📌 বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, ইউরোপে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সুবিধার জন্য ঢাকা-রোম রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নতুন উড়োজাহাজ সংযোজনের পর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানো হবে
বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে ঢাকা-রোম বিমান সংযোগে নতুন উড়োজাহাজ সংযোজনের পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বুধবার সচিবালয়ে ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর সাথে বৈঠকে এই তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে সপ্তাহে ছয়টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ইউরোপে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসীদের যাতায়াত সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন উড়োজাহাজ সংযোজনের পর ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে ঢাকা-রোম রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা — বর্তমানে সপ্তাহে ছয়টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
- 📌 নতুন উড়োজাহাজ সংযোজনের পর ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধির আশা — ইউরোপে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের যাতায়াত সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
- 📌 বৈঠকে আলোচিত বিষয়সমূহ — বিমান চলাচল সম্প্রসারণ, এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগ, উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ ও এমআরও সুবিধা উন্নয়ন, পর্যটন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করা।
- 📌 কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন ও পর্যটন আকর্ষণের আলোচনা — আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য কক্সবাজারসহ দেশের পর্যটন গন্তব্যগুলোতে যাতায়াত সহজতর করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
- 📌 বাংলাদেশে ইতালীয় পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের আগ্রহ — পর্যটন আকর্ষণ, যোগাযোগব্যবস্থা ও দর্শনার্থীদের সুযোগ-সুবিধা উন্নয়নের মাধ্যমে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
📰 বিস্তারিত
বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর সাথে সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এই তথ্য জানান। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে বিমান চলাচল সম্প্রসারণ, এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগ, উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল (এমআরও) সুবিধা উন্নয়ন এবং পর্যটন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী ইতালির এজ কোম্পানি, আতিতেক এসপিএ ও জিলারদোনির অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা কাজে লাগানোর বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা জানান।
বৈঠকে কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন ও উদ্বোধনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যে যাতায়াত সহজতর করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিদেশী পর্যটকদের নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য ও উন্নত ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে বিশেষ ‘রেড জোন’ গঠনের বিষয়টিও আলোচিত হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশে ইতালীয় পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পায়। পর্যটন আকর্ষণ, যোগাযোগব্যবস্থা ও দর্শনার্থীদের সুযোগ-সুবিধা উন্নয়নের মাধ্যমে এ খাতে সহযোগিতা আরো জোরদার করতে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। ইতালি দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ফেদেরিকো জামপারেল্লি উপস্থিত ছিলেন।
"বাংলাদেশ ও ইতালির বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করার পাশাপাশি বিমান চলাচল, এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগ ও পর্যটন উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (সচিবালয়), কক্সবাজার (বিমানবন্দর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (মন্ত্রী), আন্তোনিও আলেসান্দ্রো (রাষ্ট্রদূত), ফেদেরিকো জামপারেল্লি (ডেপুটি হেড অব মিশন)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ (সপ্তাহে ফ্লাইট সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!