডানাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানা রয়েছে তাদের। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।
ন্যাশনাল ফরেন ট্রেড কাউন্সিলের বাণিজ্য ও উদ্ভাবনবিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরিচালক ব্র্যাড উড বলেন, পাল্টাপাল্টি শুল্ক কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশের ব্যবসা ও ভোক্তাদের জন্যই ক্ষতিকর। নতুন শুল্ক দুই দেশের বাণিজ্যে আরও বড় বাধা তৈরি করছে।
বিরোধের পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসন আরও কয়েকটি দেশের পণ্যে নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, তারা অতিরিক্ত পণ্য উৎপাদন করছে, যা ‘অতিরিক্ত সক্ষমতা’ নামে পরিচিত। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ওই সব দেশের দীর্ঘস্থায়ী বাণিজ্য-ঘাটতি তৈরি হচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে। নতুন শুল্ক এ সপ্তাহেই কার্যকর হতে পারে।
"কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘যুদ্ধে’ লিপ্ত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্ক কার্নি, ডোনাল্ড ট্রাম্প, ব্র্যাড উড
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বিলিয়ন ডলার, ৩০ দিন, ৫০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!