📅 ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মন্ত্রিসভা অনুমোদন: বাংলাদেশ রটারড্যাম কনভেনশনে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হবে বিপজ্জনক কেমিক্যাল ব্যবস্থাপনার বৈশ্বিক চুক্তিতে

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
মন্ত্রিসভা অনুমোদন: বাংলাদেশ রটারড্যাম কনভেনশনে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হবে বিপজ্জনক কেমিক্যাল ব্যবস্থাপনার বৈশ্বিক চুক্তিতে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মন্ত্রিসভা রটারড্যাম কনভেনশনে অনুস্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদন করে। এই চুক্তি অনুস্বাক্ষর করে বাংলাদেশ বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক সহায়তা ও সুবিধা পাবে। সার্কের মধ্যে বাংলাদেশ ও ভুটান একমাত্র দেশ যারা এখনো অনুস্বাক্ষর করেনি

মন্ত্রিসভা রটারড্যাম কনভেনশনে অনুস্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদন করে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিপজ্জনক কেমিক্যাল ও কীটনাশকের ঝুঁকিপূর্ণ প্রবেশ রোধ এবং যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে এই বৈশ্বিক চুক্তিতে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হবে। আজ রোববার বিকেলে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২৫তম বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৫তম মন্ত্রিসভার বৈঠকে রটারড্যাম কনভেনশনে অনুস্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
  • 📌 বিশ্বের ১৬৭টি দেশ ইতিমধ্যে এই চুক্তির সদস্য — সার্কের মধ্যে বাংলাদেশ ও ভুটান একমাত্র অদলবদলকারী দেশ।
  • 📌 বিপজ্জনক কেমিক্যালের ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক টেকসই অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পাবে।
  • 📌 অ্যানেক্স ৩ তালিকার রাসায়নিক আমদানি-রপ্তানিতে বাংলাদেশ নিজস্ব সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
  • 📌 ১৯৯৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর গৃহীত এই চুক্তি ২০০৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়।

📰 বিস্তারিত

রটারড্যাম কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মারাত্মক ক্ষতিকর ও নিষিদ্ধ রাসায়নিক দ্রব্যাদি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত একটি বৈশ্বিক চুক্তি। এই চুক্তি অনুস্বাক্ষর করে বাংলাদেশ বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবস্থাপনায় নানা আন্তর্জাতিক সুবিধা পাবে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক ব্যবস্থাপনা এবং সম্পর্কিত উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য আন্তর্জাতিক টেকসই অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পাওয়ার পথ সুগম হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, এই চুক্তি অনুস্বাক্ষর করে বাংলাদেশ ‘অ্যানেক্স ৩’ তালিকার অন্তর্গত মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক আমদানি বা ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার পাবে। এছাড়া আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক দেশের মধ্যে ‘যৌথ দায়িত্ব’ নীতি বাস্তবায়িত হবে। কনভেনশনের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ ক্ষতিকর রাসায়নিক সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত, অর্থনৈতিক ও আইনি তথ্য অন্যান্য সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে বিনিময় করতে পারবে।

রটারড্যাম কনভেনশনের ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক রটারড্যাম সচিবালয় থেকে রাসায়নিকের নিরাপদ ব্যবস্থাপনার ওপর উন্নত প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সহায়তা পাবে। এছাড়া বিপজ্জনক কেমিক্যালের সঠিক ট্র্যাকিং নিশ্চিত করতে জাতীয় ডেটাবেইস তৈরিতে আন্তর্জাতিক সহায়তা পাওয়া যাবে।

"রটারড্যাম কনভেনশনে অনুস্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক সহায়তা ও সুবিধা পাবে। এতে ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিকের সঠিক ট্র্যাকিং ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সচিবালয়, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫তম মন্ত্রিসভার বৈঠক, ১৬৭টি সদস্য দেশ, ১৯৯৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর, ২০০৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖