📌 ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়া সত্ত্বেও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আয়োজিত নৈশভোজে উপস্থিত হননি। সময়ের পার্থক্য ও দীর্ঘ কর্মসূচির কারণে ক্লান্ত থাকায় তিনি অংশগ্রহণ করেননি। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ অন্যান্য নেতারা নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন
ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়া সত্ত্বেও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আয়োজিত নৈশভোজে উপস্থিত হননি। সময়ের পার্থক্য ও দীর্ঘ কর্মসূচির কারণে ক্লান্ত থাকায় তিনি অংশগ্রহণ করেননি। এই তথ্য জানিয়েছেন অবগত ব্যক্তিরা, যারা ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে এই তথ্য সরবরাহ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ও আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ ব্রিকস সম্মেলনের নৈশভোজে অংশ নেননি — সময়ের পার্থক্য ও ক্লান্তির কারণে
- 📌 রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ ব্রিকস জোটের অন্যান্য নেতারা নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন
- 📌 নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ, নির্মলা সীতারামন, পীযূষ গোয়েল, অশ্বিনী বৈষ্ণব ও শিবরাজ সিং চৌহান
- 📌 লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও উপস্থিত ছিলেন
- 📌 ভারত-চীন দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও সি চিনপিং বলেছেন, ‘পার্থক্য যেন বিরোধে পরিণত না হয়’
📰 বিস্তারিত
গতকাল শনিবার রাতের নৈশভোজে ব্রিকস জোটের নেতাদের মধ্যে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ও আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ অংশ নেননি। অবগত ব্যক্তিরা জানান, সময়ের পার্থক্য ও দীর্ঘ কর্মসূচির কারণে সি চিনপিং ক্লান্ত ও অবসন্ন ছিলেন। সি চিনপিং শনিবার দুপুরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছান এবং ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেন। এরপর তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
দীর্ঘ বিমানযাত্রার পরও সি চিনপিং বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন। তবে নৈশভোজে উপস্থিত হননি। অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ ব্রিকস জোটের অন্যান্য নেতারা নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন। নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী অমিত শাহ, নির্মলা সীতারামন, পীযূষ গোয়েল, অশ্বিনী বৈষ্ণব ও শিবরাজ সিং চৌহান। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও উপস্থিত ছিলেন।
কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীরা সংসদ ভবন থেকে দুটি বাসে করে নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে নৈশভোজের জন্য যান। গতকাল প্রধানমন্ত্রী মোদি ও সি চিনপিং ভারত-চীন সম্পর্কের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময় করেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (এমইএ) এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই নেতা জোর দিয়ে বলেছেন, ‘পার্থক্য যেন বিরোধে পরিণত না হয়’। তারা পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, উভয় দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কৌশলগত ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা উচিত।
"পার্থক্য যেন বিরোধে পরিণত না হয়। উভয় দেশের উচিত নিজেদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কৌশলগত ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা। পারস্পরিক সম্মান, সংবেদনশীলতা ও স্বার্থের উপর পরিচালিত হতে হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নয়াদিল্লি, ভারত মণ্ডপম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ সদস্য দেশের নেতা, ১০টি অংশীদার দেশের নেতা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!