📌 বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুক্তরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সাংসদীয় সহযোগিতা জোরদার করার আহ্বান জানান। ব্রিটিশ এমপি আফসানা বেগমের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলকে বঙ্গভবনে স্বাগত জানিয়ে তিনি যুক্তরাজ্যকে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুক্তরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সাংসদীয় সহযোগিতা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ঢাকার বঙ্গভবনে বাংলাদেশবিষয়ক যুক্তরাজ্যের অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে জোরদার করার আহ্বান জানান।
- 📌 ব্রিটিশ এমপি আফসানা বেগম নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন শওকত আদম এমপি ও লর্ড কুরবান হোসাইন।
- 📌 রাষ্ট্রপতি বলেন, ২০২৬ সালের অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দেশে-বিদেশে সর্বত্র গ্রহণযোগ্য হয়েছে।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানগুলোর মতো বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করতে কাজ করছেন।
- 📌 বঙ্গভবনে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে বাংলাদেশ পার্লামেন্টের মডেল হিসেবে উল্লেখ করেন।
📰 বিস্তারিত
বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুক্তরাজ্যের সাংসদীয় সহযোগিতা জোরদার করার জন্য পাঁচটি প্রধান বিষয় তুলে ধরেন। প্রথমত, তিনি যুক্তরাজ্যকে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রপ্তানি বাজার হিসেবে উল্লেখ করেন। দ্বিতীয়ত, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সুদীর্ঘ গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য ও সুশাসন প্রশংসা করে তিনি দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সফর, সাংসদীয় কমিটিগুলোর মধ্যে বিনিময় এবং কর্মকর্তা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান। তৃতীয়ত, তিনি বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সাংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠনের আশা প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকালে আফসানা বেগম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে রাষ্ট্রপতির অবদান প্রশংসা করেন। রাষ্ট্রপতি প্রতিনিধিদলকে বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্যদের অবদান বাংলাদেশের মানুষ মনে রাখবে।
ব্রিটিশ প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ায় রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচন দেশে ও বিদেশে সর্বত্র গ্রহণযোগ্য হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানগুলোর মতো বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করতে কাজ করছেন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে তিনি বাংলাদেশ পার্লামেন্টের মডেল হিসেবে বিবেচনা করেন।
"যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে ঢাকা অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। যুক্তরাজ্যকে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন অংশীদার এবং অন্যতম বৃহৎ রপ্তানি বাজার হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সুদীর্ঘ গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য ও সুশাসনের প্রশংসা করে তিনি দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সফর, সাংসদীয় কমিটিগুলোর মধ্যে বিনিময় এবং কর্মকর্তা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাংসদীয় সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বঙ্গভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আফসানা বেগম, শওকত আদম এমপি, লর্ড কুরবান হোসাইন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ অক্টোবর, ০৬:৩২ পিএম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!