📌 যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ পশ্চিম ইংল্যান্ডের হুইলফোর্ড এলাকায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটির আশেপাশে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিস্ফোরক-সংক্রান্ত সন্দেহে পুলিশ আটক করেছে কয়েকজন। মার্কিন বাহিনীও ব্যবহার করে এই ঘাঁটি, যা ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল
যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ পশ্চিম ইংল্যান্ডের হুইলফোর্ড এলাকায় মার্কিন সামরিক বাহিনী ব্যবহৃত একটি বিমানঘাঁটির আশেপাশে বাসিন্দাদের জরুরি অবস্থায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিস্ফোরক-সংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে পুলিশ আটক করেছে কয়েকজন ব্যক্তি। ঘটনায় ‘বড় ধরনের জরুরি পরিস্থিতি’ ঘোষণা করা হয়েছে এবং সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ দল যানবাহন পরীক্ষা করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাজ্যের হুইলফোর্ড এলাকায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটির আশেপাশে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ৩০টি জরুরি সেবা যান মোতায়েন করা হয়েছে
- 📌 বিস্ফোরক আইনের অধীনে অপরাধের সন্দেহে পুলিশ আটক করেছে কয়েকজন ব্যক্তি
- 📌 মার্কিন বিমানবাহিনীর ৫০১ তম কমব্যাট সাপোর্ট উইং সতর্ক রয়েছে এবং তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে
- 📌 ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে মার্কিন বাহিনী এই ঘাঁটি ব্যবহার করেছিল, কিন্তু ঘটনাটি ইরানের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত বলে জানানো হয়নি
📰 বিস্তারিত
গ্লুচেস্টারশায়ার পুলিশ জানিয়েছে, হুইলফোর্ড এলাকায় অবস্থিত আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি মার্কিন সামরিক বাহিনীও ব্যবহার করে। এই ঘাঁটি ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে মার্কিন বাহিনী দ্বারা ব্যবহৃত হয়েছিল। ঘটনাস্থলে পুলিশ ঘাঁটির প্রধান প্রবেশপথ বন্ধ করে দিয়েছে এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা সরঞ্জাম স্থাপন করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করার প্রচেষ্টা চলছে। তবে বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে কি না বা ঘটনাটি ঘাঁটির সাথে সম্পর্কিত কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়।
মার্কিন বিমানবাহিনী জানিয়েছে, তারা ঘটনাটি নিয়ে অবগত হলেও কোনো নির্দিষ্ট মন্তব্য দিতে চায়নি। তবে মার্কিন বিমানবাহিনীর ৫০১ তম কমব্যাট সাপোর্ট উইং এবং অন্যান্য ইউনিট সতর্ক রয়েছে। তারা নিশ্চিত করেছে যে, সামরিক সদস্য ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনার সাথে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এর পূর্বে দেওয়া সতর্কবার্তার কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। আইআরজিসি জুলাইয়ে ঘোষণা করেছিল যে, ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর ঘাঁটিগুলোকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে এই ঘটনায় ইরানের কোনো সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
"ঘটনাটি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করার প্রচেষ্টা চলছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হুইলফোর্ড, দক্ষিণ পশ্চিম ইংল্যান্ড, যুক্তরাজ্য
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গ্লুচেস্টারশায়ার পুলিশ, মার্কিন বিমানবাহিনী, বাসিন্দারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০টি জরুরি সেবা যান, ৫০১ তম কমব্যাট সাপোর্ট উইং
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!