📌 বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের লক্ষ্যে কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান উপদেষ্টা রেহান আসাদ ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গ চুক্তিতে সই করেছেন। ১৯৮১ সাল থেকে চলমান এই সহযোগিতার ধারাবাহিকতা হিসেবে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। কৌশলগত বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা উভয় দেশের মধ্যে প্রযুক্তিগত বিনিময় ও বৈজ্ঞানিক সহযোগিতাকে আরো গতিশীল করবে। প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ বাংলাদেশের পক্ষে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গ যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৮১ সাল থেকে চলমান সহযোগিতার ধারাবাহিকতা হিসেবে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে শুরু হয়েছিল।
- 📌 চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রেহান আসাদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জ্যাকব হেলবার্গ অংশগ্রহণ করেছেন।
- 📌 চুক্তির লক্ষ্য হলো ঢাকা ও ওয়াশিংটন মধ্যে প্রযুক্তিগত বিনিময়, পারমাণবিক নিরাপত্তা ও বেসামরিক জ্বালানি খাতে বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
- 📌 চুক্তিটি বেসামরিক পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অর্থনীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গের হাতে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্র থেকে জানা যায়, এই চুক্তি ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে শুরু হওয়া পারমাণবিক সহযোগিতা উদ্যোগের ধারাবাহিকতা হিসেবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রযুক্তিগত বিনিময়, পারমাণবিক নিরাপত্তা এবং বেসামরিক জ্বালানি খাতে বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। এই চুক্তি শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে উভয় দেশের মধ্যে আরো ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার পথ খুলবে।
"চুক্তিটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রযুক্তিগত বিনিময় ও বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (বাংলাদেশ) ও ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেহান আসাদ (বাংলাদেশ), জ্যাকব হেলবার্গ (যুক্তরাষ্ট্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৮১ (সহযোগিতার শুরু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!