📌 ভারতে নির্বাচন কমিশনের প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। তারা দাবি, কংগ্রেস বাংলাদেশ ও নেপালের মতো অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি ও লাথি মারার ঘটনা উল্লেখ করে বিজেপির মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারি এই অভিযোগ করেছেন
ভারতে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ও নেপালের মতো ‘অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা’ করার অভিযোগ তুলেছে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। দলটির অভিযোগ, ক্ষমতায় ফিরে আসার লক্ষ্যে কংগ্রেস রাস্তায় বিক্ষোভের মাধ্যমে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। বিজেপির মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারি ৮ অক্টোবর এক ভিডিও বার্তায় এই দাবি করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিজেপি দাবি: কংগ্রেসের কর্মীরা পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি ও লাথি মারার চেষ্টা করেছে
- 📌 রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কংগ্রেস নেতাদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে দলটি
- 📌 বিজেপি অভিযোগ: রাহুল গান্ধী আন্তর্জাতিক শক্তির সহায়তায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় চাপ সৃষ্টি করতে চাইছেন
- 📌 নির্বাচন কমিশনের প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ৭ অক্টোবর দিল্লিতে বিক্ষোভ হয়েছিল
- 📌 ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ পড়ার বিষয়টি কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে উঠেছে
📰 বিস্তারিত
বিজেপির মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারি ৭ অক্টোবরের বিক্ষোভের কিছু ভিডিও দেখিয়ে দাবি করেছেন, লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র এবং কংগ্রেসের কর্মীরা দিল্লিতে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করেছেন। তিনি বলেছেন, এসব ঘটনা কংগ্রেসের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে। ভান্ডারি দাবি করেন, কংগ্রেসের কৌশল হলো ভারতে বাংলাদেশ ও নেপালের মতো অস্থিরতা ছড়িয়ে দেওয়া। বিক্ষোভের ভিডিওতে কংগ্রেসের কর্মীদের পুলিশ সদস্যদের ধাক্কা দেওয়া এবং লাথি মারার চেষ্টা করতে দেখা গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
এছাড়া, ভান্ডারি দাবি করেছেন, রাহুল গান্ধীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক শক্তিগুলো কাজ করছে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টিতে। তিনি বলেছেন, বিষয়টি ইতিমধ্যে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। তাই রাস্তায় বিক্ষোভ করে আদালতের কার্যক্রমে কোনো প্রভাব ফেলা যাবে না। তবে তিনি অভিযোগ করেছেন, বিক্ষোভের মাধ্যমে রাহুল গান্ধী বিচারিক প্রক্রিয়ায় চাপ সৃষ্টি করতে চাইছেন।
বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছে ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রম। বিশেষ নিবিড় সংশোধন নামে এই কার্যক্রমে দেশজুড়ে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি রাজনৈতিকভাবে সুবিধা পাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ভোটার তালিকা থেকে ভুয়া, দ্বৈত ও অযোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়াই এই কার্যক্রমের উদ্দেশ্য।
গত বুধবার (৭ অক্টোবর) দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেন রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র নেতারা। পরে পুলিশ তাদের আটক করে এবং সন্ধ্যায় ছেড়ে দেয়। বিক্ষোভে পুলিশের পদক্ষেপের সমালোচনা করে কংগ্রেস বলেছে, তাদের নেতাদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ করা হয়েছে। তবে দিল্লি পুলিশ এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
"কংগ্রেসের কৌশল হলো ভারতে বাংলাদেশ ও নেপালের মতো নৈরাজ্য ছড়িয়ে দেওয়া। বিক্ষোভের মাধ্যমে রাহুল গান্ধী বিচারিক প্রক্রিয়ায় চাপ সৃষ্টি করতে চাইছেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রদীপ ভান্ডারি, রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, জ্ঞানেশ কুমার, নরেন্দ্র মোদি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ কোটি (ভোটার), ৭ অক্টোবর, ৮ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!