📌 ব্রিটেন সৌদি আরবকে হুথি হামলা থেকে রক্ষা করার জন্য টাইফুন জেটসহ সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে। এই সহায়তা ১৯১৫ সালের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চুক্তি থেকে শুরু করে এক শতাব্দী পুরনো ব্রিটেন-সৌদি সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায়
ব্রিটেন সৌদি আরবকে হুথি হামলা থেকে রক্ষা করার জন্য টাইফুন জেটসহ সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে, এই টাইফুন জেটসের ভূমিকা হবে প্রতিরক্ষামূলক। তারা বলেছে, এই জেটস হুথি গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে কোনো আক্রমণ পরিচালনা করবে না। এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে হুথি ও সৌদি-পৃষ্ঠতক যেমেন সরকারের মধ্যে চলমান সংঘাতের সময়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রিটেন সৌদি আরবকে হুথি হামলা থেকে রক্ষা করার জন্য টাইফুন জেটসহ সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে এ৪০০এম পরিবহন বিমান ও উপদেষ্টা কর্মকর্তা।
- 📌 ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে, এই জেটসের ভূমিকা হবে শুধুমাত্র প্রতিরক্ষামূলক — হুথি গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে কোনো আক্রমণ পরিচালনা করা হবে না।
- 📌 ব্রিটেন-সৌদি সম্পর্কের ইতিহাস ১৯১৫ সালের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চুক্তি থেকে শুরু, যখন ব্রিটেনের সিনিয়র কর্মকর্তা স্যার পের্সি কক্স সৌদি আরবের তৎকালীন শাসক আবদুল আজিজ ইবন সৌদের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
- 📌 ১৯৬৬ সালে ব্রিটেন সৌদি আরবকে ৪০টি লাইটনিং জেট ও ২৫টি জেট প্রশিক্ষক বিমান সরবরাহ করেছিল।
- 📌 ১৯৮৫ সালে ব্রিটেন ও সৌদি আরবের মধ্যে ‘অয়েল ফর আর্মস’ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা ব্রিটিশ সামরিক সরবরাহের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়।
📰 বিস্তারিত
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (মোড) ঘোষণা করেছে, তারা সৌদি আরবকে হুথি হামলা থেকে রক্ষা করার জন্য টাইফুন জেটসহ সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে। এই সহায়তায় রয়েছে এ৪০০এম পরিবহন বিমান, উপদেষ্টা কর্মকর্তা এবং এয়ার-টু-এয়ার রিফিউয়েলিং সেবা। মোডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই জেটসের ভূমিকা হবে শুধুমাত্র প্রতিরক্ষামূলক — তারা হুথি গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে কোনো আক্রমণ পরিচালনা করবে না।
হুথি গোষ্ঠী, যারা ইরানের পৃষ্ঠপোষকতা পায়, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে। এই হামলায় সৌদি আরবের তেল সংস্থা ও রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দরও লক্ষ্য হয়েছে। অন্যদিকে, সৌদি নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী যেমেনের সরকারকে সমর্থন করে হুথির অবস্থান আক্রমণ করছে।
ব্রিটেন-সৌদি সম্পর্কের ইতিহাস ১৯১৫ সালের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চুক্তি থেকে শুরু। স্যার পের্সি কক্স, তৎকালীন ব্রিটিশ কর্মকর্তা, সৌদি আরবের তৎকালীন শাসক আবদুল আজিজ ইবন সৌদের সাথে ডারিন চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তিতে ব্রিটেন আবদুল আজিজকে অটোমান সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দেয় এবং অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহ করে। ১৯২৭ সালে আবদুল আজিজ ইবন সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা হন।
১৯৬৬ সালে ব্রিটেন সৌদি আরবকে ৪০টি লাইটনিং জেট ও ২৫টি জেট প্রশিক্ষক বিমান সরবরাহ করে। এই সময়ে যেমেনের রাজনৈতিক পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ১৯৬২ সালে যেমেনের মুতাওয়াক্কিলি রাজতন্ত্রের পতন ঘটে এবং যেমেন আরব প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। মিশর প্রজাতন্ত্র সরকারকে সমর্থন দেয়, আর সৌদি আরব ও জর্ডান রাজতন্ত্রপন্থী বাহিনীকে অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহ করে। ১৯৬৬ সালে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্রিন্স সুলতান ব্রিটেনকে অনুরোধ করেন, যদি যেমেনে যুদ্ধ পুনরায় শুরু হয়, তাহলে ব্রিটিশ বিমান বাহিনীর একটি ফাইটার স্কোয়াড্রন সৌদি ব্যানারে উড়ানোর জন্য। ব্রিটেনের প্রস্তাব ছিল, তারা ব্রিটিশ পাইলটের মাধ্যমে ফাইটার জেট সরবরাহ করবে।
"defensive role"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৌদি আরব, ব্রিটেন, যেমেন
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: স্যার পের্সি কক্স, আবদুল আজিজ ইবন সৌদ, প্রিন্স সুলতান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০টি লাইটনিং জেট, ২৫টি জেট প্রশিক্ষক বিমান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!