📌 জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার মহামারি মোকাবিলায় স্বনির্ভর ও টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মহামারি প্রস্তুতি মানবনিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত
জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের অংশ হিসেবে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত মহামারি প্রতিরোধ ও প্রস্তুতি বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার শক্তিশালী ও স্বনির্ভর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। সভায় তিনি মহামারি প্রস্তুতিকে শুধু জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার ব্যয় হিসেবে দেখার পরিবর্তে মানবনিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮১তম জাতিসংঘ অধিবেশনে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত মহামারি প্রতিরোধ সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বক্তব্য দেন।
- 📌 মহামারি প্রস্তুতি মানবনিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত, বলেন তিনি।
- 📌 স্বাস্থ্যব্যবস্থা মজবুত করার জন্য সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা, বেসরকারি খাত ও গবেষকদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অপরিহার্য।
- 📌 বাংলাদেশের জাতীয় স্বাস্থ্য অগ্রাধিকার হিসেবে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার জোরালোভাবে উল্লেখ করেন ড. হায়দার।
- 📌 বৈশ্বিক মহামারি প্রতিরোধে সমতা ও সংহতির ভিত্তিতে একটি কাঠামো গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ জাতিসংঘ ও অন্যান্য সদস্যরাষ্ট্রের সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রস্তুতি প্রকাশ করেন।
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, মহামারি প্রস্তুতির জন্য সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, বহুপাক্ষিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত, শিক্ষাবিদ, গবেষক ও কমিউনিটি সমন্বয় অপরিহার্য। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় স্বাস্থ্য অগ্রাধিকার হিসেবে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও প্রতিরোধমূলক সেবা শক্তিশালীকরণ, স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন, রোগ নজরদারি ও ল্যাবরেটরি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য জনবল শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন।
ড. হায়দার আরও বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারে বাংলাদেশ সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক মহামারি প্রতিরোধে সমতা, সংহতি ও অভিন্ন দায়িত্বের ভিত্তিতে একটি কাঠামো গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ জাতিসংঘ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও অন্যান্য সদস্যরাষ্ট্রের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে প্রস্তুত।
সভাটি ‘সমতা ও সংহতির নীতির ভিত্তিতে মহামারি ও জনস্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতি প্রতিরোধ, প্রস্তুতি ও মোকাবিলায় বহুপাক্ষিক ও আন্তঃপ্রজন্মভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি জোরদার করার’ প্রতিপাদ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্যের সমাপনীতে ড. হায়দার বলেন, পরবর্তী মহামারি থেকে কোনো দেশই এককভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারবে না। তিনি বলেন, প্রতিটি দেশের নিজস্ব স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বিনিয়োগের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে।
"মহামারি প্রস্তুতিকে শুধু জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার ব্যয় হিসেবে না দেখে মানবনিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনার ওপর গুরুত্বারোপ করা উচিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, জাতিসংঘ সদর দপ্তর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার (প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১ (জাতিসংঘের অধিবেশনের সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!