📌 ব্রাসেলসের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন এলাকায় অর্থনৈতিক কঠোর নীতি বিরোধী প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ জড়িত। পুলিশের সাথে সংঘর্ষে কাঠের টুকরো, গ্লাস বোতল ও রাবার বিন ছুঁড়ে মারা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ৩০ হাজার মানুষ প্রতিবাদে অংশ নেয়, তবে সংগঠকরা বলেছেন ৫০ হাজার। বেলজিয়ামের দুটি বৃহত্তম শ্রমিক সংগঠন এই প্রতিবাদ সংগঠিত করেছে।
বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অর্থনৈতিক কঠোর নীতি বিরোধী প্রতিবাদে শুক্রবার হাজার হাজার মানুষ জড়িত হয়। ব্রাসেলস কেন্দ্রীয় রেলস্টেশনের নিকটে সংগঠিত এই প্রতিবাদে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ হয়। প্রতিবাদকারীরা কাঠের টুকরো, গ্লাস বোতল ও রাবার বিন ছুঁড়ে মারার মাধ্যমে পুলিশের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালায়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রতিবাদে ৩০ হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেছে, তবে সংগঠকরা অনুমান করেছেন যে, প্রকৃত অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ৫০ হাজার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাসেলস কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন থেকে দক্ষিণ ব্রাসেলস রেলস্টেশন পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ "আমাদের জেব থেকে দূরে থাক" ("stay out of our pockets") নারায়ণে প্রতিবাদে অংশ নেয়
- 📌 পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, "অশান্তির জন্য দায়বদ্ধ ব্যক্তিবর্গ প্রতিবাদের আগে ও পরে ঘটনায় জড়িত ছিলেন" এবং তারা মূল প্রতিবাদ সংগঠনের সাথে সম্পর্কিত নয়
- 📌 পুলিশ ও ত্রাণদাতারা আগুন ও ধোঁয়ার কারণে বাতাসে "জ্বলন্ত গন্ধ" অনুভব করেন, যা প্রতিবাদকারীদের দ্বারা জ্বালানো আগুনের কারণে
- 📌 পুলিশ তরঙ্গদণ্ড, ধোঁয়াশা গ্যাস ও লাঠিচার্জ ব্যবহার করে প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়
- 📌 লিয়েজ শহরে এক সপ্তাহ আগে ছাত্রদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষে ২০০ জনেরও বেশি মানুষ গ্রেফতার হয় এবং বেশ কয়েকজন পুলিশ আহত হন
📰 বিস্তারিত
ব্রাসেলস কেন্দ্রীয় রেলস্টেশনের নিকটে সংগঠিত এই প্রতিবাদে বেলজিয়ামের দুটি বৃহত্তম শ্রমিক সংগঠন, ABVV ও Christian ACV, অংশগ্রহণ করে। তারা সরকারের অর্থনৈতিক কঠোর নীতি বিরোধী প্রতিবাদের আহ্বান জানায়। প্রতিবাদকারীরা সরকারের নতুন বাজেট প্রস্তাবের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে, যা ক্রয় ক্ষমতা, মজুরি সূচকীকরণ ব্যবস্থা, মূল্যসূচক কর (ভ্যাট) এবং বার্ষিক কাজের সময়সূচী প্রবর্তনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে।
ব্রাসেলসের প্রতিবাদকারীদের মধ্যে কিছু ছাত্রও ছিলেন, যারা বলেছেন যে তারা ফ্রান্সের স্কুল ছাত্রদের প্রতিবাদ থেকে অনুপ্রাণিত। তারা বলেছেন, তাদের শিক্ষা পরিবেশে তাদের কথা শোনা হয় না। আল জাজীরা প্রতিবেদক রোজি বারচার্ড বলেছেন, "এই প্রতিবাদকারীদের মধ্যে কিছু ছাত্র ছিল যারা বলেছে, তারা ফ্রান্সের স্কুল ছাত্রদের প্রতিবাদ দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছে। তারা তাদের শিক্ষা পরিবেশে তাদের কথা শোনা হয় না।"
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবাদকারীদের মধ্যে কিছু অশান্তি সৃষ্টিকারী ব্যক্তি ছিল যারা পুলিশের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালায়। তারা কাঠের টুকরো, গ্লাস বোতল ও রাবার বিন ছুঁড়ে মারার মাধ্যমে পুলিশের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালায়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই অশান্তি সৃষ্টিকারীদের মূল প্রতিবাদ সংগঠনের সাথে সম্পর্ক নেই। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, "অশান্তির জন্য দায়বদ্ধ ব্যক্তিবর্গ প্রতিবাদের আগে ও পরে ঘটনায় জড়িত ছিলেন এবং তারা মূল প্রতিবাদ সংগঠনের সাথে সম্পর্কিত নয়"।
এই প্রতিবাদের সময় পুলিশ ও ত্রাণদাতারা আগুন ও ধোঁয়ার কারণে বাতাসে "জ্বলন্ত গন্ধ" অনুভব করেন। প্রতিবেদক রোজি বারচার্ড বলেছেন, "পুলিশ ও ত্রাণদাতারা আগুন ও ধোঁয়ার কারণে বাতাসে 'জ্বলন্ত গন্ধ' অনুভব করছেন।" তিনি আরও বলেছেন, "এই ধরনের ঘটনা সন্ধ্যায় আরও খারাপ হতে পারে।"
"পুলিশ ও ত্রাণদাতারা আগুন ও ধোঁয়ার কারণে বাতাসে 'জ্বলন্ত গন্ধ' অনুভব করছেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাসেলস কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন, ব্রাসেলস দক্ষিণ রেলস্টেশন, লিয়েজ শহর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রোজি বারচার্ড (আল জাজীরা প্রতিবেদক), ABVV ও Christian ACV সংগঠক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০,০০০ (প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারী, পুলিশের তথ্য), ৫০,০০০ (প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারী, সংগঠকদের অনুমান), ২০০ (লিয়েজে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!